Exclusive Dibyojyoti Dutta: আগের দিন থেকে নিরামিষ খাওয়া, উপোস-সহ আর কী কী নিয়ম মেনে শিবরাত্রি পালন করেন দিব্যজ্যোতি?

আজ মহাশিবরাত্রি, ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে শিবরাত্রি পালিত হয়। অন্যান্য অনেকের মতো আজ নিষ্ঠা ভরে শিবরাত্রি পালন করেন টলিপাড়ার জনপ্রিয় অভিনেতা দিব্যজ্যোতি দত্ত। এই ব্রত কীভাবে পালন করেন নায়ক? জানালেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলাকে।

Published on: Feb 15, 2026, 18:38:16 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

আজ মহাশিবরাত্রি, ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে শিবরাত্রি পালিত হয়। অন্যান্য অনেকের মতো আজ নিষ্ঠা ভরে শিবরাত্রি পালন করেন টলিপাড়ার জনপ্রিয় অভিনেতা দিব্যজ্যোতি দত্ত। এই ব্রত কীভাবে পালন করেন নায়ক? জানালেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলাকে।

আগের দিন থেকে নিরামিষ খাওয়া, উপোস-সহ আর কী কী নিয়ম মেনে শিবরাত্রি পালন করেন দিব্যজ্যোতি?
আগের দিন থেকে নিরামিষ খাওয়া, উপোস-সহ আর কী কী নিয়ম মেনে শিবরাত্রি পালন করেন দিব্যজ্যোতি?

দিব্যজ্যোতি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলাকে বলেন, ‘আজ রাত্রে ভগবানকে জল নিবেদন করব। উপোস করে রয়েছি। প্রতিবছরই উপোস করে থাকি। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। তবে অন্যান্য বছর আমি নির্জলা করি, তবে এবার নির্জলা করব না।’ নায়ক জানান তিনি মহা শিবরাত্রি পালনের আগের দিনও নানা নিয়ম পালন করেছেন।

নায়কের কথায়, ‘মহাশিবরাত্রির আগের দিন সংযম পালন করতে হয়, নিরামিষ আহার করতে হয়। আমিও কাল নিরামিষ খাবার খেয়েছি। তবে শিবরাত্রির আগে রাত্রে ঘুমাতে নেই। কিন্তু এর আগের দিন আমি মাত্র একঘণ্টা ঘুমিয়েছিলাম তাই এই নিয়মটা পালন করা হয়নি।’

তবে নায়কের এই এক ঘন্টা ঘুমের নেপথ্যেও রয়েছে আধ্যাত্মিক কারণ। সে কথাও তিনি নিজেই খোলসা করেছেন। দিব্যজ্যোতি বলেন, ‘গত পরশু রাত্রে আমার একটা অনুষ্ঠান ছিল। তাই ঘুমাতে ঘুমাতে আমার অনেক রাত হয়ে যায়। তাও আমি একঘণ্টা ঘুমিয়ে উঠে পরি, তারপর তৈরি হয়ে আমি ইস্কনের মন্দিরে চলে যাই। কারণ ভোর সাড়ে চারটের কীর্তনটা আমার শোনার ছিল, আরতি দেখার ছিল। সেখান থেকেই জিমে যাই।’

আসলে আধ্যাত্মিকতার মধ্যে নিজে খুজে পান নায়ক। তাঁর কথায় 'আমাদের যে নানা ব্রত, উপোস এগুলো নেপথ্যে নানা বিজ্ঞানসম্মত কারণ রয়েছে। এমনকী দেব-দেবীদের বিগ্রহ তাঁদের গায়ের রং এর নেপথ্যেও রয়েছে নানা বার্তা। সেগুলো আমরা আমাদের জীবনে ইমপ্লিমেন্ট করতে পারলে আমাদের অনেক উপহার হবে। তবে শুধু বিজ্ঞানসম্মত বলেই যে এই সব করা উচিত তা নয়। শিবরাত্রি পালন করতে আমার খুব ভালো লাগে, আমি আনন্দ পাই, শান্তি পাই।’

নায়ক বলেন, ‘শিবরাত্রি পালন করা আমার অনেক দিনের অভ্যাস। এমন নয় যে এদিন পালন না করলে মহাদেব কৃপা করেন না। এই বিষয়টা মন থেকে আসা উচিত। আমি শিবরাত্রি অনেক বছর ধরে করি। স্কুলের পড়ার সময় থেকে। যখন থেকে আমার ইচ্ছে হয়েছে তখন থেকেই করি, নিজের থেকেই।'

তবে এই ব্রতর নিয়ম আচার সবটাই নায়ক পেয়েছেন তাঁর মায়ের থেকে। দিব্যজ্যোতির কথায়, ‘মা আমাকে এই ব্রতর সবটা শিখিয়েছেন। মা দেখে আমি এই ব্রত পালন করতে মোটিভেট হয়েছি। আমি নীল পুজোর উপোস, শিবরাত্রির উপোস সবটাই মায়ের থেকেই শিখেছি, আর পালন করি।’