‘অল্প কয়েকজন বেসামরিক ব্যক্তিই…’! অপারেশন সফেদ সাগরে সত্যিই মিগ ২১ বিমান চালিয়েছ অভয় বর্মা?
সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত নেটফ্লিক্স সিরিজ ‘অপারেশন সফেদ সাগর’ ব্যাপক প্রশংসা পাচ্ছে। এই সিরিজে উইং কমান্ডার আর. এস. ধালিওয়ালের চরিত্রে অভিনয় করা অভয় ভার্মা জানিয়েছেন, কেন এই সিরিজটি তাঁর কাছে বিশেষ। তিনি মিগ-২১ নিয়েও কথা বলেছেন।
নেটফ্লিক্সের সিরিজ 'অপারেশন সফেদ সাগর' বেশ প্রশংসিত হয়েছে। এই সিরিজে অভিনেতা অভয় ভার্মা উইং কমান্ডার আরএস ধালিওয়ালের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। সম্প্রতি তিনি তাঁর চরিত্রটি নিয়ে কথা বলেছেন এবং শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। তিনি বলেন, তিনি সেই অল্প কয়েকজন বেসামরিক ব্যক্তির মধ্যে একজন, যারা মিগ-২১ বিমানে উড়েছেন।

সিরিজটির বেশিরভাগ শুটিং হয়েছে বাস্তব লোকেশনে
'স্ক্রিন'-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে অভয় জানান যে, সিরিজের বেশিরভাগ অংশের শুটিং বাস্তব লোকেশনে করা হয়েছে। তিনি মিগ-২১ নিয়েও কথা বলেন। জানান, সিরিজে যে হেলিকপ্টারগুলো উড়তে দেখানো হয়, সেগুলো আসল হেলিকপ্টার।

মিগ ২১ নিয়ে অভয় কী বললেন?
অভয় ভার্মা বলেন, ‘সব লোকেশনই আসল। আমরা চণ্ডিগড় এয়ার ফোর্স স্টেশন, বিকানের এবং গোয়ালিয়র স্টেশনে শুটিং করেছি। এটা যতটা সম্ভব বাস্তবসম্মত। যে হেলিকপ্টারগুলোতে আমরা উড়িয়েছি, সেগুলোও আসল হেলিকপ্টার ছিল। আমি সত্যি সত্যি একটি মিগ ২১-এ বসেছিলাম। আমি গর্বের সঙ্গে বলতে পারি যে, আমি সেই অল্প কয়েকজন বেসামরিক ব্যক্তি এবং অভিনেতাদের মধ্যে একজন, যারা মিগ ২১-এ বসেছেন। এই অনুভূতি সারাজীবন থেকে যায়।’

মিগ-২১-কে জীবন্ত বোমা হিসেবে বর্ণনা
একই কথোপকথনের সময় তিনি মিগ-২১-কে একটি জীবন্ত বোমা হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, ‘একটি প্রচলিত রসিকতা আছে যে, রুশরা প্রথমে সবকিছু স্থাপন করে এবং তারপর পাইলট কোথায় বসবে তা ঠিক করার জন্য বাকি জায়গাটা ব্যবহার করে। আপনি একটি জীবন্ত বোমা চালাচ্ছেন। আমি এই শো নিয়ে সত্যিই গর্বিত কারণ এটি এতটাই বাস্তবসম্মত মনে হয়। আমরা বিমানগুলোর উড়ানের এবং অবতরণের আসল শট নিয়েছি। আমরা এমনকী বিমান চালানোর প্রশিক্ষণও নিয়েছি। আমাদের কাছে মিগ-২১-এর ককপিটের ভেতরের একটি কার্ডবোর্ডের নকশা ছিল। আমরা কুচকাওয়াজ করে এগিয়ে গিয়েছি এবং আনুষ্ঠানিক প্রোটোকল অনুসরণ করেছি।’
রাজপাল সিং ধালিওয়ালের মেয়ের সঙ্গে কথোপকথন
অভয় ভার্মা জানান উইং কমান্ডার রাজপাল সিং ধালিওয়ালের মেয়ের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের কথাও স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ‘আমি তাঁর মেয়ের সঙ্গে দেখা করেছিলাম, আমাদের মধ্যে কিছুক্ষণ কথা হয়েছিল, যদি তা আরও দীর্ঘ হত, আমরা দুজনেই কাঁদতে শুরু করতাম। এই কথোপকথনটি প্রদর্শনীর ঠিক আগে হয়েছিল, এবং আমি তাকে বলেছিলাম, আমি আশা করি রাজপাল স্যার আমাদের দেখছেন এবং আমাদের নিয়ে গর্বিত। এরপর আমি শৌচাগারে গিয়ে চোখের জল মুছলাম। আমি বলতে পারি যে আমি আমার নায়কের ভূমিকা পালন করেছি।’
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


