‘অনেক কিছু হারাই, অভিমান হয়…’! দুঃখ পেলে কীভাবে সামলান, দাদাগিরিতে খোলসা দেবের
তারকা খোলসে নিজেকে বন্দি না করে, সব বয়সীদের মনে জায়গা করে নেন দেব। সদহাস্য দেব দুঃখ পেলে কীভাবে সামলান নিজেকে, খোলসা করলেন দাদাগিরিতে।
দাদাগিরি-র সঞ্চালক হিসেবে সামনে আসার পর থেকেই, নতুন করে ভক্তদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন দেব। এমনিতেই তিনি অনুরাগী-ভালোবাসার মানুষদের ঘরের ছেলে। তারকা খোলসে নিজেকে বন্দি না করে, সব বয়সীদের মনে জায়গা করে নেন। এমনকী, দাদাগিরির খুদে প্রতিযোগীদেরকেও খুব সুন্দর করে সামলে নেন। মেতে ওঠেন হাসি মজায়।

সম্প্রতি দাদাগিরিতে এসেছিলেন জি বাংলা ধারাবাহিকের জুটিরা। আর সেখানেই অন্নপূর্ণার লক্ষ্মীরা-র নায়িকা স্বস্তিকা ঘোষ দেবের উদ্দেশে প্রশ্ন করেন, ‘দুঃখ পেলে তুমি নিজেকে কীভাবে শান্ত করো?’ যাতে দেব জবাব দেন, ‘এত কিছু পাওয়া সত্ত্বেও আমি অনেক কিছু হারাই। আমার অনেক কিছুতে অভিমান হয়। কিন্তু মন ভাঙে না। একটা জিনিস মাথায় রাখবে যা হয় ভালোর জন্য হয়।’
আপাতত দাদাগিরি-র পাশাপাশি দেব ব্যস্ত রয়েছেন দেশু সাত নিয়ে। সঙ্গে মুক্তির অপেক্ষায় তাঁর বাইক অ্যাম্বুলেন্স ছবিটিও। দেশু সাতে শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে জুটি বাধতে দেখা যাবে অভিনেতাকে। প্রায় ১২ বছর পর একসঙ্গে কাজ করছেন দেব-শুভশ্রী। তাঁদের শেষ সিনেমা ছিল ধূমকেতু। যা বহু বছর আটকে থাকার পর মুক্তি পেয়েছিল ২০২৫ সালে।
দেশু সাতের মাধ্যমে আপাতত জোর চর্চায় দেব-শুভশ্রীর পুরনো সেই রসায়ন। ২০১৩ সালে মুক্তি পায় এই জুটির শেষ ছবি 'খোকা ৪২০'। সেই সময়ও তাঁরা সম্পর্কে ছিলেন। ২০১৫ সালে হয়েছিল ধূমকেতু-র শ্যুট। ততদিনে সম্পর্ক ভেঙে বেরিয়ে এসেছেন তাঁরা। চলতি সপ্তাহে ছবির টিজার মুক্তির আগে লাইভে আসেন দুজনে একসঙ্গে। সেখানে তাঁদের মুখে বারবার উঠে আসে প্রাক্তন সময়ের কথা। এমনকী, দেব তো বলেও বসেন, বিচ্ছেদের পরও মাঝেমাঝেই যোগাযোগ হত তাঁদের। এমনকী, শুভশ্রী আর রাজের বিয়ের আগেরদিনও ম্যাসেজ করেছিলেন। তারপর ফাইনাল ব্লক।
তবে শুধু শুভশ্রীর সঙ্গে প্রেম ভাঙাই মন ভাঙে না দেবের। বরং, কেরিয়ারের শুরুর দিকে একাধিকবার অভিনয়, নিজের উচ্চারণ নিয়ে কটাক্ষের মুখে পড়েছিলেন। শুধু দর্শকরা নয়, ইন্ডাস্ট্রির তারকারাও সেই সময় তাঁকে নিয়ে হাসাহাসি করা ছাড়েননি। তবে হাল ছাড়ার পাত্র যে তিনি নন, দেব তা বারবার প্রমাণ করেছেন। বর্তমানে তিনি শুধু সফল অভিনেতাই নন, প্রযোজক-পরিচালক। তাঁকে পরিচালক হিসেবে প্রথমবার দেখা যাবে দেশু সাত ছবিতে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


