Dev Anand Brother: বউকে ডিভোর্স দিয়ে ১৯ বছরের ছোট ভাগ্নিকে বিয়ে! ভাই বিজয়ের সিদ্ধান্ত মানতে পারেননি দেব আনন্দ

রক্তের সম্পর্ক উপেক্ষা করে নিজের দিদির মেয়েকে বিয়ে করেছিলেন দেব আনন্দের ভাই, তথা বলিউডের বিখ্যাত পরিচালক বিজয় আনন্দ। 

Published on: Aug 5, 2026, 09:01:05 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

'গাইড', 'জুয়েল থিফ', 'তিসরি মঞ্জিল'-এর মতো একাধিক কালজয়ী হিন্দি সিনেমার প্রখ্যাত পরিচালক বিজয় আনন্দ (Vijay Anand)। তাঁর আরও একটা পরিচয় রয়েছে তিনি বলিউডে এভারগ্রিন তারকা দেব আনন্দের ভাই। তবে রুপোলি পর্দায় সাফল্যের পাশাপাশি তাঁর ব্যক্তিগত জীবন জুড়ে রয়েছে একটা বিতর্ক। ১৯৭৮ সালে নিজের ভাগ্নি সুষমা-কে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। পরিবারের তীব্র বিরোধিতার মাঝে নেওয়া এই সিদ্ধান্তের কারণে ভাই বিজয়ের ওপর চরম অসন্তুষ্ট ও ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন বলিউড মেগাস্টার দেব আনন্দ (Dev Anand)।

নিজের ভাগ্নিকে বিয়ে করেছিল দেব আনন্দের ভাই! বিজয়-সূষমার বিয়ে মানতে পারেননি নায়ক
নিজের ভাগ্নিকে বিয়ে করেছিল দেব আনন্দের ভাই! বিজয়-সূষমার বিয়ে মানতে পারেননি নায়ক

ওশোর পরামর্শ এবং পরিবারের তীব্র বিরোধিতায় বিয়ে

সুষমা ছিলেন বিজয় আনন্দের বড় বোনের মেয়ে, অর্থাৎ সম্পর্কের দিক থেকে বিজয় ও দেব আনন্দের নিজের ভাগ্নি। তিনি বিজয়ের চেয়ে ১৯ বছরের ছোট ছিলেন। সামাজিক ও পারিবারিকভাবে বোনঝিকে বিয়ে করার বিষয়টি মেনে নেওয়া সম্ভব ছিল না। আনন্দ পরিবার এই সম্পর্কের তীব্র বিরোধিতা করে।

পরিবারিক বিরোধিতা সত্ত্বেও আধ্যাত্মিক গুরু ভগবান রজনীশ (ওশো)-র পরামর্শ মেনেই ১৯৭৮ সালে 'রাম বলরাম' (Ram Balram) সিনেমার শুটিং চলাকালীন সুষমাকে বিয়ে করেন বিজয় আনন্দ।

‘ওশোর মোহে অন্ধ ছিলেন বিজয়’— দেব আনন্দের প্রতিক্রিয়া

দেব আনন্দের ব্যক্তিগত সচিব অশোক সিনহা সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বিজয়ের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে দেব আনন্দের ক্ষোভের কথা প্রকাশ্যে এনে জানান। ছোট ভাই বিজয়ের এই পদক্ষেপে দেব আনন্দ অত্যন্ত ক্ষুব্ধ ও হতাশ হয়েছিলেন। যদিও দুই ভাইয়ের মধ্যে কথাবার্তা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি, তবে দেব আনন্দ ঘটনাটি একদমই ভালোভাবে মেনে নিতে পারেননি।

অশোক সিনহার দাবি, বিজয়ের ওপর তখন ওশোর প্রবল প্রভাব ছিল। ওশোর পরামর্শেই প্রথম স্ত্রী লাভলিন থাদানির সাথে বিচ্ছেদ হয়েছিল বিজয়ের, আর পরবর্তীতে ওশোর নির্দেশেই তিনি সুষমাকে বিয়ে করেন।

পরবর্তীতে ওশোর সাথে মোহভঙ্গ

পরিবারের বিরুদ্ধে গিয়ে যে ওশোর কথায় বিয়ে করেছিলেন, সেই ওশোর সাথেও কয়েক বছরের মধ্যেই মোহভঙ্গ ঘটে বিজয়ের। বিজয়ের পুত্র বৈভব আনন্দ (Vaibhav Anand) জানান, পরবর্তীতে ওশো নিজের ওপর একটি বায়োপিক বানানোর প্রস্তাব দিলে বিজয় আনন্দের সাথে ওঁর বিবাদ শুরু হয়। বিজয় বুঝতে পারেন যে রজনীশ আর আধ্যাত্মিক পথে নেই, বরং বস্তুবাদী হয়ে পড়েছেন। এরপরই ওশোকে চিঠি দিয়ে তাঁর আশ্রম চিরতরে ত্যাগ করেন বিজয়।

উল্লেখ্য, সমস্ত পারিবারিক ও সামাজিক বিতর্ক সত্ত্বেও ২০০৪ সালে মৃত্যুর আগে পর্যন্ত সুষমার সঙ্গেই দীর্ঘ দাম্পত্য জীবন কাটান বিজয় আনন্দ। ২০২৩ সালে প্রয়াত হন সুষমা।

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More