ব্রিটিশের বিরুদ্ধে কলমের লড়াই, সৃজিতের সিনেমার ট্রেলারে উঠে এল একটুকরো ভারত
একটা সময় ব্রিটিশের বিরুদ্ধে শুধুমাত্র গায়ের জোরে নয়, কলমের জোরেও লড়াই করেছিল ভারতবাসী। শরৎচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ক্রমাগত নিজেদের লেখার মাধ্যমে সাহস যুগিয়েছিলেন সাধারণ ভারতবাসীর মনে।
একটা সময় ব্রিটিশের বিরুদ্ধে শুধুমাত্র গায়ের জোরে নয়, কলমের জোরেও লড়াই করেছিল ভারতবাসী। শরৎচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ক্রমাগত নিজেদের লেখার মাধ্যমে সাহস যুগিয়েছিলেন সাধারণ ভারতবাসীর মনে। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর শক্তি হয়ে উঠেছিলেন তাঁরা। এবার সেই এক টুকরো ভারতবর্ষের ছবি উঠে এলো এম্পারার ভার্সেস শরৎচন্দ্র ছবির ট্রেলারে।

ট্রেলার প্রসঙ্গে
ট্রেলারের সর্বত্র ছড়িয়ে রয়েছে পরাধীন ভারতের দৃশ্য। একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের উপর অকথ্য অত্যাচার করে চলেছে ব্রিটিশ সরকার তেমন অন্যদিকে নিজের লেখার জোরে ধীরে ধীরে মানুষের মনে সঞ্চার করানোর চেষ্টা করছেন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রবীন্দ্রনাথের মতো সাহিত্যিকরা। এর মধ্যেই শরৎচন্দ্র লিখে ফেলেন পথের দাবী, যার হাত ধরে সৃষ্টি হয় সব্যসাচীর মতো একটি চরিত্র।
আরও পড়ুন: সোহিনী-আলেকজান্দ্রার সঙ্গে রিইউনিয়ন সায়কের, বিগ বস নিয়ে কী কথা হলো তিনজনের?
সব্যসাচী শুধুমাত্র একটি চরিত্র হয়ে থাকে না, পরাধীন ভারতের তরুণ প্রজন্মের মধ্যেও ছড়িয়ে যায় সেই চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। নির্ভয়ে যারা চোখে চোখ রেখে লড়াই করতে পারে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে। খুব স্বাভাবিক ভাবেই এমন তরুণ স্বাধীনতা সংগ্রামীদের দেখে ভয় পেয়ে যায় ব্রিটিশ সরকার। ‘পথের দাবী’কে পুড়িয়ে মানুষের মনে আবার ভয় সঞ্চার করার চেষ্টা করে তারা।
কিন্তু যে সাহস একবার ভারতবাসীর মনে জন্মেছিল, সেই সাহস কি এত তাড়াতাড়ি মুছে ফেলা যায়? তাই পথের দাবী শিক্ষিত বাঙ্গালীদের মনে এমন সাহস জোগালো, যা ভারতকে স্বাধীনতার দিকে একটু হলেও এগিয়ে নিয়েছিল। এই ছবিটি শুধুমাত্র পরাধীন ভারতের গল্প বলবে তা নয়, এই গল্পে দর্শকরা দেখবেন সামনাসামনি লড়াই না করেও কিভাবে ভারতবাসীর পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন সেই সময়ের সাহিত্যিকরা।
আরও পড়ুন: 'এখনও রাতে ঘুমোতে পারি না', কোন ভয় তাড়া করে মিমিকে?
এই ছবিতে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ভূমিকায় দেখা যাবে টোটা রায় চৌধুরীকে। সঙ্গে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অমর সৃষ্টি 'পথের দাবী'র ‘সব্যসাচী’র ভূমিকায় থাকবেন আবির চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে মিমি চক্রবর্তী, দিব্যাণী মণ্ডল ও ঋক চট্টোপাধ্যায়কে।
E-Paper

