Madhumita Wedding: ২য় বিয়ের চার মাস পর ফের বিয়ে করলেন মধুমিতা! সুখবর জানিয়ে কী বললেন নায়িকা?

দেবমাল্যর সঙ্গে রাজকীয়ভাবে বিয়ে সারেন মধুমিতা। ৪ মাস পর ফের বিয়ে! তবে এবার বিরাট আয়োজন নেই, সাদামাটাভাবে হল সবটা। ব্যাপারটা কী?

Published on: Jun 5, 2026, 11:31:01 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

টেলিপাড়ার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মধুমিতা ফের বিয়ে করলেন! খবরটি শুনে চমকে উঠলেও ঘটনা কিন্তু এক্কেবারে সত্যি। তবে কোনও নতুন মানুষের সঙ্গে নয়, নিজের স্বামী দেবমাল্য চক্রবর্তীর সঙ্গেই আরও একবার বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন ছোটপর্দায় ‘পাখি’ খ্যাত এই অভিনেত্রী। আসলে বৃহস্পতিবার (৪ঠা জুন) জীবনের এক নতুন অধ্যায় নথিবদ্ধ করলেন এই তারকা জুটি। ধুমধাম করে সামাজিক বিয়ের চার মাস পর এবার আইনি বিয়ে অর্থাৎ রেজিস্ট্রি সারলেন মধুমিতা ও দেবমাল্য।

২য় বিয়ের চার মাস পর ফের বিয়ে করলেন মধুমিতা! সুখবর জানিয়ে বললেন নায়িকা?
২য় বিয়ের চার মাস পর ফের বিয়ে করলেন মধুমিতা! সুখবর জানিয়ে বললেন নায়িকা?

সাত পাকের পর এবার আইনি সই

চলতি বছরের গত ২৪শে জানুয়ারি চার হাত এক হয়েছিল মধুমিতা ও দেবমাল্য চক্রবর্তীর। সেই সময় পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে বেশ ধুমধাম করেই সাত পাকে ঘুরেছিলেন তাঁরা। অভিনেত্রীর জীবনের এটি দ্বিতীয় বিয়ে হওয়ায় তা নিয়ে অনুগামীদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। সামাজিক নিয়মে চার মাস সুখে সংসার করার পর, এবার নিজেদের সম্পর্ককে আইনি সিলমোহর দিলেন দুজনে।

সমাজমাধ্যমে ‘লিগালি ইওরস’ মুহূর্ত

আইনি বিয়ের এই বিশেষ ও মিষ্টি মুহূর্তের কোলাজ সমাজমাধ্যমে অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন অভিনেত্রী। অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে আইনি খাতায় সই করছেন মধুমিতা, আর পাশে বসে সস্নেহে তা দেখছেন দেবমাল্য। কখনও আবার আদুরে পোষ্যকে নিয়ে পোজ দিতে ব্যস্ত দুজনে। সই-সাবুদের এই সুন্দর ছবিগুলি শেয়ার করে ক্যাপশনে মধুমিতা লিখেছেন— 'লিগালি ইওরস' (আইনতও তোমার)।

বড় কোনো জাঁকজমক ছাড়াই অত্যন্ত ঘরোয়া আবহে সম্পন্ন হয়েছে এই আইনি বিয়ের পর্ব। মধুমিতা-দেবমাল্যের এই নতুন শুরুর আইনি সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তাঁদের পরিবারের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সদস্যেরা। তবে এই বিশেষ দিনে নজর কেড়েছে তাঁদের আরও এক বিশেষ অতিথি— জুটির আদুরে পোষ্যটি, যে আইনি বিয়ের পুরো সময়টা জুড়েই দম্পতির পাশে হাজির ছিল। সমাজমাধ্যমে ছবিগুলি আসতেই নতুন দম্পতিকে ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন টলিপাড়ার সহকর্মী ও ভক্তরা।

একটা সময় ভালোবেসে অভিনেতা সৌরভ চক্রবর্তীর হাত ধরেছিলেন মধুমিতা। কিন্তু টেকেনি দাম্পত্য। ডিভোর্সের পর ছোটবেলার বন্ধু দেবমাল্য়র মধ্য়েই নিজের জীবনসঙ্গী খুঁজে নেন অভিনেত্রী। দেবমাল্য় বিনোদুনিয়ার মানুষ নন, পেশায় আইটি কর্মী। ২০২৪-এর দুর্গাপুজোয় সম্পর্কে সিলমোহর দিয়েছিলেন। দেখতে দেখতে তাঁদের সম্পর্কের বয়স তিন বছর।

ছোট পর্দার হাত ধরেই প্রথম বিনোদন জগতে পা রেখেছিলেন মধুমিতা। ২০১১ সালে মহুয়া বাংলা নামে একটি চ্যানেলে 'সবিনয় নিবেদন' ধারাবাহিকের মাধ্যমে তিনি প্রথম টলিপাড়ায় আত্মপ্রকাশ করেন। তবে নায়িকাকে খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছে দেয় স্টার জলসার ব্লকবাস্টার মেগা ‘বোঝে না সে বোঝে না’। ২০১৮ সালে, 'কুসুমদোলা' ধারাবাহিকের পরে দীর্ঘদিন বাংলা টেলিভিশন থেকে বিরতি নিয়েছিলেন। তারপর ছবি এবং ওটিটি প্ল্য়াটফর্মে কাজ করেছেন চুটিয়ে। ভোলে বাবা পার করেগা-র হাত ধরে ফিরেছিলেন ছোটপর্দায়। তবে সেই ফেরা সুখকর হয়নি। আপতত টেলিভিশন থেকে দূরে নায়িকা।

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More