Diljit Dosanjh: মঞ্চে দাঁড়িয়ে নিজেকে ‘মৃত’ বলে দাবী করলেন দিলজিৎ! উদ্বেগে ভক্তমহল
Diljit Dosanjh: দিলজিৎ দোসাঞ্জের একটি স্বীকারোক্তি তাঁর ভক্তদের চিন্তায় ফেলেছে। একটি কনসার্টের মাঝে তিনি বলেন যে ডিসেম্বরে তিনি এই শরীর ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু এখনও কিছু কাজ বাকি আছে।
Diljit Dosanjh: দিলজিৎ দোসাঞ্জের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে যা তাঁর ভক্তদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। এটি ক্যালিফোর্নিয়ার ৩০ এপ্রিলের একটি কনসার্টের ঘটনা। এই দিন অনুষ্ঠান চলাকালীন দিলজিৎ তাঁর শো মাঝপথে থামিয়ে বলেন যে তিনি মৃত্যুকে ভয় পান না, ডিসেম্বরেই তিনি এই শরীর ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। দিলজিতের এই বক্তব্যে তাঁর মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

'শরীর ছেড়েছি আগেই' দিলজিৎ দোসাঞ্জের এই ভিডিওটি রেডিটে পোস্ট করা হয়েছে। সাথে ক্যাপশন দেওয়া হয়েছে, 'দিলজিতের মতে, ডিসেম্বরে তিনি এই শরীর ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।' এই ভিডিওতে কনসার্টের মাঝে দিলজিৎ দর্শকদের সাথে কথা বলতে দেখা যাচ্ছে। তিনি পাঞ্জাবিতে বলছেন, ‘আমি এই দুনিয়া আগেই ছেড়ে দিয়েছি। আমার মৃত্যুর ভয় নেই। গত ডিসেম্বরে আমি এই শরীর থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু এই শরীর ছাড়ার আগে আমার আরও কিছু কাজ করতে হবে। এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমি এই দুনিয়া আগেই ছেড়ে দিয়েছি, এটা সত্যি। আমি স্টেজে দাঁড়িয়ে আছি এবং ইনিই আমার ভগবান।’
কারও প্রতি ক্ষোভ নেই
দিলজিৎ পাঞ্জাবের সাথে তাঁর সংযোগের কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, 'আমার মৃত্যুর ভয় নেই এবং কারও প্রতি আমার কোনও ক্ষোভ নেই। আমি সবাইকে ভালোবাসি। ভালোবাসা, সম্মান, ক্ষমা - আমি আমার জীবনে যতটা সম্ভব এই সব আনার চেষ্টা করছি। যারা এখনও আমার সাথে আছে, এ সব পাঞ্জাবের নামে। আমিই পাঞ্জাব।
উল্লেখ্য, এই শো-তে কিছু লোক দিলজিতের বিরোধিতা করেছিল। লোকেদের অভিযোগ ছিল যে তিনি জিমি ফ্যালনের শো-তে গিয়েছিলেন কিন্তু পাঞ্জাবে বন্যা হয়েছিল তখন সেখানে যাননি। এর পরেই দিলজিৎ শো থামিয়ে দর্শকদের উদ্দেশ্যে কথা বলেন।
ভক্তদের মধ্যে ভয় ও উদ্বেগ ক্লিপটিতে অনেক মন্তব্য দেখা যাচ্ছে। একজন লিখেছেন, 'আমরা জানি না কী হয়েছিল কিন্তু তিনি মানসিকভাবে লড়াই করছেন।' অন্য একজন এর উত্তরে লিখেছেন যে তিনি আধ্যাত্মিকভাবে বলছেন। যারা আধ্যাত্মিকভাবে জাগ্রত হন তারা এমনটাই অনুভব করেন। আর একজন লিখেছেন, 'খ্যাতি মানসিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে।' ক্লিপটিতে কেউ প্রশ্ন তুলেছেন যে সেই সময় তাঁর আশেপাশে কী হচ্ছিল তা কেউ জানে কি না। একজন লিখেছেন, 'আশা করি তিনি ঠিক আছেন।' একটি মন্তব্য হল, 'এটা খুব গুরুতর মনে হচ্ছে, এর মানে কী?' অন্য একজন লিখেছেন যে এরা কেন বিরতি নেয় না বা অবসর নেয় না।
E-Paper

