Bigg Boss Bangla: 'এত তাড়াতাড়ি চলে যাবো দাদা ভাবতে পারিনি', চোখে জল নিয়েই বিগ বসের ঘর ছাড়ল জয়িতা! ফুঁসছে নেটপাড়া

Bigg Boss Bangla: বিগ বসের ঘর থেকে এবার ছিটকে গেলেন জয়িতা চট্টোপাধ্যায়। অভিনেত্রী-নেটপ্রভাবী'র বাদ পড়া নিয়ে নেটপাড়ায় শোরগোল। সত্যি কি ভুল সিদ্ধান্ত নিল টিম বিগ বস? 

Published on: Sep 14, 2026, 08:00:24 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

রবিবার রাতে বিগ বস বাংলা থেকে দ্বিতীয় এলিমিনেশন। বেরিয়ে গেলেন জয়িতা চট্টোপাধ্যায়। এই প্রথম দর্শকদের ভোটে বাদ পড়লেন কোনও প্রতিযোগী। এর আগে শো থেকে অনিন্দ্য বাদ পড়লেও তা ছিল নির্মাতাদের সিদ্ধান্ত, এই প্রথম অডিয়েন্সের কম ভোট পাওয়া বিগ বসের ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে হল ইনফ্লুয়েন্সর ও অভিনেত্রী জয়িতা চট্টোপাধ্যায়কে।

'এত তাড়াতাড়ি চলে যাবো দাদা ভাবতে পারিনি', চোখে জল জয়িতার! ফুঁসছে নেটপাড়া
'এত তাড়াতাড়ি চলে যাবো দাদা ভাবতে পারিনি', চোখে জল জয়িতার! ফুঁসছে নেটপাড়া

মাত্র ১৫ দিনের মাথায় বিগ বসের ঘর থেকে এভাবে বিদায় নিতে হবে, তা হয়তো নিজেও কল্পনা করতে পারেননি জয়িতা।

সৌরভের সামনে চোখে জল জয়িতার

রোববার এলিমিনেশন রাউন্ডে সঞ্চালক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় যখন সুরক্ষিত প্রতিযোগীদের পাশাপাশি বাদ পড়া সদস্য হিসেবে জয়িতার নাম ঘোষণা করেন, তখন মুহূর্তের জন্য স্তব্ধ হয়ে যায় পুরো ঘর। আবেগ ধরে রাখতে পারেননি জয়িতা।

সৌরভকে উদ্দেশ্যে করে চোখে জল নিয়ে আক্ষেপের সুরে তিনি বলেন, ‘এত তাড়াতাড়ি চলে যাবো দাদা সত্যি ভাবতে পারিনি।’ তবে নিজের ভেঙে পড়া ভাব সামলে নিয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই ঘর ছাড়েন তিনি। বেরোনোর আগে বিগ বসের বোর্ডে লিখে যান, ‘যদি কোনও ভুল করে থাকি, ক্ষমা করে দিও, লাভ ইউ অল।’

সোশ্যাল মিডিয়ায় বিস্ফোরক ‘কর্মফল’ পোস্ট

ঘর থেকে বেরোনোর পরেই জয়িতার অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রাম পেজ থেকে একটি অত্যন্ত ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট শেয়ার করা হয়। সেখানে সরাসরি ‘কর্মফল’ বা কার্মার কথা বলা হয়েছে। পোস্টে লেখা হয়, যাঁরা তাঁর দয়ালু স্বভাবের সুযোগ নিয়েছেন, ঘরের ভেতর অনবরত খারাপ ব্যবহার করেছেন এবং তাঁর সৎ উদ্দেশ্য বুঝতে চাননি—প্রত্যেককেই একদিন না একদিন নিজের কর্মফল ভোগ করতে হবে।

জয়িতাই যে বাদ পড়তে চলেছেন, রবিবার বিকেল গড়াতেই তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। শনিবারের এপিসোডে দীপেন্দু সেফ জোনে চলে যাওয়ার পর বটম থ্রি-তে ছিলেন অ্যালেক্স, দুর্নিবার এবং জয়িতা। নতুন প্রোমোয় অ্যালেক্সকে দেখে দর্শক বুঝেই গিয়েছিল এলিমিনেশনের কোপ পড়বে জয়িতার উপরই।

ফুঁসছে নেটপাড়া: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ

জয়িতার এই আকস্মিক বিদায়ে সোশাল মিডিয়ায় চরম ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন তাঁর অনুরাগী ও সাধারণ দর্শকরা। নেটিজেনদের একাংশের মতে—

অন্যায্য সিদ্ধান্ত: ঘরে থাকা একাধিক নিষ্ক্রিয় প্রতিযোগীদের বাঁচিয়ে রেখে জয়িতাকে এভাবে বলির পাঁঠা বানানো ঠিক হয়নি।

কনটেন্ট দেওয়া সত্ত্বেও বিদায়: মাত্র দু’সপ্তাহের মধ্যে নানা বিতর্ক, সহ-প্রতিযোগী দুর্নিবার সাহা কিংবা সায়ক চক্রবর্তীর সাথে সোজাসাপ্টা বাদানুবাদ এবং খেলায় নিজস্ব জায়গা তৈরি করা সত্ত্বেও জয়িতাকে বাদ দেওয়াটা পক্ষপাতিত্বমূলক। পাশাপাশি রাজবীর আসবার পর থেকে জয়িতা-রাজবীরের রোম্যান্টিক অ্য়াঙ্গেল এবং সেখানে নন্দিনীর এন্ট্রি, এই ত্রিকোণ কাহিনি বা ‘বিগ বসের ঘরে কনে দেখা আলো’ চুটিয়ে এনজয় করছিল দর্শক। সবই মাটি হয়ে গেল জয়িতার এলিমিনেশনের জেরে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে চর্চা—তবে কি বিগ বসের ঘরের ভেতরের সমীকরণ ও ভোটের খেলায় জয়িতা ‘ভিকটিম’ হলেন? অন্যদিকে জয়িতার বিদায়ের পাশাপাশি এই সপ্তাহে নতুন ওয়াইল্ড কার্ড প্রতিযোগী হিসাবে জীতু কমল, যার ফলে খেলার সমীকরণ বেশ বদলাবে।

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More