Dev: শ্যুটিং চলাকালীন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু, টেকনিশিয়ানের স্ত্রী-ছেলের পাশে দেব

Superstar Dev’s noble act: পর্দায় তিনি সুপারস্টার, কিন্তু বাস্তবের মাটিতে তিনি যে এক বড় মাপের ‘মানুষ’, তা আরও একবার প্রমাণ করলেন দেব। ২০২১ সালে শুটিং চলাকালীন এক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন টেকনিশিয়ান রাজু মন্ডল। তাঁর পরিবাবের পাশে দাঁড়ালেন অভিনেতা।

Apr 15, 2026, 20:44:53 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Superstar Dev’s noble act: গ্ল্যামার আর আলোর দুনিয়ার নেপথ্যে যে মানুষগুলো অক্লান্ত পরিশ্রম করেন, সেই টেকনিশিয়ানদের বিপদে পাশে দাঁড়াতে দেব সব সময় এক ধাপ এগিয়ে। ২০২১ সালের ৩০ জুলাই শুটিং চলাকালীন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অকালে প্রাণ হারান প্রোডাকশন অ্যাসিস্ট্যান্ট গিল্ডের সদস্য রাজু মন্ডল। রাজুর অকালপ্রয়াণে সবচেয়ে বড় আঘাত নেমে এসেছিল তাঁর চার বছরের ছেলে রিশানের ওপর। পৃথিবীর আলো দেখার আগেই বাবাকে হারিয়েছিল সে। এবার সেই রিশানের অভিভাবক হয়ে পাশে দাঁড়ালেন দেব।

পর্দায় নয়, বাস্তবেও তিনি ‘মসিহা’! মৃত টেকনিশিয়ানের স্ত্রী-ছেলের পাশে দেব
পর্দায় নয়, বাস্তবেও তিনি ‘মসিহা’! মৃত টেকনিশিয়ানের স্ত্রী-ছেলের পাশে দেব

আর্থিক সহায়তা ও পড়াশোনার অঙ্গীকার

দেব-এর বিশেষ উদ্যোগে এবং তাঁরই নির্দেশে ‘সিনে প্রোডাকশন ম্যানেজারস অ্যাসোসিয়েশন’ (Cine Production Managers Association)-এর পক্ষ থেকে রাজুর পরিবারের হাতে ২ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা তুলে দেওয়া হয়েছে। তবে সাহায্য এখানেই শেষ নয়। দেব-এর নির্দেশানুসারে সংস্থা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে, ছোট্ট রিশানের পড়াশোনার যাবতীয় খরচ তারা বহন করবে। প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সাহায্য ছাড়াও তার সারা বছরের বই, খাতা এবং স্কুলের পুনর্ভর্তি বা রি-অ্যাডমিশন ফি-র দায়িত্বও নিয়েছে এই সংস্থা।

দেব-এর বিশেষ বার্তা

এই উদ্যোগের পর নিজের মানবিক অবস্থান স্পষ্ট করে দেব একটি আবেগঘন পোস্ট শেয়ার করেছেন। দেব লিখেছেন—'আমি সব সময় আমার টেকনিশিয়ান ভাইদের পাশে আছি। ঈশ্বর সবাইকে সুস্থ রাখুক, এই কামনাই করি। শুভ নববর্ষ।'

মানুষ হিসেবে দেব-এর জয়

সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির অনেক বড় বড় প্রতিশ্রুতি যখন সময়ের সাথে ধুয়ে যায়, তখন দেব-এর এই দীর্ঘমেয়াদী পদক্ষেপকে কুর্নিশ জানাচ্ছে টলিপাড়া। টেকনিশিয়ানদের কাছে দেব শুধু একজন অভিনেতাই নন, বরং এক নির্ভরযোগ্য ভরসার নাম। রাজু মন্ডলের মৃত্যু নিয়ে অনেক জলঘোলা হলেও, কাজের কাজ করে দেখালেন দেব এবং তাঁর সহযোগী সংস্থা। রিশানের চোখের নতুন স্বপ্ন যেন আজ দেব-এর মানবিকতায় আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠল।

সম্প্রতি দেবকে ঘিরে কম আলোচনা হয়নি টলিপাড়ায়। ডিরেক্টর্স গিল্ড ও ফেডারেশনের মধ্যে কিছু মতভেদ ও পরবর্তীকালে কিছু আইনি জটিলতা তৈরি হওয়ার কারণে, অনির্বাণ ভট্টাচার্যের,ঋদ্ধি সেনের মতো অভিনেতারা কাজ করতে পারছিলেন না। সাংবাদিক সম্মেলনের মধ্যেই দেব জানান, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় তাঁকে কথা দিয়েছেন যে, যে সমস্ত শিল্পীরা কাজ করতে পারছেন না, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তাঁদের কাজে ফেরাবেন তিনি।

পরদিনই দেব সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি আইনি চিঠি শেয়ার করে নেন। যাতে দেখা যায়, ফেডারেশনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি ডিরেক্টর্স গিল্ড। কিন্তু কাউকে না জানিয়ে, সেই চিঠি সোশ্য়াল মিডিয়ায় পোস্ট করায় মনোক্ষুণ্ণ হন, প্রসেনজিৎ। প্রকাশ্যে সাংবাদিকদের সামনে সেই কথা বলেন বুম্বাদা। যদিও সেইসব নিয়ে পরবর্তীতে কোনও মন্তব্য করেননি দেব।

তবে নিজের আসন্ন ছবি দেশু ৭-এ যে অনির্বাণ ভট্টাচার্য থাকছেন তার ঘোষণা সেরে ফেলেছেন তারকা সাংসদ।

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More