পুলিশের ‘না’, তবু বেপরোয়া দিলজিৎ দোসাঞ্জ! অনুমতি নেই, তবুও প্রচার চালাচ্ছেন দিল্লি কনসার্টের

৩০ অক্টোবর দিল্লির জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে দিলজিৎ দোসাঞ্জের কনসার্ট হওয়ার কথা। নিরাপত্তার কারণে অনুষ্ঠানের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ বলে খবর। এর মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘আর মাত্র ৭ দিন’ লিখে শোয়ের প্রচার করেছেন গায়ক। তা হলে কি নির্ধারিত দিনেই হবে অনুষ্ঠান?

Published on: Oct 23, 2026, 15:30:58 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

দিল্লিতে দিলজিৎ দোসাঞ্জের কনসার্ট আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। আগামী ৩০ অক্টোবর জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে তাঁর অনুষ্ঠান হওয়ার কথা থাকলেও নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে দিল্লি পুলিশ অনুমতি দেয়নি বলে খবর। তবে পুলিশের আপত্তির খবর সামনে আসার পরেও কনসার্টের প্রচার বন্ধ করেননি গায়ক। বরং নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে অনুষ্ঠানের একটি প্রচারমূলক রিল শেয়ার করে লিখেছেন, ‘আর মাত্র ৭ দিন বাকি’। তাঁর এই পোস্ট ঘিরেই নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

দিলজিৎ দোসাঞ্জ।
দিলজিৎ দোসাঞ্জ।

দিলজিতের টিমের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকেও অনুষ্ঠানের প্রচার করা হয়েছে। সেখানে পঞ্জাবিতে লেখা হয়েছে, ‘খাসা জোর লাগজু মিটাউন ওয়াস্তে, ৩০ অক্টোবর দিল্লি’। অর্থাৎ, নির্ধারিত দিনে দিল্লিতে অনুষ্ঠান আয়োজনের বার্তাই দেওয়া হয়েছে। কিন্তু পুলিশের অনুমতি সংক্রান্ত জটিলতার মধ্যে শেষ পর্যন্ত কনসার্ট হবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।

এই অনুষ্ঠান দিয়েই দিলজিৎ দোসাঞ্জের ‘অরা ট্যুর’-এর ভারতীয় পর্ব শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নিরাপত্তা সংক্রান্ত আপত্তির জেরে সেই পরিকল্পনা এখন অনিশ্চয়তার মুখে। একদিকে গায়কের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে অনুষ্ঠানের কাউন্টডাউন চলছে, অন্যদিকে পুলিশের সিদ্ধান্ত নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়। ফলে অনুরাগীদের মধ্যেও বিভ্রান্তি বাড়ছে।

দিলজিতের ইনস্টাগ্রাম স্টোরি।
দিলজিতের ইনস্টাগ্রাম স্টোরি।

কেন অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ?

প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ দিল্লির ডেপুটি কমিশনার অব পুলিশের দফতর থেকে টিকিট বিক্রির প্ল্যাটফর্ম বুকমাইশোকে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছিল। সেখানে কনসার্ট আয়োজনের অনুমতি না দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। উৎসবের মরশুমে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এবং প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত ব্যবস্থার বিষয়টিও এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে যুক্ত বলে খবর।

তবে পুলিশের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য আয়োজকেরা আবেদন করেছেন কি না, কিংবা বিকল্প কোনও ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা চলছে কি না, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। আয়োজকদের তরফে পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কেও বিস্তারিত ঘোষণা করা হয়নি।

টিকিট কাটা অনুরাগীদের কী হবে?

দিলজিতের অনুষ্ঠান দেখার জন্য ইতিমধ্যেই টিকিট কিনেছেন বহু অনুরাগী। তাঁদের কাছে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, ৩০ অক্টোবর কনসার্ট হবে, নাকি তা পিছিয়ে দেওয়া হবে কিংবা অন্য কোনও জায়গায় আয়োজন করা হবে। অনুষ্ঠান না হলে টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়ার নিয়ম কী হবে, তা নিয়েও স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ রয়েছে।

এই মুহূর্তে কনসার্ট বাতিল, স্থগিত বা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত কোনও ঘোষণা সামনে আসেনি। তাই আয়োজকদের আনুষ্ঠানিক বিবৃতির অপেক্ষা করতে হবে অনুরাগীদের। দিলজিৎ দোসাঞ্জের প্রচারমূলক পোস্ট থেকে অনুষ্ঠান নিশ্চিত বলে ধরে নেওয়া যাচ্ছে না।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More