'আমাকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখুন'— যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ নিয়ে মুখ খুললেন দিলজিৎ
ইনস্টাগ্রাম লাইভে ভক্তদের সঙ্গে আড্ডার সময় যন্তর মন্তরে চলা সিজেপি-র বিক্ষোভ নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন দিলজিৎ দোসাঞ্জ। তবে সেই বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকার করে তিনি স্পষ্ট জানান, তিনি রাজনীতিবিদ নন, একজন শিল্পী। তাই তাঁকে রাজনৈতিক বিতর্ক থেকে দূরে রাখারই অনুরোধ করেছেন অভিনেতা-গায়ক।
সম্প্রতি একটি ইনস্টাগ্রাম লাইভ সেশনে ভক্তদের সঙ্গে সরাসরি আলাপচারিতায় অংশ নেন গায়ক-অভিনেতা দিলজিৎ দোসাঞ্জ। লাইভ চলাকালীন ভক্তরা তাঁকে ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে পেশাগত নানা বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করেন। এরই মধ্যে একজন ভক্ত যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র নেতৃত্বে চলা বিক্ষোভ নিয়ে তাঁর মতামত জানতে চান। প্রশ্নটি শুনে দিলজিৎ প্রথমে বেশ অবাক হন। তারপর বলেন, তিনি এই বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন। কারণ, গত কয়েক মাস ধরে তিনি তাঁর 'অরা ট্যুর ২০২৬' নিয়ে ব্যস্ত থাকায় এই ঘটনার দিকে নজর দেওয়ার সুযোগ পাননি।

'আমাকে প্রতিবাদ আর রাজনীতি থেকে দূরে রাখুন'
যন্তর মন্তরের বিক্ষোভ প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে দিলজিৎ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তিনি কোনও রাজনৈতিক মন্তব্য করতে চান না। বলেন, একজন শিল্পী হিসেবে তিনি তাঁর কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকতে চান। রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে মন্তব্য করা তাঁর কাজ নয় এবং তিনি চান না, এই ধরনের বিতর্কে তাঁর নাম জড়িয়ে পড়ুক।
দিলজিতের কথায়, ‘ভাই, আমাকে প্রতিবাদ আর এই ধরনের বিষয় থেকে দূরে রাখুন। আমি একজন শিল্পী। আমি রাজনীতিবিদ নই।’
'পৃথিবীতে সবকিছু কখনওই নিখুঁত হতে পারে না'
লাইভে কথা বলতে গিয়ে দিলজিৎ আরও বলেন, পৃথিবীতে সবকিছু কখনওই সম্পূর্ণ নিখুঁত বা সঠিক হতে পারে না। তাঁর কথায়, ‘এই পৃথিবীতে সবকিছু কখনওই ঠিক হতে পারে না।’
এরপর তিনি গুরু গ্রন্থ সাহিবের একটি শ্লোক উদ্ধৃত করেন— ‘নানক দুঃখিয়া সব সংসার, সো সুখিয়া জিস নাম আধার।’
দিলজিৎ বলেন, বিভিন্ন বিষয়েই প্রায়শই তাঁর নাম টেনে আনা হয়। কিন্তু তিনি মনে করেন, সব বিষয়ে মন্তব্য করা তাঁর দায়িত্ব নয়। এই ঘটনায় জড়িত উভয় পক্ষের মঙ্গল কামনা করে তিনি বলেন, যেহেতু বিষয়টি সম্পর্কে তাঁর পূর্ণ ধারণা নেই, তাই এ নিয়ে আর কিছু বলা তাঁর পক্ষে ঠিক হবে না।
কাজ নিয়ে ব্যস্ত দিলজিৎ
কাজের ক্ষেত্রে দিলজিৎ দোসাঞ্জকে শেষবার দেখা গিয়েছিল ইমতিয়াজ আলি পরিচালিত 'ম্যায় ওয়াপাস আউঙ্গা' ছবিতে। ভারত-পাকিস্তান বিভাজনের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই পিরিয়ড ড্রামায় তাঁর সঙ্গে অভিনয় করেছেন নাসিরুদ্দিন শাহ, শর্বরী ওয়াঘ এবং বেদাঙ্গ রায়না। মুক্তির পর ছবিটি ২০২৬ সালের অন্যতম আলোচিত ও সফল ছবিতে পরিণত হয়েছে। সমালোচক এবং দর্শক—দুই মহল থেকেই ছবিটি ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছে এবং মুখে মুখে প্রচারের জেরে বক্স অফিসেও ধারাবাহিক সাফল্য অর্জন করেছে।
সঙ্গে দিলজিৎ তাঁর 'অরা ট্যুর ২০২৬' নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনুষ্ঠান করছেন। ব্যস্ত কনসার্ট সূচির মধ্যেও তিনি ভক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং বিভিন্ন শহরে পারফর্ম করে চলেছেন।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


