Dhamal 4 Day 3: তিন দিনেই ১০০ কোটির কাছাকাছি পৌঁছে গেল ধামাল ৪! বক্স অফিসে ঝড়, রবিবারের আয় কত?
Dhamaal 4 Box Office Collection Day 3: মাত্র তিন দিনে ধামাল-4 এর আয়ের গ্রাফ ১০০ কোটির কাছাকাছি পৌঁছেছে। মুক্তির পর থেকে প্রতিদিনই বাড়ছে ছবিটির আয়।
অজয় দেবগন, আরশাদ ওয়ারসির মতো তারকাদের নিয়ে তৈরি 'ধামাল ৪' মুক্তির সঙ্গে সঙ্গে বক্স অফিসে বুলেটের গতিতে এগিয়ে চলেছে। আইএমডিবিতে ছবিটির টিং এসেছে ৭.৭। আয়ের গ্রাফও ক্রমাগত বাড়ছে। ইন্দ্র কুমার পরিচালিত সুপারহিট কমেডি মুভি ফ্র্যাঞ্চাইজিতে আরও অভিনয় করেছেন অজয় দেবগন, অঞ্জলি আনন্দ, রীতেশ দেশমুখ, সঞ্জিদা শেখ, এষা গুপ্তা, রবি কিষাণ, সঞ্জয় মিশ্র এবং জাভেদ জাফরি। ছবিটির আয়ের কথা বললে, বিশ্বব্যপী এটি এখন পর্যন্ত ৯২ কোটির বেশি আয় করেছে।

গত শুক্রবার মুক্তি পাওয়া এই সিনেমাটির প্রায় ১০,০০০ শো সারা দেশে চলছিল, তবে দর্শক চাহিদার কথা মাথায় রেখে পড়ে তা আরও বাড়ানো হয়। এখন ১১ হাজারেরও বেশি শো চলছে। আর ‘ধামাল ৪’-এর আয়ের পরিসংখ্যানের কথা মাথায় রাখলে স্যাকনিল্কের এক প্রতিবেদন অনুসারে রবিবার এটি আয় করেছে ২৮ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা।
ধামাল ৪ শুক্রবার খাতা খুলেছিল ১৪ কোটি টাকা দিয়ে। এরপর দ্বিতীয় দিনে সোমবার ছবির আয় হয়েছিল ২২.৫০ কোটি টাকা। আর ৩ দিনে ভারতীয় বাজারে ধামাল ৪-এর আয় হল
প্রায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত, এই কমেডি সিনেমার মোট দেশীয় সংগ্রহ এখন পর্যন্ত প্রায় ৭৮ কোটি টাকা। মুক্তির পর থেকে ছবিটি বিদেশ থেকে প্রায় ১৪ কোটি টাকা আয় করেছে। এইভাবে, সিনেমাটির বিশ্বব্যাপী মোট সংগ্রহ প্রায় ৯২ কোটি টাকা হয়েছে। আর আশা রাখা হচ্ছে ১ সপ্তাহের পর এই আয় ২০০ কোটির ঘর ছোঁবে।
জানা গিয়েছে যে শনিবারের তুলনায় রবিবার সিনেমাটির আয় ২৬.৭% বেড়েছে। পরিসংখ্যান দেখায় যে ছবিটি সন্ধ্যার শোতে সবচেয়ে বেশি আয় করছে। দিল্লি এনসিআরের পর সবচেয়ে বেশি শো হচ্ছে মুম্বই, আহমেদাবাদ, সুরাট ও পুনেতে।
২০০৭ সালে মুক্তি পেয়েছিল ধামাল আর এই সিনেমার আয় ছিল ৫০ কোটি টাকা। এরপরের পার্টটি, ডবল ধামাল মুক্তি পায় ২০১১ সালে, যার বক্স অফিস কালেকশন ছিল ভারতে ৪৫ কোটি টাকা। তৃতীয় পার্টটি বক্স অফিসে একেধিক রেকর্ড ভাঙে, আয় হয় ২২৭ কোটি টাকা।
ধামাল ৪ সিনেমার মূল গল্পটিও আবর্তিত হয়েছে গুপ্তধনের সন্ধান এবং তা পাওয়ার জন্য একদল লোভী ও অদ্ভুত চরিত্রের মধ্যে পাগলাটে প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে। সবাই যখন কখনো একসঙ্গে আবার কখনো আলাদা-আলাদাভাবে সেই গুপ্তধনের দিকে এগোতে থাকে, তখন গল্পে প্রবেশ করে এক ধূর্ত ও আনাড়ি সামুদ্রিক জলদস্যু অধুরা। এরপর শুরু হয় এক রহস্যময় দ্বীপ, ঘন জঙ্গল ও গোপন গুহার ভেতরে বিপজ্জনক, এবং হাস্যকর এক বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


