'এটা বোঝার জন্য মা হওয়া দরকার', দীপিকার ৮ ঘন্টা শিফট প্রসঙ্গে ‘দৃশম ৩’ খ্যাত ইশিতা

২০২৫ সালে স্পিরিট ছবি নিয়ে পরিচালক সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গা এবং দীপিকা পাড়ুকোনের মধ্যে এটি বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। তখন সদ্য মা হয়েছিলেন দীপিকা, তাই তিনি পরিচালককে জানিয়েছিলেন তিনি ৮ ঘণ্টার বেশি কাজ করতে পারবেন না।

Published on: Oct 15, 2026, 15:12:11 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

২০২৫ সালে স্পিরিট ছবি নিয়ে পরিচালক সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গা এবং দীপিকা পাড়ুকোনের মধ্যে এটি বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। তখন সদ্য মা হয়েছিলেন দীপিকা, তাই তিনি পরিচালককে জানিয়েছিলেন তিনি ৮ ঘণ্টার বেশি কাজ করতে পারবেন না। কিন্তু পরিচালক রাজি হয়নি তাই ছবি ছেড়ে বেরিয়ে যেতে হয়েছিল দীপিকাকে। অন্যদিকে ওই একই কারণের জন্য সম্ভবত কল্কি ছবির সিক্যুয়েল থেকেও বাদ পড়েন অভিনেত্রী।

দীপিকার ৮ ঘন্টা শিফট প্রসঙ্গে দৃশম খ্যাত ইশিতা
দীপিকার ৮ ঘন্টা শিফট প্রসঙ্গে দৃশম খ্যাত ইশিতা

দীপিকার এই মন্তব্য ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়া হয়েছিল উত্তাল। অনেকে যেমন অভিনেত্রী এই মন্তব্যকে সমর্থন করেছিলেন অনেকেই আবার বিরূপ বক্তব্য রেখেছিলেন। এবার এই নিয়ে নিজের মতামত জানালেন দৃশ্যম ৩ খ্যাত তারকা ঈশিতা দত্ত। তিনি বলেন, দীপিকার কথা বোঝার জন্য সন্তানের মা হওয়া প্রয়োজন না হলে এই কথা বোঝা যাবে না।

ফ্রি প্রেস জার্নালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইশিতা বলেন, তিনি মনে করেন না যে আট ঘণ্টার শিফট একটি অযৌক্তিক দাবি। তিনি উল্লেখ করেন যে, অনেক পুরুষ অভিনেতা হয় মা নন, অথবা দিনে ১২-১৫ ঘণ্টা কাজ করতেও ইচ্ছুক নন। তিনি বলেন, ‘আমি বলছি, এটা (আট ঘণ্টার শিফট) দেওয়া বা না দেওয়া আপনার ব্যক্তিগত পছন্দ, তাই প্রযোজনা সংস্থা না বলতে পারে। কিন্তু এটাকে বড় করে দেখানো এবং এর সপক্ষে যুক্তি না দেওয়ার চেষ্টা করাটাই হলো আসল সমস্যা। এমন অনেক অভিনেতা আছেন যাদেরকে নেওয়া যায়, যারা ১২-১৫ ঘণ্টা কাজ করতে ইচ্ছুক। কিন্তু এটাকে অযৌক্তিক দাবি বলে আপনি অন্য ব্যক্তিকে ছোট করতে পারেন না।’

দুই সন্তানের মা ইশিতা আরও জানান যে, তিনি নিজেও অতিরিক্ত সময় কাজ করেছেন, কিন্তু নির্মাতারা যথেষ্ট বিবেচনা করে তাঁকে আগেভাগে চলে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছিলেন। তিনি আরও বলেন, ‘এর জন্য কতটা পরিশ্রম করতে হয়, তা বোঝার জন্য একটি সন্তান থাকা প্রয়োজন। যদি দাবি করার সুযোগ থাকত, আমিও হয়তো দাবি করতাম। তবে আমার মনে হয় না আমি এখনও সেই পর্যায়ে পৌঁছেছি।’