কালীঘাট মন্দিরে জিতের বাবা-বোনের মুখোমুখি! শুভশ্রী শোনালেন দেশু ৭-এর গল্প, দেব যত্ন করে নিয়ে গেলেন মন্দিরের বাইরে
ছবি মুক্তির দিন নায়ক-নায়িকা পুজো দিতে হাজির হয়েছিলেন কালীঘাটে। আর সেখানেই সামনে এল এক মিষ্টি মুহূর্ত। কালীঘাটে জিতের বাবা ও বোনের সঙ্গে সাক্ষাৎ দুই তারকার।
ষষ্ঠীর দিন অর্থাৎ ১৬ অক্টোবর শুক্রবার বক্স অফিসে মুক্তি পেয়েছে চার-চারটি বাংলা সিনেমা। যার মধ্যে রয়েছে দেব ও শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় জুটির সিনেমা দেশু ৭। ছবি মুক্তির দিন নায়ক-নায়িকা পুজো দিতে হাজির হয়েছিলেন কালীঘাটে। আর সেখানেই সামনে এল এক মিষ্টি মুহূর্ত। কালীঘাটে জিতের বাবা ও বোনের সঙ্গে সাক্ষাৎ দুই তারকার।

শুভশ্রী দেবকে ডেকে এনে জিতের বাবা বোনের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। শুভশ্রীকে বলতে শোনা যায়, ‘আমাদের সিনেমা দেশু ৭ আজ মুক্তি পেয়েছে।’ জিতের বাবা এরপর শুভেচ্ছা জানান দুই তারকাকে। হাত জোড় করে নমস্কারও করেন শুভশ্রী। এরপর কালীঘাট মন্দির থেকে বেরোতে জিতের বাবাকে সাহায্য করতে দেখা যায় দেবকে। হাত ধরে খুব সাবধানে মন্দির থেকে বের হতে সাহায্য করেন। আর দেব ও শুভশ্রীর এই আন্তরিকতা মন ছুঁয়ে গিয়েছে দুই তারকার ভক্তদের।
কমেন্ট সেকশনেও সকলে ভালোবাসায় ভরালেন দেব ও শুভশ্রীকে। যদিও এক নেটিজেন কটাক্ষ করে মন্তব্য করেন, ‘পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করলে কী খুব অসুবিধা হত’! যাতে জবাব দিয়ে এক নেটিজেনের মন্তব্য, ‘মন্দিরের ভিতরে কাওকে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করতে নেই।’
ছবির নাম কেন দেশু ৭?
অনেকেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন দেব ও শুভশ্রীর ছবির নাম কেন রাখা হয় দেশু ৭। এর পিছনে রয়েছে লম্বা গল্প। ছবি যখন প্রথম ঘোষণা করা হয় তখন হ্যাশট্য়াগে দেশু ৭ ব্যবহার করা হচ্ছিল। কারণ দেব ও শুভশ্রী জুটির এটা সপ্তম সিনেমা। যদিও তারপরে নামটি এতটাই জনপ্রিয় হয়ে যায় যে, এটিকে আর বদলানো হয়নি। সঙ্গে দেশু ৭ নাম রাখার কারণকে খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ছবিতেও। যা জানতে দর্শককে অবশ্যই দেখতে হবে সিনেমা।
এরপর জিতের সঙ্গে ছবি, ঘোষণা করে দিয়েছেন দেব ইতিমধ্যেই
শুক্রবার সকালের প্রথম শো-টি রাখা হয়েছিল সেই সমস্ত দর্শকদের জন্য, যারা সেই জানুয়ারি মাসেই দেশু ৭-এর গোল্ডেন টিকিট বুক করেছিল। আর তার শেষে ভক্তরা যখন জানতে চায়, শুভশ্রীর সঙ্গে দেবের পরের ছবিটি কবে আসবে তখন দেব বলেন, তাঁর পরের কাজ হতে চলেছে সুপারস্টার জিতের সঙ্গে। অভিনেতাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমার নেক্সট কমিটমেন্ট আছে জিৎদাকে। শর্ত একটাই আরও বড় স্কেলে করতে হবে। জিৎদাকে নিয়ে ছবি করতে গেলে এর থেকে ডবল বাজেটে করতে হবে। এমন কিছু যা বাংলা সিনেমার দর্শক গর্ব করে বলতে পারে, বাংলাও পারে। বাংলা পিছিয়ে নেই এখন।’
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


