Dev-Mithun: ‘যেই দলই করুন, উনি আমার বাবার মতো…’, লাদাখ থেকে ফিরেই মিঠুনকে দেখতে হাসপাতলে দেব
শুক্রবার দুপুরেই ‘দেশু সাত’-এর শ্যুট সেরে লাদাখ থেকে দিল্লিতে ফিরেছেন দেব। আর রাতেই ছুটে এলেন হাসপাতালে মিঠুন চক্রবর্তীকে দেখতে। বৃহস্পতিবার একটি অপারেশন হয় মিঠুনের ডান হাতে।
শুক্রবার মধ্যাহ্নেই লাদাখ থেকে কলকাতা ফিরেছেন দেব। তাঁর আগামী ছবি ‘দেশু সাত’-এর একটি গানের শ্যুটে লাদাখে গিয়েছিলেন। সঙ্গে ছিলেন ছবির নায়িকা শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ও। আর রাতেই দেবকে দেখা গেল হাসপাতালে। মিঠুন চক্রবর্তীর স্বাস্থ্যের খোঁজ নিতে এলেন শহরে পা রেখেই।

মিঠুন আর দেবের সম্পর্কের এই উষ্ণতা কিছু নতুন নয়। এমনকী, বাংলার প্রাক্তন শাসক দলের কিছু নেতার চোখ রাঙানিতে দমেনি। এদিনও মিঠুন চক্রবর্তীকে দেখে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে এসে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে দেব স্পষ্টভাষায় জানালেন, ‘মিঠুনদা যেই দলে থাকুন না কেন, মিঠুনদা আমার বাবার মতো। ছিল আছে আর থাকবে। এবং আমি ওঁর ছেলের মতো।’
‘আমি কামনা করব যে উনি তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে যাক। আর যেন ওঁকে হাসপাতালে থাকতে না হয়। সুস্থভাবে কাজ করুক। আগামীদিনেও আমরা একসঙ্গে কাজ করছি। সেটা যেন আমরা সুস্থভাবে করতে পারি।’, আরও বলেন দেব।
হাসপাতালের মিঠুনের সঙ্গে সাক্ষাতের ছবি শেয়ার করে সঙ্গে লিখলেন, ‘আপনি সবসময়ই আমার কাছে একজন বাবার মতো। আপনার সুস্বাস্থ্য, সুখ এবং আপনার প্রাপ্য সবকিছুই যেন আপনি পান—এই কামনাই করি।’
খবর আছে, তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে এনসিপি-তে যোগ দিয়েছেন দেব। যদিও নিজের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে এখনো কথা বলেননি। এমনকী, প্রাক্তন তৃণমূলী সাংসদ, যারা বর্তমানে এনসিপি-তে, তাঁরা মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ-বৈঠক করলেও, সেখানে ছিলেন না দেব। যদিও এর কারণ হিসেবে তাঁর লাদাখে থাকাকেই জানিয়েছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে কোনোদিনই রাজনীতির মাপকাঠিতে আটকে ছিল না দেব ও মিঠুনের সম্পর্ক।
দেব-মিঠুনের জুটিতে বক্স অফিসে আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল প্রজাপতি আর প্রজাপতি ২। সঙ্গে বাংলার রাজনীতিতেও। দেবের বিপক্ষে চলে গিয়েছিলেন সেই সময় বহু তৃণমূল নেতা। এমনকী, প্রজাপতি-কে নন্দনে জায়গা দেওয়া হয়নি। শুধুমাত্র বিজেপি করা মিঠুনের উপস্থিতির কারণে। তবে শত বিতর্কও টলাতে পারেনি দেবকে। কুণাল ঘোষের সঙ্গে মতানৈক্যও হয়েছিল এই নিয়ে।
প্রসঙ্গত, ডান হাতে একটি ছোট অস্ত্রপচার করা হয়েছে মিঠুন চক্রবর্তীর। প্রায় দু'বছর আগে মিঠুনের ডান হাতে একটি চোট লেগেছিল, যার কারণে তখন সেখানে একটি প্লেট বসানো হয়। বৃহস্পতিবার রাতে সেই পুরনো প্লেটটি বের করার জন্যই তাঁর হাতে এই অস্ত্রোপচারটি করা হয়েছে। আপাতত তিনি কলকাতায় বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি। শুক্রবার সকালেই মিঠুনকে দেখতে হাসপাতালে হাজির হয়েছিলেন রাজ্যের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারি। হাসপাতাল ও পারিবারিক সূত্র অনুযায়ী, চিকিৎসায় তিনি সাড়া দিচ্ছেন এবং বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা সম্পূর্ণ স্থিতিশীল ও আশঙ্কামুক্ত।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


