লন্ডন ছেড়ে পাকাপাকিভাবে কলকাতায় সানা! চলতি বছরের পুজোয় কী পরিকল্পনা সৌরভ-ডোনার?
পড়ে গিয়েছে ঢাকে কাঠি। গোটা শহর সেজে উঠেছে উৎসবের মেজাজে। এবারের দুর্গাপুজো কীভাবে কাটাবেন সৌরভ-সানা-ডোনা?
দুর্গাপুজো মানেই বাঙালির কাছে সাজো সাজো রব। এই কটাদিন জীবনের সব চিন্তা ভুলে উৎসবে সামিল হওয়া। নতুন জামা, আড্ডা, দেদার খাওয়া-দাওয়া, প্য়ান্ডেল হপিং! তারকা থেকে সাধারণ মানুষ, প্রত্যেকেই মেতে ওঠে উৎসবের আনন্দে।

সম্প্রতি একটি ইভেন্ট শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন নৃত্যশিল্পী ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়। সেখানে ডোনার কাছে জানতে চাওয়া হয় এবারের পুজোয় কী পরিকল্পনা তাঁর। বেশিরভাগ বছরই ডোনার কাটে বিদেশে, নাচের দল দীক্ষামঞ্জরী নিয়ে। তবে এবার থাকছেন কলকাতাতেই।
পুজোর পরিকল্পনা নিয়ে ডোনা জানালেন, ‘এবার আমাদের টাইম স্কোয়ারে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অনেকেরই যেহেতু ভিসা হয়নি, তাই যাচ্ছি না। পুজোর কোনো অনুষ্ঠানও নেই। তাই পুজোয় পুরো খালি আছি। আর এবার সানাও সঙ্গে আছে। আগের বছরও ও কলকাতায় এসেছিল। তবে অনেক বছর পর গোটা পরিবারের সঙ্গে খুব উপভোগ করব।’
ডোনা আরও জানান যে, পুজোয় ঠাকুর দেখতে বেরনোরও পরিকল্পনা রয়েছে। ভিড়ের কারণে খুব একটা প্যান্ডেল হপিং সম্ভব না হলেও, হয়তো হাতে গোনা কয়েকটি পুজো দেখবেন। সঙ্গে বাড়ির পুজো তো আছেই। সব মিলিয়ে দেখতে দেখতে কেটে যাবে ৬টা দিন।
‘আমাদের বাড়িতে তো পুজো হয়। এছাড়া বাড়ির সামনের প্যান্ডেলে পুজো হয়। সৌরভের মামাবাড়িতে পুজো হয়, আমার বাপের বাড়িতে পুজো হয়। অনেক বন্ধুদের বাড়িতে পুজো হয়। সবকিছু মিলিয়ে বেশ ব্যস্ততার মধ্যে দিয়ে কাটে’, বললেন ডোনা। সঙ্গে জানালেন সৌরভও বিগ বস বাংলার শ্যুট সেরে শনিবার অর্থাৎ সপ্তমীর সকালেই চলে আসবেন কলকাতায়। তারপর দশমী অবধি পরিবারের সঙ্গে কাটবে পুজোর মেজাজে।
সৌরভের বেহালার বাড়িতে প্রতি বছরই ঘরোয়াভাবে পুজোর আয়োজন করা হয়। বিগ্রহ ও খুব জাঁকজমক না থাকলেও এই পুজো খ্যাত তার আন্তরিকতা ও নিয়মনিষ্ঠার জন্য। অষ্টমীতে হয় কুমারীপুজো। পুজোর বেশির ভাগ দায়িত্ব সামলান সৌরভের মা, কাকিমা ও গঙ্গোপাধ্যায় বাড়ির বউরা। আসেন পরিবারের আত্মীয়রাও।
সঙ্গে বেহালার বড়িশায় সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বাড়ির গা ঘেঁষে হওয়া বড়িশা প্লেয়ার্স কর্নারের পুজোতেও সামিল হন দাদা সপরিবারে। ১৯৭২ সালে সৌরভের বাবা প্রয়াত চণ্ডী গঙ্গোপাধ্যায়ের হাত ধরে এই পুজোর সূচনা হয়েছিল, যেই বছর সৌরভের জন্ম। পুজোর উদ্বোধন থেকে শুরু করে ঢাক বাজানো, অষ্টমীর অঞ্জলি কিংবা বিসর্জনে ধুনুচি নাচ—প্রতিটি পর্বে স্ত্রী ডোনা গঙ্গোপাধ্যায় ও মেয়ে সানা গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়ে হাজির হন সৌরভ।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


