বলিউডের আয়ে ভরেনি মন, রেস্তোরাঁর ব্যবসায় টাকা ঢেলেছেন শিল্পা-মৌনি-সহ আর কোন তারকারা?
আজ আমরা আপনাকে সেই সেলিব্রিটিদের সম্পর্কে বলতে যাচ্ছি, যারা জনপ্রিয় এবং সফল রেস্তোরাঁর মালিক। কেউ কেউ তো বিদেশেও রেস্তোরাঁ খুলে ফেলেছে।
বলিউড ইন্ডাস্ট্রির এমন অনেক সেলিব্রিটি আছেন যারা শুধুমাত্র বলিউড থেকে অর্থ উপার্জন করেননি, রেস্তোরাঁ ব্যবসার মাধ্যমেও প্রচুর অর্থ উপার্জন করেছেন। আজ আমরা আপনাকে এমন সেলিব্রিটিদের সম্পর্কে বলব যাদের জনপ্রিয় এবং সফল রেস্তোরাঁ রয়েছে।

শিল্পা শেট্টি:
শিল্পা শেট্টি-র রেস্তোরাঁ বাস্টিয়ান বেশ জনপ্রিয়। রেস্তোরাঁর ইন্টিরিয়ার যতটা মনোরম, ঠিক ততটাই সুস্বাদু এখানকার খাবার। সঙগে শিল্পার রেস্তোরাঁ শুধু মুম্বইয়ে নয়, রয়েছে পুনে এবং বেঙ্গালুরুতেও।
গৌরী খান:
মুম্বইয়ের বান্দ্রায় তোরি নামে একটি রেস্তোরাঁর মালিক গৌরী খান। এই রেস্তোরাঁর ইন্টিরিয়র ডিজাইনিংও করেছেন গৌরী। তাই কেউ এর প্রশংসা করা থেকে নিজেকে থামাতে পারবে না। এই রেস্তোরাঁটিও মুম্বইয়ের বিখ্যাত রেস্টুরেন্টগুলির মধ্যে একটি।
করণ জোহর:
করণ জোহরের নিজস্ব বাংলো রেস্তোরাঁ নিওমাও বেশ জনপ্রিয়। তিনি বান্টি সাজদেহের সঙ্গে এর প্রতিষ্ঠা করেছে।
জুহি চাওলা:
জুহি চাওলা এবং তার স্বামী জয় মেহতার ২টি রেস্তোঁরা রয়েছে, যার মধ্যে একটি গুস্টোসো এবং অন্যটি রু ডি লিবান। একটি ইতালিয়ান রেস্তোরাঁ এবং অন্যটিতে লেবানিজ খাবার পাওয়া যায়।
সুনীল শেট্টি:
মুম্বইয়ের এইচটিও রেস্তোরাঁটি শুরু করেছিলেন সুনীল শেট্টি। এই রেস্তোরাঁটি বান্দ্রায় অবস্থিত। পরে সুনীল এই রেস্তোরাঁটি বন্ধ করে লিটল নামে একটি ইতালিয়ান রেস্তোরাঁ শুরু করেন।
মৌনি রায়:
মুম্বইয়ের আন্ধেরিতে মৌনি রায়ের রেস্তোরাঁ ‘বদমাশ’ রয়েছে। যা ইতিমধ্যেই বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
ববি দেওল:
মুম্বইয়ে ববি দেওলের একটি রেস্তোরাঁও রয়েছে যার নাম সামপ্লেস এলস। এই রেস্তোরাঁয় নর্থ ইন্ডিয়ান, চাইনিজ এবং কন্টিনেন্টাল খাবার পাওয়া যায়।
আশা ভোঁসলে:
আশা ভোঁসলের অনেকগুলো রেস্তোরাঁ রয়েছে। দুবাইতে প্রথম রেস্তোরাঁ খোলেন তিনি। এরপর যুক্তরাষ্ট্র, বাহরাইন, কুয়েত, কাতার ও আবুধাবিতে রেস্তোরাঁ খুলেছেন তিনি। তার রেস্তোরাঁর জনপ্রিয় খাবারগুলো হল ডাল মাখানি, তন্দুরি চিকেন টিক্কা, মাশরুম ক্রিস্প, চকোলেট ট্রাফল কেক।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


