ডিভোর্সের পরেও একসঙ্গে দিওয়ালি পার্টিতে এশা-ভরত! প্রাক্তন স্বামীর হাত ধরে পার্টিতে ঢুকতেই বাড়ছে চর্চা

বিচ্ছেদ হয়েছে প্রায় দু’বছর। দু’জনের জীবনেও এসেছে নতুন সমীকরণ। তার মধ্যেই দীপাবলির পার্টিতে একসঙ্গে হাজির এশা দেওল ও তাঁর প্রাক্তন স্বামী ভরত তখতানি। শুধু একসঙ্গে পোজ দেওয়াই নয়, পার্টির ভিতরে ঢোকার সময় ভরতের হাতও ধরলেন এশা। তবে কি ফের কাছাকাছি আসছেন প্রাক্তন দম্পতি?

Published on: Nov 8, 2026, 13:00:19 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

বিচ্ছেদের পরেও কি বন্ধুত্ব অটুট এশা দেওল ও ভরত তখতানির? অন্তত দীপাবলির পার্টিতে তাঁদের একসঙ্গে উপস্থিতি দেখে এমন প্রশ্নই উঠছে। শনিবার মুম্বইয়ের একটি দীপাবলি অনুষ্ঠানে প্রাক্তন স্বামীর সঙ্গে হাজির হন এশা। পাপারাৎজির ক্যামেরার সামনে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে ছবিও তোলেন দু'জনে। এরপর পার্টির ভিতরে যাওয়ার সময় এশার হাত ধরে এগিয়ে যান ভরত। আর এই দৃশ্যই এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

একসঙ্গে এশা ও ভরত। (Instagram Video Grab)
একসঙ্গে এশা ও ভরত। (Instagram Video Grab)

বিচ্ছেদের পরেও একসঙ্গে এশা-ভরত, কী দেখা গেল ভাইরাল ভিডিয়োতে?

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একসঙ্গে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছেছেন এশা ও ভরত। ক্যামেরার সামনে বেশ স্বাভাবিকভাবেই পোজ দেন তাঁরা। এরপর ভরত পার্টির ভিতরে ঢোকার জন্য এগিয়ে গেলেও এশা কিছুক্ষণ পাপারাৎজির সঙ্গে কথা বলতে ব্যস্ত ছিলেন। গেটের কাছে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিলেন ভরত। পরে এশা এগিয়ে এসে তাঁর হাত ধরে দু'জনে একসঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করেন। এশার পরনে ছিল গোলাপি রঙের শাড়ি। অন্যদিকে, বেইজ রঙের বন্ধগলা পোশাকে নজর কাড়েন ভরত। তাঁদের এই স্বচ্ছন্দ মুহূর্ত দেখে অনেকেই অবাক হয়েছেন।

তবে কি ফের এক হচ্ছেন এশা-ভরত?

ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসতেই নানা ধরনের মন্তব্য করেছেন নেটিজেনরা। কেউ দু'জনকে একসঙ্গে দেখে খুশি, আবার কারও মনে তৈরি হয়েছে নতুন করে সম্পর্ক জোড়া লাগার সম্ভাবনা। এক নেটিজেন লিখেছেন, দু'জনকে একসঙ্গে দেখে তাঁর ভালো লাগছে। আর এক জনের কথায়, তাঁদের মধ্যে এমন সুন্দর সম্পর্ক বজায় থাকাটা প্রশংসনীয়। কেউ আবার প্রশ্ন তুলেছেন, তবে কি ফের একসঙ্গে ফিরছেন তাঁরা? আবার কয়েকজনের মতে, সন্তানদের কথা ভেবেই হয়তো একে অপরের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখেছেন প্রাক্তন দম্পতি। তবে এশা বা ভরত, কেউই তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে কোনও ঘোষণা করেননি। তাই এই মুহূর্তে তাঁদের পুনর্মিলনের জল্পনার কোনও নিশ্চিত ভিত্তি নেই।

২০২৪ সালে বিচ্ছেদের ঘোষণা করেছিলেন দু'জনে

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি যৌথ বিবৃতিতে নিজেদের বিচ্ছেদের কথা জানিয়েছিলেন এশা ও ভরত। তাঁরা জানিয়েছিলেন, পারস্পরিক সম্মতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণভাবেই আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁদের দুই মেয়ে রাধ্যা ও মিরায়ার ভালো থাকাই তাঁদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান করার আবেদনও জানিয়েছিলেন তাঁরা।

২০১২ সালে বিয়ে, তার পর বিচ্ছেদ

স্কুলজীবন থেকেই একে অপরকে চিনতেন এশা ও ভরত। এশার বয়স যখন মাত্র ১৩, তখন থেকেই তাঁকে পছন্দ করতেন ভরত। দীর্ঘদিন পর ফের যোগাযোগ তৈরি হয় দু'জনের। ২০১২ সালের ২৯ জুন বিয়ে করেন তাঁরা। তাঁদের দুই কন্যাসন্তান রাধ্যা ও মিরায়া। তবে ২০২৪ সালে দীর্ঘ দাম্পত্যে ইতি টানেন দু'জনে। অন্যদিকে, এশার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ২০২৫ সালের অগস্টে দুবাইয়ের ব্যবসায়ী মেঘনা লাখানির সঙ্গে নিজের সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন ভরত।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More