বাবার স্বপ্নপূরণে পুরুলিয়ার পিছিয়ে পড়া মানুষদের নিয়ে কাজ তারে ধরি ধরি-র ‘গোরা’র! দাদাগিরিতে বিশ্বরূপের প্রশংসা দেবের
দেবের সঙ্গে খেলতে দাদাগিরিতে এসেছিলেন তারে ধরি ধরি মনে করি-র গোরা ওরফে বিশ্বরূপ। সেখানেই অভিনেতা জানালেন যে, পুরুলিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চলে সমাজের পিছিয়ে পড়া শ্রেণির জন্য কাজ করছেন। তাঁদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন শিক্ষা-চিকিৎসা। বিশ্বরূপের এই উদ্যোগ মন ছুঁয়ে যায় ‘নতুন দাদা’ দেবেরও।
সম্প্রতি সামনে এসেছে ‘দাদাগিরি’র নতুন প্রোমো। যেখানে দেখা মিলেছে দেবের সঙ্গে দাদাগিরি করতে মঞ্চে হাজির হয়েছেন তারে ধরি ধরি মনে করি ধারাবাহিকের ‘গোরা’ ওরফে বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়। আর দাদাগিরির মঞ্চ থেকেই সামনে আসে অভিনেতা কীভাবে পুরুলিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চলে সমাজের পিছিয়ে পড়া শ্রেণির জন্য কাজ করছেন। তাঁদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন শিক্ষা-চিকিৎসা। এমনকী, বিশ্বরূপের এই উদ্যোগ মন ছুঁয়ে যায় ‘নতুন দাদা’ দেবেরও।

দাদাগিরির প্রোমোতে ব্যাকগ্রাউন্ড ভয়েসওভার বলছে, ‘রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত সমাজকর্মী বাবার স্বপ্ন সফল করতে দাদাগিরির মঞ্চে দর্শকদের প্রিয় গোরা ওরফে বিশ্বরূপ।’ এরপর অভিনেতাকে বলতে শোনা যায়, ‘পুরুলিয়াতে লেখাপড়া নিয়ে মূলত কাজ করি। চাষিদের নিয়ে কাজ করি। কিছু দাতব্য চিকিৎসালয় চলে যেখানে ৫০ টাকা দিয়ে লোকেরা এসে ডাক্তার দেখাতে পারে।’
পুরুলিয়ার মানুষের সঙ্গে বিশ্বরূপের ছবিও ভেসে ওঠে স্ক্রিনে। আর অভিনেতার এই উদ্যোগ মন জিতে নেয় দেবের। তিনি বলে ওঠেন, ‘আজকে কাকু যেখানেই আছেন, তোমাকে নিয়ে গর্ব বোধ করছেন। ওঁর রেখে যাওয়া ,স্বপ্ন তুমি সত্যি করছ, তাই জন্য তোমাকে হ্যাটস অফ।’ সেই সময় মঞ্চে হাজির ছিলেন সুনীল ছেত্রীও। বিশ্বরূপের এহেন সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের কথা শুনে তাঁর চোখেমুখেও ফুটে ওঠে প্রশংসার অভিব্যক্তি।
দেব শুধু বিশ্বরূপের কাজের প্রশংসাই করেননি, সঙ্গে ভবিষ্যতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন। বলেন, ‘যেদিন দেবের কোনো সাহায্য লাগবে বলবে, যে কোনো ভাবে, আমি প্রস্তুত আছি।’
দেখুন-
প্রসঙ্গত, 'দাদাগিরি'র নতুন সিজন (সিজন ১১)-এ এবার সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের পরিবর্তে সঞ্চালকের আসনে বাংলার সুপারস্টার দেব। যা শুরু হয়েছে ৫ জুলাই থেকে। একদম নতুনভাবে দেবকে দেখতে পারছেন তাঁর অনুরাগীরা। দাদাগিরি-র প্রিমিয়ারে হাজির ছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ের মতো তারকারা।
নতুন দায়িত্ব কাঁধে নিয়েই সব বিতর্কে জল ঢেলে দেব জানিয়ে দিয়েছেন, দাদাগিরির অফার পাওয়ার পর প্রথম ফোন তিনি করেছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে। শুনেই দেবকে শুভেচ্ছা জানান মহারাজ। এমনকী, কিছু পরামর্শও দেন তিনি। দেবের বিশ্বাস, সাফল্যর সঙ্গেই তিনি নিজের নতুন দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। আশাহত হবেন না দাদাগিরির দর্শকরা।
শোনা যায়, পারিশ্রমিক নিয়ে মতানৈক্যের কারণেই নাকি সৌরভ ছাড়েন দাদাগিরি। ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেট ক্যাপ্টেনকে খুব শীঘ্রই দেখা যাবে স্টার জলসার বাংলা বিগ বসে। সঙ্গে ওই চ্যানেলের হয়ে একটি কুইজ শো সঞ্চালনাও করবেন তিনি।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


