কপিল শর্মার কানাডার ক্যাপস ক্যাফের কাছের একটি রেস্তোরাঁয় এবার গুলি চলল। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া দাবি অনুযায়ী, লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং এই হামলার দায় স্বীকার করেছে এবং কপিল শর্মাকে সরাসরি হত্যার হুমকি দিয়েছে। টাইসন বিষ্ণোই জোরা সিধু নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে করা একটি পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হচ্ছে। এই পোস্টে দাবি করা হয়েছে যে, সারের 'চাই সুট্টা বার'-এ গুলির ঘটনাটি ঘটেছে, যা কপিল শর্মার ক্যাফের ঠিক পাশেই অবস্থিত।
কানাডায় কপিল শর্মার ক্যাফের কাছে চতুর্থবারের মতো গুলি চলল! নেপথ্যে কে?
এই পোস্টের মাধ্যমে দলটি কপিল শর্মা এবং ক্যাফের মালিককে সময় নষ্ট না করে তাদের কথা মেনে চলার জন্য সতর্ক করে। পোস্টটিতে আরও ইঙ্গিত দেওয়া হয় যে, যদি তাঁরা তাদের শর্তগুলো না মানেন, তাহলে কপিল শর্মার ক্যাফে এবং তাঁর মুম্বইয়ের বাড়িরও একই পরিণতি করবে। তবে, সোশ্যাল মিডিয়ার এই দাবিগুলো এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।
প্রসঙ্গত, কপিল শর্মার ক্যাফেতে এই প্রথমবার হামলা হয়নি। ২০২৫ সালে তাঁর ক্যাফেতে হামলা হয়। প্রথম গুলির ঘটনাটি ঘটে ২০২৫ সালের ১০ জুলাই, 'ক্যাপস ক্যাফে' খোলার মাত্র কয়েকদিন পরেই। হামলাকারীরা বিল্ডিংটির জানালায় গুলি চালিয়েছিল। ২০২৫ সালের ৭ অগস্ট, এক মাসের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো ক্যাফেতে একাধিকবার গুলি চালায়। ২০২৫ সালের ১৫-১৬ অক্টোবর, চার মাসের মধ্যে তৃতীয়বারের মতো ক্যাফেতে হামলা হয়। এই হামলার পর বিষ্ণোই নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা সোশ্যাল মিডিয়ায় এর দায় স্বীকার করে।
দলটির দাবি অনুযায়ী, কপিল শর্মাকে টার্গেট করার প্রধান কারণ হল অভিনেতা সলমন খানের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক। জানা গিয়েছে, 'দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান কপিল শো'-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সলমন খানের আমন্ত্রণে বিষ্ণোই গ্যাং ক্ষুব্ধ হয়েছিল। এর আগে দলের এক সদস্য সতর্ক করেছিল যে, সলমন খানের সঙ্গে কাজ করলে যে কাউকেই তার পরিণতি ভোগ করতে হবে।
লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং এবং সলমন খানের মধ্যে শত্রুতার সূত্রপাত ১৯৯৮ সালের কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের মামলা থেকে। বিষ্ণোই সম্প্রদায় কৃষ্ণসার হরিণকে পবিত্র বলে মনে করে এবং এই কারণে গ্যাংটি বেশ কয়েক বছর ধরে সলমন খান ও তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের হুমকি দিয়ে আসছে।
Home/Entertainment/কানাডায় কপিল শর্মার ক্যাফের কাছে চতুর্থবারের মতো গুলি চলল! নেপথ্যে কে?