Dona Bhowmik: ‘সবার কপালে জোটে না…’, শাশুড়ির সামনে শর্ট ড্রেস পরায় ট্রোল, সপাটে জবাব ডোনার!

Dona Bhowmik: হাঁটুর উপরে পোশাক পরে শাশুড়ির সঙ্গে পোজ। নীতি পুলিশরা তেড়ে আসতেই যোগ্য জবাব দিলেন টলি নায়িকা। 

Published on: Aug 1, 2026, 20:08:49 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

টুম্পা অটোওয়ালি কিংবা ডায়মন্ড দিদি জিন্দাবাদ— ছোটপর্দার মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করে ইতিমধ্যেই বাঙালির ড্রয়িংরুমে বেশ জনপ্রিয় মুখ অভিনেত্রী ডোনা ভৌমিক। নিজের মিষ্টি হাসি আর অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও কোনোদিন লুকোছাপা করেননি ডোনা। কিন্তু ট্রোলিং পিছু ছাড়েনি তাঁর।

‘শ্বশুর-শাশুড়ির সামনে এ কী পোশাক!’ ট্রোলের মুখে ডায়মন্ড দিদি, সপাট জবাব ডোনার
‘শ্বশুর-শাশুড়ির সামনে এ কী পোশাক!’ ট্রোলের মুখে ডায়মন্ড দিদি, সপাট জবাব ডোনার

সোশাল মিডিয়ায় তারকাদের পোশাক নিয়ে কটাক্ষ এখন নিত্যদিনের ঘটনা। কে কী পরবেন, কার সামনে কীভাবে দাঁড়াবেন— তা নিয়ে নীতিপুলিশি চালাতে ওস্তাদ নেটিজেনদের একাংশ। এবার সেই ট্রোলিংয়ের শিকার হলেন ডোনা ভৌমিক। মনের মানুষ সায়ন্তন মুখোপাধ্যায়, হবু শাশুড়ি ও নিজের মা-বাবার সঙ্গে একটি ছোট পোশাক পরে ছবি পোস্ট করতেই ট্রোলারদের চরম আক্রমণের মুখে পড়তে হয় ওনাকে। তবে চুপ থাকেননি ডোনাও! সোশাল মিডিয়ায় এক দীর্ঘ ও চাঁছাছোলা জবাবে ট্রোলারদের যোগ্য জবাব দিয়েছেন অভিনেত্রী।

ঘটনাটি ঠিক কী?

সম্প্রতি নিজের মা-বাবা, সঙ্গী এবং হবু শাশুড়ির সঙ্গে একটি মিষ্টি পারিবারিক মুহূর্তের ছবি সোশাল মিডিয়ায় ভাগ করে নেন ডোনা। রেস্তোরাঁয় খেতে গিয়েছিলেন সপরিবারে। সেখানে ডোনার পরনে ছিল লাল-সাদা চেকের একটি শর্ট ড্রেস, আর পরিবারের অন্য সদস্যরা ছিলেন ক্যাজুয়াল ও ট্রেডিশনাল পোশাকে। মিডিয়ায় পোস্ট হতেই কমেন্ট বক্সে শুরু হয় নীতিপুলিশি। ‘হবু শাশুড়ি ও পরিবারের সামনে এমন ছোট পোশাক পরতে লজ্জা করল না?’— এই জাতীয় মন্তব্যে ভরে ওঠে ওঁর কমেন্ট সেকশন।

‘আমার কমেন্ট সেকশনই প্রমাণ করে সবার ভাগ্যে এমন পরিবার জোটে না!’

নিজের সোশাল মিডিয়া পোস্টের মাধ্যমে ট্রোলারদের উদ্দেশ্যে নিজের বক্তব্য অত্যন্ত স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন ডোনা ভৌমিক। তিনি লেখেন,'নিজের মা-বাবা হোক কিংবা ওঁর মা—আমি ওনাদের ছোট মেয়ের মতোই। নিজের কমফোর্ট জোনে বা ভালোবাসার মানুষের মাঝে থাকলে আমাকে কোনো নির্দিষ্ট ড্রেস কোড মেনে চলতে হয় না!"

পোশাক ও বিচার না করার মানসিকতা: ‘আমি যেমন ট্রেডিশনাল পোশাক পরি, তেমনই ওয়েস্টার্ন পোশাকও পরি। আমি নিজেকে সত্যিই ভাগ্যবতী মনে করি যে আমার জীবনে এমন মানুষরা রয়েছেন, যাঁরা পোশাক দেখে আমাকে বিচার করেন না।’

ট্রোলারদের খোঁচা দিয়ে নায়িকা লেখেন, ‘তবে সবার ভাগ্যে যে এমন চিন্তাভাবনার পরিবার বা মানুষ জোটে না, আমার এই কমেন্ট সেকশনটাই তার বড় প্রমাণ! আর সবশেষে বলি, ওরে বাবা! আপনারা সত্যিই এক একটা মাস্টারপিস!’

ভালোবাসা ও সমর্থনের জোয়ার

ডোনার এই সপাটে জবাবের পর ওঁর পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন অনেক অনুরাগী ও সচেতন নেটিজেন। নিজস্ব কমফোর্ট জোনে নিজের পছন্দের পোশাক পরা এবং পরিবারের ভালোবাসাকে সম্মান জানানোর এই সাহসী মানসিকতাকে অনেকেই সাধুবাদ জানিয়েছেন। ট্রোলারদের মুখে কুলুপ এঁটে দিয়ে ডোনা স্পষ্ট বুঝিয়ে দিলেন— পোশাক নয়, সম্পর্কের ভিত তৈরি হয় পারস্পরিক ভালোবাসা আর শ্রদ্ধার ওপর!

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More