Kanchan-Sreemoyee-Dev: ‘কাঞ্চনদা এত বার মন দিয়েছে…’! দাদাগিরিতে শ্রীময়ীর সামনেই ৩ বিয়ে নিয়ে খোঁচা দেবের

অম্বরীশ ভট্টাচার্য, কাঞ্চন মল্লিক, শ্রীময়ী চট্টোরাজ, সুদীপা চট্টোপাধ্যায়রা এবার দাদাগিরি খেলতে দেবের সঙ্গে। সেখানেই বউয়ের সামনে তিন বিয়ে নিয়ে কাঞ্চনকে খোঁচা দেবের। 

Published on: Sep 15, 2026, 08:57:19 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

এবার দাদাগিরির মঞ্চে দেবের সঙ্গে খেলতে হলেন টলিপাড়ার তারকারা। মঞ্চে দেখা গেল অম্বরীশ ভট্টাচার্য, কাঞ্চন মল্লিক, শ্রীময়ী চট্টোরাজ, সুদীপা চট্টোপাধ্যায়কে। আর এখানেই কাঞ্চনের ৩ বিয়ে নিয়ে মস্করা করতে দেখা গেল দেবকে।

দাদাগিরিতে কাঞ্চন-শ্রীময়ী-দেব।
দাদাগিরিতে কাঞ্চন-শ্রীময়ী-দেব।

একটি প্রশ্ন করেন দেব ‘প্রত্যেক মানুষের কী আছে?’ যার জবাব আসে, ‘মন’। আর এটা ধরেই দেব বলে বসেন, ‘কাঞ্চনদার আছে কি না জানি না, এতবার মন দিয়েছে তো’! জবাবে পাশ থেকে কাঞ্চন বলে ওঠেন, ‘যত দিচ্ছি না, তত বাড়ছে’।

কাঞ্চনের হয়ে মাঠে নামেন সুদীপা। তিনি বলেন, ‘মানুষ হিসেবে ভালো বলে মেয়েরা বারে বারে ওর প্রেমে পড়ে’। আর এতে দেব অম্বরীশকে দেখিয়ে বলে ওঠেন, ‘তার মানে তুমি বলছ অম্বরীশ ভালো মানুষ নয়?’ আর এতে সুদীপার জবাব, ‘আই ডোন্ট লাইক হিম’!

অম্বরীশ আবার ভীষণ কনফিডেন্স, বলে ওঠেন, ‘আমাকে অসম্ভব পছন্দ করে। বলতে পারছে না বাড়িতে বর আছে, অশান্তি হতে পারে’!

এপিসোডের মাঝে কথা প্রসঙ্গে দেবকে বলতে শোনা যায়, ‘কাঞ্চনদার সঙ্গে আমাদের প্রচুর ঘটনা আছে…’! ব্যস, মাঝপথে দেবকে থামিয়ে দেন কাঞ্চন, ‘ছোট ভাই, চল শো-কে এগিয়ে নিয়ে যাই আমরা’।

প্রসঙ্গত, তিন-তিনবার ভালোবাসা কড়া নেড়েছে কাঞ্চনের জীবনে। ২০১০ সাল নাগাদ অনিন্দিতা দাসের সঙ্গে বিয়ে হয় অভিনেতার। দ্বিতীয় বিয়ে হয় পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। এই বিয়ে থেকে ওশ নামে একটি সন্তানও হয় তাঁর। এরপর ২০২৪ সালে কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ী চট্টোরাজ বিয়ের পিঁড়িতে বসেন। তাঁদের দুই সন্তান-- কৃষভি ও কৃষিব।

প্রায় ১৭ বছরের ছোট শ্রীময়ীকে বিয়ে করা নিয়ে হামেশাই ট্রোল হতে হয় কাঞ্চনকে। যদিও বরের হয়ে বরাবরই গলা ফাটান শ্রীময়ী। কদিন আগেও এক সাক্ষাৎকারে স্বামীকে নিয়ে বলেছিলেন, ‘গদাই (কৃষিব, কাঞ্চনের তৃতীয় সন্তান) হওয়ার পর থেকে, কিছু কিছু অমানুষ, তাদের মধ্যে মহিলার শতাংশ বেশি,যারা মহিলা নামে কলঙ্ক, মহিলা বলতে লজ্জা লাগে যাদের, এতই ভালো তাদের রুচিবোধ, যে কাঞ্চনের বয়স নিয়ে এত চিন্তিত, মনে হচ্ছিল কাঞ্চনের মা কাঞ্চনের জন্ম দেওয়ার সময়, বার্থ সার্টিফিকেট এদের হাতে তুলে দিয়ে গিয়েছিল, তাই কাঞ্চনের‌ বয়স ৫৭ নাকি ৬৭, নাকি ১০৭, তার থেকেও তারা অধিক চিন্তিত কাঞ্চন এই বয়সে কি করে বাবা হওয়ার ক্ষমতা রাখছে!’

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More