Jhilam Gupta: মনের মানুষের হাত ধরে হাসপাতালের বেডে ঝিলম, খোঁজ নিতে হাজির দীপেন্দু! বিগ বস থেকে আর কে এল?

বিগ বসের সফর শেষ, তবে তাঁদের বন্ধুত্বের সফরের এটাই শুরু। অসুস্থ ঝিলমকে দেখতে হাসপাতালে হাজির সোহিনী, দীপেন্দুরা। 

Published on: Nov 1, 2026, 20:06:18 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

পিত্তথলিতে সংক্রমণ ও বিশালাকৃতির পাথরের অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর বর্তমানে সুস্থতার পথে প্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ‘বিগ বস বাংলা’ প্রতিযোগী ঝিলম গুপ্ত। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গত বুধবার তাঁর গলব্লাডার-স্টোনের সফল অস্ত্রোপচারের খবর মিলতেই সহ-প্রতিযোগী-বন্ধুরা তাঁকে দেখতে হাসপাতালে উপস্থিত হন।

মনের মানুষের হাত ধরে হাসপাতালের বেডে ঝিলম, খোঁজ নিতে হাজির দীপেন্দু! বিগ বস থেকে আর কে এল?
মনের মানুষের হাত ধরে হাসপাতালের বেডে ঝিলম, খোঁজ নিতে হাজির দীপেন্দু! বিগ বস থেকে আর কে এল?

হাসপাতালের কেবিন থেকে ঝিলমকে কেন্দ্র করে তোলা বেশকিছু ছবি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেছেন সাবেক ফুটবলার দীপেন্দু বিশ্বাস এবং অভিনেত্রী সোহিনী পাল।

‘ঈশ্বরের কাছে দ্রুত আরোগ্য কামনা’: দীপেন্দু বিশ্বাসের পোস্ট

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ঝিলমের বেডের পাশে দাঁড়িয়ে আবেগঘন এক বার্তা দেন দীপেন্দু বিশ্বাস। ছবিতে দেখা যায়, বেডে শুয়ে থাকা হাসিমুখের ঝিলমের হাত ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন তাঁর বিশেষ বান্ধবী পৌলমী। পাশে গিয়ে উপস্থিত হয়েছেন দীপেন্দু বিশ্বাস, অভিনেত্রী সোহিনী পাল। যন্ত্রণার জেরে কাহিল ঝিলম, তবে কাছের মানুষদের পাশে পেয়ে মুখ খানিক স্বস্তির হাসি।

সামাজিক মাধ্যমে ছবিটি পোস্ট করে দীপেন্দু লেখেন, ‘আমাদের সকলের স্নেহের ঝিলামের সফল অপারেশন হওয়ার পর তাকে দেখতে কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। ঈশ্বরের কাছে ঝিলামের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি।’

‘সিজনের সবচেয়ে বড় এলিমিনেশন!’ সোহিনী পালের মজাদার মন্তব্য

অন্যদিকে, ‘বিগ বস বাংলা’-র স্টাইলে পুরো ঘটনাটিকে এক রসময় ও মজাদার কোণ থেকে ব্যাখ্যা করেছেন সহ-প্রতিযোগী সোহিনী পাল। হাসপাতালে ঝিলমের সঙ্গে দাঁড়িয়ে হাসিমুখে তোলা ছবি শেয়ার করে সোহিনী লেখেন, বিগ বসের ঘর থেকে এলিমিনেশন হলেও এই সিজনের সবচেয়ে বড় এলিমিনেশন ছিল ঝিলমের পেটের সেই পিত্তথলির পাথরটি, যা অনাহূত অতিথি হিসেবে এতদিন ধরে ঝিলমকে যন্ত্রণা দিচ্ছিল! ছবিতে দেখা মিলেছে আলেকজান্দ্রা টেলরেরও।

আরও পড়ুন-‘বিছানায় শুয়ে হিসু করার পরিস্থিতি…লজ্জা নেই আমার জন্য তারা বেডপ্যান ধরেছেন’, আয়া মাসিদের নিয়ে আবেগঘন ঝিলম

দ্রুত আরোগ্যের পথে ঝিলম:

জটিল ও দীর্ঘ দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা এই অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হওয়ার পর ঝিলম এখন অনেকটাই স্বস্তিতে রয়েছেন। বন্ধুদের এভাবে পাশে পাওয়া এবং সোশাল মিডিয়ায় প্রিয়জন ও ভক্তদের ক্রমাগত প্রার্থনায় দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছেন তিনি।

এদিন নিজেও ফেসবুকে একটি আবেগঘন পোস্ট করেন ঝিলম। সেখানে তিনি জানান, তাঁর কেসটি বেশ ঝুঁকিপূর্ণ বা ক্রিটিক্যাল হয়ে উঠেছিল। যে অপারেশন আধ ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টার মধ্যে শেষ হয়ে যাওয়ার কথা, সেখানে তাঁর ক্ষেত্রে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় লেগেছে। স্বাভাবিকভাবেই অপারেশনের পর পেটের ব্যথা ও শারীরিক কষ্ট অন্যান্য রোগীদের চেয়ে একটু বেশি হওয়াটাই ছিল স্বাভাবিক।

এছাড়া আয়া মাসিদের উদ্দেশ্য শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা জানান বিগ বস প্রতিযোগী। ঝিলম লেখেন- 'আমি জীবনে বহুবার অসুস্থ হয়েছি, কিন্তু বিছানায় শুয়ে হিসু করার পরিস্থিতি কখনও তৈরি হয়নি। তবে এবারে হয়েছে। বলতে লজ্জা নেই, শ্রদ্ধায় অবনত হতে বাধা নেই এই দুটি মানুষের কাছে, আমার জন্য তারা বেডপ্যান ধরেছেন। আমাকে পরিষ্কার থাকতে সাহায্য করেছেন।'

লজ্জা ভুলে ও পরম শ্রদ্ধায় মাথা নত করে ঝিলম স্বীকার করেছেন— ওই দুজন মানুষ হাসিমুখে তাঁর বেডপ্যান ধরেছেন এবং তাঁকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে সাহায্য করেছেন।

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More