‘এই ম্যাচিওরিটি যদি তখন থাকত, আমরা আলাদাই হতাম না’! শুভশ্রীকে পাশে নিয়ে অকপট দেব
দেব-শুভশ্রী পাশাপাশি আসা মানেই, পুরনো নস্টালজিয়া। সোমবার দেশু ৭-এর টিজার মুক্তির আগে দুজনে ভবিষ্যত নিয়ে তো দুজনে কথা বললেনই, সঙ্গে আবার পুরনো দিনের কথাও বারবার উঠে এল দেব ও শুভশ্রীর মুখে।
সোমবার ৩১ অগস্ট মুক্তি পেয়েছে দেব ও শুভশ্রীর সিনেমা ‘দেশু ৭’-এর টিজার। সকাল ১১টা নাগাদ দুজনে এসেছিলেন ফেসবুক লাইভে। আর দেব-শুভশ্রী পাশাপাশি আসা মানেই, পুরনো নস্টালজিয়া। বর্তমান, ভবিষ্যত নিয়ে তো দুজনে কথা বললেনই, সঙ্গে আবার পুরনো দিনের কথাও বারবার উঠে এল দেব ও শুভশ্রীর মুখে।

আর এই লাইভ চলাকালীন দেব বলেন, ‘গত পুজোতে ওর নম্বর ডিলিট করে দিয়েছিলাম। ‘ইনোসেন্ট’ নিয়ে একটা ঝামেলা হয়েছিল। ও হয়তো এখন বুঝতে পারছে আমি এরকমই। যা মুখে আসে বলে দেই। এবার ওর মনে আঘাত লাগল। ও অভিমান করল। ভাবলাম নম্বরই থাকবে না ফোনে। মনেও আসবে না।’
‘ওর বিয়ের আগেরদিন অবধি কথা হয়েছে’
এমনকী, দেব এদিন লাইভ চলাকালীন জানান, বিচ্ছেদের পর থেকে তাঁদের মধ্যে যে একেবারেই কথা হয়নি, এমনটা নয়। বরং মাঝেমধ্যেই কথা বলতেন তাঁরা। এমনকী ঝগড়াও করতেন। আর একে-অপরকে ব্লক করে দিতেন। দেব তো বলেই বসলেন, ‘ওর সঙ্গে বিয়ের আগেরদিন অবধি কথা হয়েছে। আমরা কথা বলতাম, ঝগড়া করতাম। ওর সঙ্গে জনসম্মুখে কথা বলাটা আমি মিস কতরতাম। আমরা যদি একটু হেসে কথা বলি বা জড়িয়ে ধরি, সোশ্যাল মিডিয়ায় সেটাই অনেক বড় হয়ে যায়।’ তবে দেবের মুখে বিয়ের আগেরদিনও কথা হয়েছে শুনে, শুভশ্রী সাথেসাথে জিভ কাটেন। আলটপকা মন্তব্য করে ফেলেছেন বুঝতে পেরে দেব পাশে বসা শুভশ্রীকে প্রশ্ন করেন, ‘আবার বিতর্কিত মন্তব্য করে ফেললাম নাকি’!
‘এই ম্যাচিওরিটি তখন থাকলে ব্রেকআপই হত না’
সোমবারের ফেসবুক লাইভ থেকে তৈরি হয়েছে একাধিক নস্টালজিক মোমেন্ট। এই যেমন যখন দেবের কাছে প্রশ্ন করা হয়, এই এতগুলো বছরে শুভশ্রী কতটা বদলেছেন, তখন অভিনেতা বলে ওঠেন, ‘ওর যে পরিবর্তনটা হয়েছে সেটা খুব পজিটিভ। ম্যাচিওরিটি অনেক বেড়েছে। আন্ডারস্ট্যান্ডিংও বেড়েছে। ওই ম্যাচিওরিটি যদি আমাদের থাকত তাহলে আমরা আলাদাই হতাম না…’
এই অবধি দেব বলতেই হেসে উঠেন শুভশ্রী। এমনকী, এদিন সঞ্চালনার দায়িত্বে থাকা অরিত্র দত্ত বণিকও দেবের এমন কথা শুনে থমকে যান। তবে এরপর দেব নিজেকে কিছুটা গুছিয়ে নিয়ে মনের কথা স্পষ্ট করেন। বলেন, ‘আমি বলতে চাইছি সিচুয়েশনকে হ্যান্ডেল করার যে ম্যাচিওরিটিটা সেটা আমাদের বেড়েছে বলেই আমরা কাজ করতে পেরেছি। নয়তো আমরা ব্লক লিস্টেই থেকে যেতাম। এমন কিছু করো না যাতে আমাদের পার্টনারকে ব্যক্তিগত অ্যাটাক করা হয়। তাঁদের সাপোর্ট ছাড়া আমরা এই কাজটাই করতে পারতাম না।’
‘শুভশ্রীর সব মনে আছে…’
দেব-শুভশ্রী একসঙ্গে আর সেখানে খুনসুটি হবে না, তা কী হয়! দেব লাইভের একটা সময় বলে ওঠেন, ‘পুরনো কথা ওকে জিজ্ঞাসা করো। ওর সব মনে আছে। আমাদের প্রথম দিন, হাওড়া… ও সব মনে করিয়ে দেবে তোমাকে।’ আর দেবের মুখে এমন কথা শুনে শুভশ্রীর অকপট জবাব, ‘আমার আসলে সিলেক্টিভ মেমোরি, যা আমি মনে রাখতে চাই তাই মনে রাখি…’! এমন একটা লুজ বল এলে ছক্কা মারার সুযোগ কিআর ছাড়া যায়! দেব বলে ওঠেন, ‘ও তার মানে আমি এখনো তোমার মনে আছি…’।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


