Sunny Deol: ধর্মেন্দ্র-পুত্রর ভালো নাম মোটেও সানি নয়, অজয় সিং দেওল নাম বদলানোর কারণ কী ছিল?

সানি দেওল শুধু অ্যাকশন হিরো নন, ভারতীয় সিনেমার একজন শিল্পী যিনি বছরের পর বছর ধরে দর্শকদের হৃদয়ে রাজত্ব করেছেন। অভিনেতার 'ঘায়াল' থেকে 'গদর ২' পর্যন্ত যে যাত্রা, তা তাঁর কঠোর পরিশ্রম এবং কখনও শেষ না হওয়া স্টারডমের একটি জীবন্ত উদাহরণ।

Published on: May 29, 2026, 15:37:38 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বলিউড সিনেমায় একসময় দাঁপিয়ে কাজ করেছেন সানি দেওল। মাঝে বেশ কয়েকবছর যদিও সেভাবে কোনো সিনেমা ছিল না ধর্মেন্দ্র-পুত্রর ঝুলিতে। ২০২৩ সালে সানি দেওলের কেরিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দেয় 'গদর ২' ছবিটি। ছবিটি তাঁর পুরো ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ উপার্জনকারী সিনেমা হিসাবে প্রমাণিত হয়েছিল এবং বক্স অফিসে অনেক রেকর্ড ভেঙে দিয়েছিল। তবে আপনি কি জানেন যে, ‘বর্ডার ২’ অভিনেতার ভালো নাম মোটেও সানি নয়।

অজয় সিং দেওল নাম বদলে কেন সানি নাম ব্যবহার করেন ধর্মেন্দ্র।
অজয় সিং দেওল নাম বদলে কেন সানি নাম ব্যবহার করেন ধর্মেন্দ্র।

সানি দেওলের আসল নাম অজয় সিং দেওল। স্কুলে পড়ার সময়, তাঁকে আদর করে ‘সানি’ বলে ডাকা হত, যা পরে তাঁর পর্দার নাম হয়ে ওঠে এবং আজ গোটা বিশ্ব তাঁকে এই নামেই চেনে। 'দেশি' ও 'মাচো' ইমেজ থাকা সত্ত্বেও অভিনয়ের খুঁটিনাটি বিষয় শিখতে বিদেশে গিয়েছিলেন সানি। তিনি ইংল্যান্ডের বার্মিংহামের 'ওল্ড ওয়ার্ল্ড থিয়েটার' থেকে অভিনয়ের পেশাদার প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন।

সানি দেওলের অভিনয় কেবল ভক্তদের দ্বারাই নয়, সমালোচকদের দ্বারাও স্বীকৃত হয়েছিল। তিনি 'ঘায়াল' (1990) সিনেমার জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে জাতীয় পুরস্কার এবং 'দামিনী' (1993) এর জন্য সেরা পার্শ্ব অভিনেতা পেয়েছিলেন।

'দামিনী' ছবিতে আইনজীবী গোবিন্দের চরিত্রে তিনি শুধুমাত্র একটি কেমিও (ছোট চরিত্র) করেছিলেন। তবে তাঁর দুর্দান্ত অভিনয় এবং শক্তিশালী সংলাপের কারণে নির্মাতারা এটিকে ছবির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ করে তুলেছিলেন। সানি দেওলের পেশীবহুল শরীরের পিছনে রয়েছে হলিউড তারকা সিলভেস্টার স্ট্যালোনের অনুপ্রেরণা। মজার ব্যাপার হল, সানি নিজেই স্ট্যালোনের জিমে গিয়ে প্রশিক্ষণ নেন।

'গদর: এক প্রেম কথা' (২০০১) সিনেমার জনপ্রিয়তা এতটাই অসাধারণ ছিল যে দর্শকদের বিশাল চাহিদার কারণে পঞ্জাবের অনেক সিনেমা হলকে সকাল ৬টা থেকে শো চালাতে হয়েছিল। পর্দায় সানি যতই ‘ঢাই কিলো কা হাত’ নিয়ে তর্জন-গর্জন করুন না কেন, বাস্তবে তিনি একদম বিপরীত। খুব শান্ত ও লাজুক মানুষ।

অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালনাতেও হাত পাকিয়েছেন সানি। তিনি পরিচালনা করেছিলেন ‘দিল্লেগি’ (১৯৯৯) এবং তাঁর হিট সিনেমা ‘ঘায়াল ওয়ান্স এগেইন’ (২০১৬)-এর সিক্যুয়াল।

সানি দেওল গাড়ি এবং গাড়ি চালানোর খুব পছন্দ করেন। কলেজের দিনগুলিতে, তিনি প্রায়শই স্ট্রিট রেসিংয়ে অংশ নিতেন এবং আজও তিনি বিলাসবহুল গাড়ি চালাতে পছন্দ করেন।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More