‘তোমায় অনেকদিন ধরে চিনি, কিন্তু…’, শুভশ্রীকে খোলা চিঠি, মনের কথা সামনে আনলেন দেব
দেশু সাতের জন্য রাজি হওয়াতে শুভশ্রীকে ধন্যবাদ জানালেন দেব। সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘প্রাক্তন’কে লিখলেন খোলা চিঠি।
কদিন আগেই পরিচালক দেবের প্রশংসার ফুলঝুরি ফুটিয়েছিলেন শুভশ্রী। পালটা জবাব আসবে না তা কি হয়! একটু সময় নিয়েই বান্ধবীকে খোলা চিঠি লিখলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। সঙ্গে দেশু সাতের ক্যামেরার পিছনকার একাধিক ছবি।

শুভশ্রীর জন্য দেব লিখেছেন, ‘দেশু সাতের অংশ হওয়ার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ! যখন আমি এই ঝুঁকিটা নিয়ে প্রথমবারের মতো একটি সিনেমা পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নিই, তখন আমার চারপাশে অনেক অনিশ্চয়তা ছিল। এমন এক সময়, যখন দুর্গাপুজোর সময়ও আমাকে কোনো সিনেমা মুক্তি দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছিল না। তখন তুমি আমার পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলে এবং চিত্রনাট্য, শিরোনাম বা এই সিনেমায় শেষ পর্যন্ত কী হতে চলেছে, সে সম্পর্কে কিছু না জেনেই দেশু সাত-এর জন্য হ্যাঁ বলেছিলে।’
দেব জানান, তিনি শুভশ্রীকে বহুদিন ধরে চেনেন। তবে এই সিনেমায় কাজ করার সময় নতুন করে চিনেছেন। এই পোস্টে লেখা হয়েছে, ‘এই সিনেমা আমাকে উপলব্ধি করিয়েছে যে, তুমি শুধু অভিনেতা হিসেবেই নয়, একজন ব্যক্তি হিসেবেও কতটা বিকশিত হয়েছ। পেশাগত এবং ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে কী সুন্দর ভারসাম্য বজায় রেখে চলেছ। তোমাকে বেড়ে উঠতে, বিকশিত হতে এবং তারপরেও এতটা মাটির কাছাকাছি থাকতে দেখাটা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক।’
দেব আরও লেখেন যে, ‘আমার পাশে থাকার জন্য, আমাকে বিশ্বাস করার জন্য এবং এই যাত্রার অংশ হওয়ার জন্য ধন্যবাদ। এছাড়াও, এত বছর পরেও ভক্তদের মাঝে #DeSu-এর প্রতি ভালোবাসা ও উদ্দীপনা বাঁচিয়ে রাখতে সাহায্য করার জন্য ধন্যবাদ। আমার উপর এবং #DeSu7-এর ধারণার উপর বিশ্বাস রাখার জন্য আমি তোমার কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকব। তোমার ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা!’
বলাই বাহুল্য দেব-শুভশ্রীর একগুচ্ছ ছবি পেয়ে আনন্দে ডগমগ ভক্তরা। একজন লিখেছেন, ‘এরা যদি একসঙ্গে থাকত…’! আরেকজন লেখেন, ‘আমি তো আর অপেক্ষাই করতে পারছি না। কবে আসবে সিনেমাটা’! কেউ কেউ আবার এই পোস্টে ট্যাগ করেছেন রুক্মিণী মৈত্র, রাজ চক্রবর্তীকেও।
গতবছর যখন ধূমকেতু মুক্তি পেল তখন এভাবেই রাজ ও রুক্মিণীকে নিয়ে কিছু মানুষ বিরূপ মন্তব্যে ভরাচ্ছিলেন কমেন্ট বক্স। সেই সময় দুই তারকাই পরিবারকে এসবের থেকে দূরে রাখার অনুরোধ জানিয়েছলেন। পুজোয় প্রেক্ষাগৃহে আসছে দেশু সাত। আপাতত ছবির শ্যুটিং শেষ। ডাবিং শুরু হয়েছে। খবর, রাজনীতির পটভূমিতে তৈরি হয়েছে এই ছবি। রাজ-অনির্বাণ দুজনকেই শ্যুটের সময় ফাঁস হওয়া একটি ঝলকে ভোটের প্রচার করছেন এমন কিছু সিনে দেখা গিয়েছিল। শুভশ্রীর সাজ, গায়ের শাড়ি, গলার মালা দেখে অনুমান হচ্ছিল খুব সম্ভবত তিনিই নির্বাচনের প্রতিনিধি সেই ছবিতে। দেশু সাতের একটি আইটেম গানে থাকছেন ইধিকা পাল।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


