দুর্গাপুজো আসবে আর ভালোবাসার গান হবে না তা কি কখনও হয়। তাই এবারে গ্রাম বাংলার মাটির সঙ্গে প্রেমের সরলতা মিশিয়ে আসতে চলেছে একেবারে নতুন একটি গান, হৃদ মাঝারের ঢেউ। এই গানের মিউজিক কম্পোজার অর্থাৎ গানটিকে প্রাণ দিয়েছেন গায়ক তথা সুরকার দেবরাজ ভট্টাচার্য।
দুর্গাপুজো আসবে আর ভালোবাসার গান হবে না তা কি কখনও হয়। তাই এবারে গ্রাম বাংলার মাটির সঙ্গে প্রেমের সরলতা মিশিয়ে আসতে চলেছে একেবারে নতুন একটি গান, ‘হৃদ মাঝারের ঢেউ’। এই গানের মিউজিক কম্পোজার অর্থাৎ গানটিকে প্রাণ দিয়েছেন গায়ক তথা সুরকার দেবরাজ ভট্টাচার্য।
দেবরাজের সুরে পুজোর গান ‘হৃদ মাঝারের ঢেউ’
দুর্গাপুজো মানে কিন্তু শুধুই শক্তির আরাধনা নয়, অনেকের কাছে পুজো মানেই প্রথম প্রেম। কখনও এক ঝলকেই তা হয়ে যায়, কখনও আবার বন্ধুত্ব পরিণতি প্রায় প্রেমে। প্রথম প্রেম সবসময় হয় ভীষণ স্পেশাল কারণ এই ভালোবাসায় এমন কিছু নিষ্পাপ অনুভূতি মিশে থাকে যা হাজার খুঁজলেও পাওয়া যায় না। তাই এবার এই নিষ্পাপ অনুভূতিকে গ্রাম বাংলার সাজে সাজিয়ে নিয়ে আসছে ‘হৃদ মাঝারের ঢেউ’।
এই মিউজিক ভিডিও মুক্তি পাবে আগামী ৭ অক্টোবর। মিউজিক ভিডিওটি নিয়ে আসছে জিরো ওয়ান স্টুডিওস, যেটা একটি স্বাধীন কনটেন্ট স্টুডিও যার হাত ধরে এর আগেও বাংলা ভাষায় বিভিন্ন ফরম্যাটের কনটেন্ট তৈরি হয়েছে।
অনন্ত শ্রীবাস্তব প্রযোজিত এই মিউজিক ভিডিওতে কৃষ্ণানু ও সুনীতার চরিত্রে দেখা যাবে আর্যুন ঘোষ ও সোমু সরকারকে। দুর্গাপুজোর উৎসবমুখর আবহে তাঁদের সহজ আকর্ষণ ধীরে ধীরে রূপ নেয় মায়াময় সঙ্গতায়। চোখের চাহনি, খুনসুটি, একসঙ্গে কাটানো মুহূর্ত আর ছোট ছোট যত্নের মধ্য দিয়েই এগিয়ে চলে তাঁদের প্রেম।
‘হৃদ মাঝারের ঢেউ’-এর আবেগের মূল সুরটি তৈরি করেছেন গায়ক ও সুরকার দেবরাজ ভট্টাচার্য। গানটির কথা লিখেছেন সোমরাজ দাস। প্রেমের গল্পটির সঙ্গে সুর যেন একাকার হয়ে যায় দু’জন মানুষের কাছে আসার পথে যে মায়া, কোমলতা আর না-বলা অনুভূতি থাকে, সেই আবেগকেই বহন করে নিয়ে যায় গানটি।
পরিচালনা ও সম্পাদনায় সম্মান রায়। বাংলার গ্রামীণ সৌন্দর্য ও রঙিন আবহকে সঙ্গে নিয়ে তিনি মিউজিক ভিডিওটিকে দিয়েছেন এক মাটির কাছাকাছি, আন্তরিক ও সহজে আপন করে নেওয়ার মতো দৃশ্যভাষা।
শেষ পর্যন্ত ‘হৃদ মাঝারের ঢেউ’ তার সরলতার মধ্যেই খুঁজে পায় নিজস্ব জাদু যেখানে কখনও একটি চাহনিই বলে দেয় অনেক কথা, সাধারণ মুহূর্ত হয়ে ওঠে স্মৃতি, আর প্রথম প্রেম আসে হৃদয়ে আলতো ঢেউয়ের মতো গান থেমে যাওয়ার পরেও যার রেশ থেকে যায় অনেকটা সময়।