Dev-Subhashree-Raj: ‘ভুলে যাচ্ছ তোমার বাড়িতেও একজন…’! রাজের নাম নিয়ে খোঁচা দেবের, কী জবাব শুভশ্রীর
১৫ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে দেশু ৭। আর এখন জমিয়ে চলছে ছবির প্রচার। তারই মাঝে দেব-শুভশ্রীর একাধিক মিষ্টি মুহূর্ত ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়াতে। এবার দেখা গেল, ‘পরিচালক রাজ’-এর প্রশংসায় পঞ্চমুখ দেব।
দেব-শুভশ্রীর প্রেম ছিল এখনো টলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় টপিক। তাঁদের একসঙ্গে কাটানো বিভিন্ন মুহূর্ত, তাঁদের করা সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, এখনো ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। যদিও গঙ্গা দিয়ে বহু জল গড়িয়েছে। আলাদা হয়েছেন তাঁরা। দেবের জীবনে প্রবেশ ঘটেছে বান্ধবী রুক্মিণীর। আর শুভশ্রী গুছিয়ে সংসার করছেন রাজের সঙ্গে। তবে এসবের মাঝেই নতুন করে কাছাকাছি এসেছেন দেব-শুভশ্রী। কারণ মুক্তি পাচ্ছে তাঁদের জুটির সপ্তম সিনেমা দেশু ৭, এই মাসের ১৫ তারিখ।

দেশু ৭-এর শিলিগুড়ি প্রোমোশনের একটি ভিডিয়ো ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়াতে। যেখানে শুভশ্রীকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘আমি কখনো ভাবিনি (পরিচালনা করা নিয়ে), তবে আমি এটাও বিশ্বাস করি যে কখনো বলতে নেই, আমি এটা করবই না! কারণ সেটাই হয়। তবে অবশ্যই আমি এটা বলতে চাই যে, দেবকে পরিচালক হতে দেখে আমি ভীষণই ইন্সপায়ারড। কখনো যদি এরকম সুযোগ হয়, ওর কাছে গিয়ে আমি সাজেশন নেব। জানতে চাইব, প্রথমবার যখন তুমি ডিরেক্ট করবে ভেবেছিলে, কী কী সাহস নিয়ে মাঠে নেমেছিলে।’
আর শুভশ্রীর এই কথার জবাবে দেব বলে ওঠেন, ‘তুমি ভুলে যাচ্ছ তোমার বাড়িতে একজন ডিরেক্টর আছে, আমার কাছে আসতে হবে না।’ এরপর রাজের প্রশংসায় দেব আরও বলেন, ‘একটা কথা না বললে অসমাপ্ত থেকে যাবে, ও হচ্ছে ওই স্কুলের প্রিন্সিপাল, যেই স্কুলের আমরা ছাত্র। রাজ চক্রবর্তী হচ্ছে একজন লেডেন্ড’। আর বরের এমন প্রশংসা শুনে আনন্দের সঙ্গে সম্মতি জানালেন শুভশ্রীও।
প্রসঙ্গত, দেব ও শুভশ্রীকে জুটি হিসেবে প্রথম দর্শকদের সামনে তুলে ধরেছিলেন রাজই। এরপর পরাণ যায় জ্বলিয়া রে, রোমিও, খোকাবাবু, খোকা ৪২০, ধূমকেতু-তে একসঙ্গে কাজ করেন তাঁরা। এখন মুক্তির অপেক্ষায় দেশু ৭।
দেশু ৭-এ দেব আর শুভশ্রীর সিনেমা করা নিয়ে নানা কটাক্ষও চলেছে। এবং যা বেশিরভাগই হয়েছে দেব-বান্ধবী রুক্মিণী ও শুভশ্রীর বর রাজকে লক্ষ করে। যেমন এই ভিডিয়োর কমেন্ট সেকশনেও এক নেটিজেন লিখলেন, ‘এটাকে বলে রাজ কাকুকে সান্ত্বনা দেওয়া’।
শোনা যায়, শুভশ্রী চেয়েছিলেন গুছিয়ে সংসার করতে। এদিকে দেব একদম রাজি ছিলেন না তখন বিয়েতে। ফলে ছাড়াছাড়ি। এর কয়েকবছর পর, শুভশ্রীর সেই স্বপ্নপূরণ করেন রাজ। অভিনেত্রী বিয়ের আগেও একাধিক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন তাঁর স্বপ্ন ‘ভালো মা’ হবেন। আর এখন তিনি ইউভান-ইয়ালিনির মাম্মা। কাজ, সংসার সবকিছু সামলে দুই সন্তানের বড় হয়ে ওঠায় কড়া নজর তাঁর। লেখাপড়া, খেলাধুলো, ঘুম, স্নান, খাওয়াদাওয়া দুই সন্তানের জন্য কড়া রুটিন বানিয়ে রেখেছেন। আর শত ব্যস্ততার মধ্যেও নিশ্চিত করেন, যাতে ছেলেমেয়েকে বড় করায়, কোনো অপূর্ণতা না থেকে যায়।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


