নেদারল্যান্ডসের রাস্তায় বাজছে তাঁরই গান! ভক্তকে চমকে এরপর কী করলেন সোনু নিগম?
সাম্প্রতিক একটি ভিডিয়োতে, সোনু রটার্ডামে তাঁর কনসার্টে যাওয়ার পথে এই ঘটনাটি ঘটে। ভিডিয়ো ভাইরাল সোশ্যাল মডিয়াতে।
গায়ক সোনু নিগম আবারও প্রমাণ করলেন বিশ্বজুড়ে তাঁর জনপ্রিয়তা ঠিক কতখানি। নেদারল্যান্ডসের রটারডাম-এ তাঁর কনসার্টে যাওয়ার পথে ঘটে যাওয়া একটি ছোট্ট মুহূর্ত এখন ভাইরাল—আর সেটাই ভক্তদের মন জিতে নিয়েছে।

গাড়িতে বসে কনসার্টে যাওয়ার সময় তিনি দেখেন সামনে থাকা আরেকটি গাড়িতে জোরে বাজছে তাঁরই গান ‘ইয়ে ইশক ইশক’। মজার বিষয় হল, ওই ভক্তরা জানতেই পারেননি যে তাদের ঠিক পিছনেই রয়েছেন সেই গানের গায়ক নিজে! মুহূর্তটা উপভোগ করে সোনু নিজের গাড়ি এগিয়ে নিয়ে যান। তারপর জানালা নামিয়ে ভক্তদের দিকে তাকিয়ে হাসি আর হাত নেড়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এই স্বতঃস্ফূর্ত আচরণই ভিডিয়োটিকে হৃদয়গ্রাহী করে তুলেছে।
গানটি মূলত শাশ্বত সচদেব-এর সুরে তৈরি এবং ১৯৬০ সালের বরসাত কি রাত ছবির একটি ক্লাসিক গান থেকে নতুনভাবে উপস্থাপিত।
সোনু নিগম ভারতীয় সংগীত জগতের এক উজ্জ্বল নাম। ১৯৭৩ সালে ফরিদাবাদ-এ জন্ম নেওয়া এই শিল্পী ছোটবেলা থেকেই গান গাওয়ার প্রতি গভীর আগ্রহ দেখিয়েছিলেন। ৪ বছর বয়সেই মঞ্চে প্রথম গান করেন।
১৯৯০-এর দশকে বলিউডে প্রবেশের পর ‘কাল হো না হো’, ‘সুরজ হুয়া মদ্ধম’, ‘অভি মুঝে মে কহি’ প্রভৃতি গান তাঁকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে দেয়। তাঁর কণ্ঠে ‘মেলোডি’ গান বরাবরই শ্রোতাদের মন ছুঁয়ে যায়। হিন্দির পাশাপাশি তিনি বাংলা, কন্নড়, তামিল-সহ বিভিন্ন ভাষায় গান গেয়েছেন। ‘লাইভ পারফরম্যান্সে তাঁর শক্তিশালী উপস্থিতি’ তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করে। আজও তিনি তাঁর সংগীতের মাধ্যমে কোটি কোটি ভক্তের হৃদয়ে বিশেষ স্থান ধরে রেখেছেন।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


