বিয়ের আগের দিন শেষ ম্যাসেজ, তারপর ব্লক শুভশ্রীকে, দাবি দেবের! এসবের মাঝে কেন ধন্যবাদ রাজকে?
একসময় দেব ও শুভশ্রীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল টক অফ দ্য টাউন! যদিও শুভশ্রী এখন রাজের ঘরণী। আর দেব বহু বছর ধরে প্রেম করছেন রুক্মিণী মৈত্রের সঙ্গে। সোমবারের লাইভ থেকে রাজ ও রুক্মিণীর উদ্দেশে কী বললেন অভিনেতা?
সোমবার ৩১ অগস্ট মুক্তি পেল দেব ও শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্য়ায়ের পুজোর ছবি দেশু সাতের টিজার। আর টিজার প্রকাশের আগে প্রায় ঘণ্টাখানেক লাইভে ছিলেন দুই তারকা। সেখানেই দুই তারকার কেমিস্ট্রি এক্কেবারে জমে ক্ষীর। আর অবাক করা ব্যাপার হল, এদিন বারেবারে দুজনের মুখেই ঘুরেফিরে এসেছে তাঁদের সেই পুরনো সময়কার কথা। যখন একে-অপরের প্রেমে যাকে বলে হাবুডুবু খেতেন। এরপর গঙ্গা দিয়ে বহু জল গড়িয়েছে। দুজনের বিচ্ছেদ হয়েছে। শুভশ্রী সংসারও পেতেছেন রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে। বর্তমানে তিনি দুই সন্তানের মা! এদিকে, দেব বিয়ে না করলেও তিনি অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্রের সঙ্গে কমিটেড।

এদিন যেমন দেব একবাক্যে স্বীকার করে নিলেন ব্রেকআপের পরে, তাঁর আর শুভশ্রীর মধ্যে যোগাযোগ যে একেবারেই ছিল না তা ভুল। বরং টুকটাক কথা হত। বলা ভালো ঝগড়াই করতেন। দেব তো বলেই বসলেন, শেষ ম্যাসেজ তিনি শুভশ্রীকে করেছিলেন, তারপর ব্লক করে দেন।
এদিনের লাইভ চলাকালীন দেবকে এমনটাও বলতে শোনা যায় যে, তিনি ও শুভশ্রী একে-অপরকে কথা দিয়েছেন যে, আর ঝগড়া করবেন না। এমনকী, কেউ কাউকে ব্লকও করবেন না। এমনকী, শুভশ্রীর ফোন নম্বর শুভশ্রীদি অ্যাক্ট্রেস (দেবের আপ্ত সহায়কের ফোনে এই নামেই সেভ ছিল নম্বর, সেটি তিনি দেবকে পাঠান। দেব সেটাই সেভ করে রাখেন) মুছে শুভ-ও করেন। এই সময় আবার অভিনেত্রী নিশ্চিত হয়ে নেন, ‘তোমার ফোনে আর কোনো শুভ নেই তো? না মানে ছেলেদের নামও তো শুভ হয়’। তাতে আবার দেবের পালটা প্রশ্ন, ‘তোমার ফোনে কটা দেব আছে?’ এভাবেই খুনসুটি, ভালোবাসা-য় ভরা মুহূর্ত দেশু ভক্তদের মন ভরিয়ে রেখেছিল আজ।
পুজোর ছবি নিয়ে কথা বলার সময় একাধিকবার আবেগতাড়িতও হয়ে পড়েন দেব। এমনকী, একটা পর্যায়ে এসে রাজ চক্রবর্তীকেও ধন্যবাদ জানান। বলেন, ‘শুভশ্রীকে এই ছবিতে দেখে পাগল হয়ে যাবে। ও জীবনে এত সুন্দর লাগেনি, যা এই ছবিতে লেগেছে। সুন্দর আর হট। আমি রাজকেও ধন্যবাদ জানাতে চাই। পিলার অফ স্ট্রেন্থ। রুক্মিণী মৈত্রকেও ধন্যবাদ জানাতে চাই। যেভাবে ওরা ট্রোল হয়, তাও কিছু বলে না।’
এরপর সকলের উদ্দেশে দেব একাধিকবার অনুরোধ করেন যাতে কোনোভাবে তাঁদের বাড়ির মানুষদেরকে আক্রমণ করা না হয়। বলেন, ‘এমন কিছু করো না যাতে আমাদের পার্টনারকে ব্যক্তিগত অ্যাটাক করা হয়। তাঁদের সাপোর্ট ছাড়া আমরা এই কাজটাই করতে পারতাম না।’
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


