Dev-Mamata-Abhishek: ‘মানুষ দিদিকে বোকা বানাতে পারে, অভিষেক…’! মমতা-ভাইপোকে নিয়ে কী বলেছিলেন দেব?
অভিনেতা দেবের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও এই মুহূর্তে উঠছে একাধিক প্রশ্ন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেবের বৈঠকের পর জল্পনা আরও তুঙ্গে উঠেছে। আর এরই মাঝে ভাইরাল দেবের বছরখানেক আগের একটি সাক্ষাৎকার।
পশ্চিমবঙ্গের মসনদে বিজেপি আসীন হওয়ার মাস গড়াতে না গড়াতেই ভেঙে চুড়মার তৃণমূল কংগ্রেস। তারকা থেকে হেভি ওয়েট তৃণমূল নেতা-নেত্রীরা সঙ্গ ছাড়ছেন মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এমনকী, অভিনেতা দেবের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও এই মুহূর্তে উঠছে একাধিক প্রশ্ন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেবের বৈঠকের পর জল্পনা আরও তুঙ্গে উঠেছে। আর এরই মাঝে ভাইরাল দেবের বছরখানেক আগের একটি সাক্ষাৎকার।

বছর দুই আগে লোকসভা ভোটের আগে আনন্দবাজারের সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে মমতা ও অভিষেকের মধ্যে কী ফারাক তা নিয়ে অকপটে কথা বলেছিলেন বড় পর্দার ‘রঘু ডাকাত’। সেই বছর লোকসভা ভোটের আগে রাজনীতি ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন অভিনেতা। পরবর্তীতে ‘ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান’ নিয়ে পিসি-ভাইপোর আশ্বাসবাণী শুনে ফের লোকসভার প্রার্থী হয়েছিলেন। বলা বাহুল্য, বিপুল ভোটে জিতেওছিলেন তিনি।
সেই সাক্ষাৎকারে দেব বলেন, ‘অভিষেক ইন্টালিজেন্ট। অভিষেক ফোকাসড। অভিষেক যেভাবে দলটা চালাতে চায়, এবং দলটা যেভাবে চলে এসছে, সেটার আকাশ-পাতাল তফাত। আমার ফেরার পিছনে অভিষেকের কথাগুলো খুব কাজ করেছিল। ওর কথা বিশ্বাসযোগ্য লেগেছিল। তবে আমার যেটা মনে হয়, মানুষকে ছোঁয়ার সুযোগ দিতে হবে অভিষেককে। জননেতা হতে গেলে এটা খুব দরকার, যেন ওকে ছুঁতে পারে মানুষজন। কারণ দিদির পর তো ওঁ-ই! আদারওয়াইজ হি ইজ ফ্ললেস।’
এরপর মমতা ও অভিষেকের ফারাক বুঝিয়ে বলেন, ‘অভিষেকের সঙ্গে আমি ঝগড়া করত পারব না। দিদির সঙ্গে পারব।’ স্বভাবতই এরপর প্রশ্ন আসে, অভিষেক কি খুব বসি (BOSSY)? তাতে দেবের জবাব ছিল, ‘না, তবে ও তোমার চালাকি ধরে নেবে।’ চালাকি ধরতে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা পারতেন না? এতে দেব জবাব দিয়েছিলেন, ‘মাঝে মাঝে তো দেখতেই পাই, মানুষ দিদিকে খুব সহজেই বোকা বানাতে পারে।’
ইতিমধ্যেই দেব নস্যাৎ করে দিয়েছেন দল বদলের! এমনকী, নতুন তৃণমূলেও যে তিনি যাচ্ছেন না, তা নিশ্চিত করেছেন। বলেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতদিন রয়েছেন, ওঁর জন্য আমার ভালবাসা চিরকাল রয়েছে। অনেকে বলছেন, আমি নতুন তৃণমূলে যাচ্ছি। না আমি যাচ্ছি না।' সঙ্গে শুভেন্দুর সঙ্গে সাক্ষাতের কারণ নিয়ে বলেন, ‘২০১৪ থেকে ২০২৬, আমি এমন কোনও কাজ করিনি যাতে মানুষের মনে হয় যে, আমায় ভোট দিয়ে কেউ ভুল করেছেন। আমি মানুষের হকের জন্য লড়াই করেছি। আজও তাই করছি। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ওঁদের আগামী বাজেটে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের জন্য টাকা বরাদ্দ করা হবে।’
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


