বিদায় নিচ্ছে ‘প্রফেসর বিদ্যা ব্যানার্জি’! আচমকা মেগা বন্ধের খবরে মুখ খুললেন স্বস্তিকা দত্ত
স্টার জলসার পর্দা থেকে অকাল বিদায় প্রফেসর বিদ্য়া ব্যানার্জির। কেন আচমকা বন্ধ হচ্ছে এই মেগা? উত্তর দিলেন স্বস্তিকা দত্ত।
এক বছরের সফল সফরের পর ইতি পড়ছে প্রফেসর বিদ্যা ব্যানার্জির গল্পে! শেষ হচ্ছে স্টার জলসার এই জনপ্রিয় মেগা, যেখানে নাম ভূমিকায় দেখা মিলেছে স্বস্তিকা দত্তর। বিপরীতে অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়। এই গুঞ্জনে ছেয়ে গিয়েছে টেলিপাড়া। সত্য়ি কি বন্ধ হচ্ছে এই মেগা?

উত্তর খুঁজছে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার তরফে যোগাযোগ করা হয়েছিল স্বস্তিকা দত্তের সঙ্গে। নায়িকা কোনওরকম হেঁয়ালি না করে জানালেন, ‘চ্যানেলের তরফে আমাদের সার্কুলার দিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রযোজনা সংস্থা থেকেও জানিয়েছে। যেমনটা হয় আর কী, এর চেয়ে বেশি কিছু আমি বলতে পারব না। বড়রা আছেন তাঁরা যেটা ঠিক মনে করেছেন সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমি এবার নিজেকে একটু সময় দিতে চাই’।
কেন এই সফল মেগা বন্ধ হচ্ছে, সেই উত্তর নায়িকার কাছে নেই। তবে এক বছরের সফরে নিজেদের রিপোর্ট কার্ডে খুশি তিনি। স্বস্তিকা জানালেন, ‘আমি সেটে কাজ করতে যাই, সেইটুকুই করি। দর্শক যে ভালোবাসা দিয়েছেন তাতে আমাদের গোটা টিম কৃতজ্ঞ। বাকি কে কী বলছে, তা নিয়ে এখন আর মাথা ঘামাই না। ইন্ডাস্ট্রিতে এতগুলো বছর পার করে এই সব ভাবলে চলে? সামনে আমার অনেকগুলো প্রোজেক্ট আসছে, আপতত সেদিকেই ফোকাস করতে চাই। আরেকটা কথা না বললেই নয়, আমি কৃতজ্ঞ স্নেহাশিস চক্রবর্তী দাদা এবং চ্যানেলের কাছে। এটা একটা সফল মেগা যেটি ৮ টিআরপি দিয়েছে প্রায় অনেক বছর পর টেলিভিশন জগতে'।
প্রফেসর বিদ্যা ব্যানার্জির কোন গুণটা স্বস্তিকা দত্তের কাছে সম্পদ হয়ে থাকবে আজীবন? অভিনেত্রী জানালেন, ‘হ্যাঁ মানে হ্যাঁ, না মানে না, বিদ্যার এই জিনিসটা আজীবন সঙ্গে রাখব’।
সূত্রের খবর আগামী ৭ই নভেম্বর শেষবার শ্যুটিং করবে টিম বিদ্য়া ব্যানার্জি। আগামী মাসের মাঝামাঝি সময়েই শেষ সম্প্রচার। প্রফেসর বিদ্যা ব্য়ানার্জিকে নিঃসন্দেহে মিস করবে দর্শক।
জলসায় শীঘ্রই আসতে চলেছে দিতিপ্রিয়া রায় অভিনীত মনসামঙ্গল। তবে বিদ্যা ব্যানার্জির জায়গা নেবে এসভিএফের সেই মেগা? উত্তর দেবে সময়।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


