বাংলায় গেরুয়া ঝড়, ভবিষ্যত মুখ্যমন্ত্রীর থেকে কী চান? 'ইন্ডাস্ট্রি থেকে রাজনীতি যেন…', HT Bnagla-কে জানালেন দিব্যজ্যোতি
২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে। সেখানে ইতিমধ্যেই ম্যাজিক ফিগার টপকে গিয়েছে বিজেপি। তৃণমূল সেই জায়গায় বেশ অনেকটা পিছিয়ে। গেরুয়া আবির ইতিমধ্যেই উড়তে শুরু করে দিয়েছে রাজ্যের নানা প্রান্তে। এর মাঝেই টলিপাড়ার অন্যতম জনপ্রিয় মুখ দিব্যজ্যোতি দত্ত কী বলছেন?
২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে। সেখানে ইতিমধ্যেই ম্যাজিক ফিগার টপকে গিয়েছে বিজেপি। তৃণমূল সেই জায়গায় বেশ অনেকটা পিছিয়ে। গেরুয়া আবির ইতিমধ্যেই উড়তে শুরু করে দিয়েছে রাজ্যের নানা প্রান্তে। এর মাঝেই টলিপাড়ার অন্যতম জনপ্রিয় মুখ দিব্যজ্যোতি দত্ত কী বলছেন?

কিছুদিন আগেই তৃণমূল কংগ্রেসের এক প্রচার মঞ্চে দেখা মিলেছিল নায়কের। তবে দিব্যজ্যোতির মতে তিনি কোন দলের সমর্থক তা তিনি কখনওই স্পষ্ট করেননি। বরং তাঁকে ভালোবেসে যে দলই আমন্ত্রণ জানিয়েছে তিনি সেখানে গিয়েছেন সৌজন্যতা রক্ষার জন্য।
নায়কের কথায়, ‘আমাকে কেউ অনুরোধ করলে আমি সেখানে যাই। কোনও নির্দিষ্ট দলের হয়ে আমি কখনওই কিছু বলিনি। আমাকে তৃণমূল সরকারের নানা অনুষ্ঠানে দেখা গিয়েছে। আসলে ওই দলের সঙ্গে এমন অনেকেই রয়েছেন যাঁদের সঙ্গে আমার কাজের সূত্রে সু-সম্পর্ক রয়েছে। আবার আমি ২০১৯ সালের শেষ দিকে বিজেপি আয়োজিত একটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে আমাকে জয়ীর জন্য আমাকে সেরা অভিনেতা হিসেবে পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল সেখানেও আমি গিয়েছিলাম। সেই পুরস্কার গ্রহণ করেছিলাম। বিজেপিতে শর্বরীদি রয়েছেন। তিনি 'জয়ী'তে আমার সঙ্গে কাজ করেছিলেন। শুধু তাই নয়। ওঁর স্বামীর সঙ্গে আমার বাবার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। তাই এগুলো আমি রাজনৈতিক ভাবে দেখি না। তাই আমাকে তৃণমূল থেকে ডাকা হলে সেখানেও গিয়েছি। তাঁরা যদি ভবিষতেও কোনও অনুষ্ঠানে আমাকে ভালোবেসে ডাকেন তাহলে আম অবশ্যই যাবো। আমাকে বিজেপি ডাকলেও যাবো। আমি সব সময় নিরপেক্ষ। আমি তাই থাকবো। আমি কখনও বলিনি আমি কোনও পার্টির সমর্থক।'
তবে আর কিছুক্ষণ পরই রাজ্যের ভাগ্য নির্ধারণ হয়ে যাবে। তারপর রাজ্য মুখ্যমন্ত্রী পাবে। তাঁর দেখে কী আশা রাখেন দিব্যজ্যোতি? এই প্রশ্নে নায়কের উত্তর, ‘জোর গলায় অনেক সময় অনেক দাবি করা যায় না। আমার হাতে বাটন ছিল, সেটা মাধ্যমে আমি বেছে নিয়েছি। তবে আমি জানি না পরিবর্তন হবে না প্রত্যাবর্তন। সেটা সময় বলবে। কিন্তু আমি ভগবানের কাছে প্রার্থনা করি সেটাই যেন হয়, যা ধর্মের হিতে, ন্যায়ের হিতে। মানুষের ভালোর জন্য হয়।’
তিনি আরও বলেন যে, ‘একটা স্বাধীনতা যেন থাকে। নির্ভয়ে যে কোনও জিনিস যেন সব জায়গায় তুলে ধরতে পারি। আমাকে যেন ভাবতে না হয় এটা করলে চাপ হয়ে যাবে। প্রত্যেকে যেন তাঁর লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যেতে পারে। সেখানে যাতে কোনও রাজনীতির বাধা, ক্ষমতার বাধা না আসে।’
তবে শেষ কয়েক মাস ধরে ইন্ডাস্ট্রির অন্দরের নানা সমস্যা দর্শকদের সামনে বারবার করে উঠে এসেছে। সেই জায়গা থেকে কী কী দাবি রাখেন অভিনেতা? তাঁর কথায়, ‘আমরা যেন হাসি খুশি ভাবে, মনে যা মুখে তা নিয়ে যেন কাজ করতে পারি। সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। আর চাই ইন্ডাস্ট্রি থেকে রাজনীতি যেন দূরে থাকে, তাহলে আর একটু মনোযোগ দিয়ে কাজ করা যায়।’
বর্তমানে বিভিন্ন দলে তারকা প্রার্থী, সেখানে টলিপাড়ার সব উজ্জ্বল মুখেরা। তিনি কি ভবিষতে কখনও রাজনীতিতে আসার পরিকল্পনা করছেন? তাঁর মতে, ‘আমার বয়সে অল্প। অল্প দিন হল কেরিয়ার শুরু করেছি। আর রাজনীতি করতে গেলে অনেক কিছু জানতে হয়। তাই রাজনীতি এখন আমার যাওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না।’
E-Paper

