সিঁথিতে সিঁদুর, দেশু ৭-এর মঙ্গল কামনায় দেবকে নিয়ে মন্দিরে পুজো শুভশ্রীর, দেখা করলেন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও
মুক্তির অপেক্ষায় দেব-শুভশ্রীর দেশু ৭। ছবির প্রচারে ত্রিপুরায় গিয়েছিলেন দুজনে। আর সেখানে গিয়ে পুজো দেন মন্দিরে! মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে তাঁকে ছবির গোল্ডেন টিকিটও দেন।
আর মাত্র কয়েকটা দিনের অপেক্ষা। তারপরই বড় পর্দায় আসবে এই মুহূর্তে বাংলার অন্যতম প্রতিক্ষীত ছবি দেশু ৭। অর্থাৎ দেব আর শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। দুই তারকা পর্দায় একসঙ্গে হওয়া মানেই নস্টালজিয়া। বাঙালির আবেগ যে ছবিকে ঘিরে রয়েছে, তা বোঝা যাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখ রাখলেই। এমনকী, চলতি সপ্তাহে দেশু ৭-এর প্রচারে শুভশ্রী আর দেব ত্রিপুরা পৌঁছলে, দুজনকে একসঙ্গে দেখতে জড়ো হয়েছিল হাজার হাজার ভক্তরা।

আমন্ত্রণ মুখ্যমন্ত্রীকে
ত্রিপুরায় পৌঁছেই দেশু ৭-এর প্রচার করেন দেব-শুভশ্রী। দেখা করেন সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহার সঙ্গে। তাঁর হাতে তুলে দেন ছবির গোল্ডেন টিকিট। এরপরদিন ত্রিপুরারই এক মন্দিরে পুজো দিতে দেখা যায় তাঁদের।
মন্দিরে পুজোও দিলেন দেব-শুভশ্রী
মন্দিরে এথনিক সাজে দেখা ইউভান-ইয়ালিনির মাম্মাকে। ক্রিম রঙের চুরিদার পরেছিলেন। মুখে মেকআপের লেশমাত্র নেই। কপালে ছোট্ট একটা লাল টিপ। মন্দির থেকে বেরনোর সময় ঠাকুরের উত্তরীয় দেখা গেল দুজনের গলাতেই। সঙ্গে কপালে টিকা। আর শুভশ্রীর সিঁথিতে সিঁদুরও।
ত্রিপুরা প্রচারের পুরো সময়টা শুভশ্রীকে ভিড়ের থেকে আগলে রাখতে দেখা গিয়েছিল দেবকে। এদিন মন্দিরে দেব পরে গিয়েছিলেন হলুদ রঙের পঞ্জাবি।
পরিচালক হিসেবে দেবের হাতেখড়ি
বেশ বড় বাজেটে দেশু ৭ তৈরি করা হয়েছে। ছবিরএকটি গানের শ্যুট হয়েছে লাদাখে। গল্পে রয়েছে টুইস্ট। দেবের অ্য়াকশন অবতার দেখে অনেকেই কেজিএফ, পুষ্পা-র মতো সফল দক্ষিণী ছবির সঙ্গে এর তুলনাও টানছেন। এই ছবি দিয়ে পরিচালনায় হাতেখড়ি হয়েছে দেবের। এমনকী, সিনেমার কিছু অ্যাকশন সিকোয়েন্সের কোরিওগ্রাফিও দেব নিজে করেছেন।
দেব প্রশংসায় পঞ্চমুখ শুভশ্রী
শুভশ্রী এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, পরিচালক হিসেবে দেবকে নিয়ে প্রথমে তার মনে একটু দ্বিধা ছিল। কাজ করতে করতে মনে হিংসেও তৈরি হয়েছিল! একসঙ্গেই প্রায় অভিনয়ে এসেছেন দুজনে। কী করে এতটা এগিয়ে গেল ছেলেটা, সেই ভেবে। তবে পরবর্তীতে তাঁর মনে দেবকে নিয়ে শুধুই প্রশংসা, কৃতজ্ঞতা।
দেশু ৭-কি পারবে বক্স অফিসে ধামাকা করতে?
খাদানের মতোই দেশু ৭-এর প্রচারেও অঢেল খরচ করছেন দেব। বেঙ্গল ট্যুরের ব্যবস্থা করা হয়েছে। অর্থাৎ ভক্তদের কাছে সরাসরি পৌঁছে যাবেন দেশু। এখন দেখার এই হাইপ ছবি প্রেক্ষাগৃহ অবধি পৌঁছয় কি না! বাংলা ছবির বক্স অফিস কালেকশনে ধামাকা দেখার জন্য অধীরে অপেক্ষা করছে দর্শকরাও।
তবে পুজোর লড়াই কিন্তু খুব একটা সহজ হবে না। দেশু ৭-কে পাল্লা দিতে হবে দ্য একেন: কেরালায় কুরুক্ষেত্র, বহুরীপী দ্য গোল্ডেন ডাকু এবং এম্পারার ভার্সেস শরৎচন্দ্রর সঙ্গে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


