Shovan-Sohini: ‘দুজনে ঘর বেঁধে আছি…’, শোভনের আগেও গায়কের প্রেমে পড়েন সোহিনী, করছেন লিভ ইনও!
Shovan-Sohini: সোহিনী তাঁর জীবনের ‘অপরিবর্তনশীল সরকার’ বিয়ের আগেই জানিয়েছিলেন শোভন। দাম্পত্য়ের দু-বছর, বউয়ের হাত ধরে কী বার্তা গায়কের?
পাঞ্জাবিতে শোভন আর পাশে তাঁত শাড়িতে উজ্জ্বল সোহিনী— ফ্রেমবন্দি এক টুকরো রূপকথা। সোশ্যাল মিডিয়ায় শোভন গঙ্গোপাধ্য়ায়ের সাম্প্রতিক পোস্টটি যেন একরাশ প্রশান্তি বয়ে এনেছে অনুরাগীদের মনে। গায়ক-সঙ্গীত পরিচালক যখন সোহিনীকে আগলে রেখে লিখছেন, ‘আমরা দুজনে ঘর বেঁধে আছি, দুজনের হাত ধরে।’ তখন নেটিজেনদের একাংশ খুঁজে পাচ্ছেন এক নতুন সমীকরণ। তবে এই ‘ঘর বাঁধা’র গল্পের পেছনে কি অতীতের ছায়াও উঁকি দিচ্ছে?

শোভন-সোহিনীর অতীত:
ভালোবেসে পরস্পরের হাত ধরেছিলেন শোভন-সোহিনী। তবে দুজনেরই একটা অতীত অধ্যায় রয়েছে। শোভনের পোস্টের কমেন্ট বক্সে উপচে পড়ছে অজস্র মন্তব্য। সেখানে অনেকেই মনে করিয়েছেন ইমনের কথা। একজন লেখেন, ‘দাদা আপনাকে তো অন্য কারুর সঙ্গেই ঘর বাঁধতে বলা হয়েছিল’। ইমন-স্বস্তিকার সঙ্গে প্রকাশ্যে প্রেম করেছেন শোভন। অবশেষে সোহিনীতে থিতু হন।
ওদিকে সোহিনী সরকারের সঙ্গে রণজয় বিষ্ণুর সম্পর্ক কারুর অজানা নয়। একটা সময় অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্যর সঙ্গে সোহিনীর সম্পর্ক নিয়েও কম কাটাছেঁড়া হয়নি। তবে জানেন নি শোভনের সঙ্গে ঘর বাঁধার আগে সোহিনী সম্পর্কে ছিলেন এক গায়কের সঙ্গে। জানা যায়, সেই গায়কের সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্কেও ছিলেন অভিনেত্রী। কিন্তু সময়ের নিয়মে সেই সম্পর্ক ভেঙে যায় এবং সোহিনীর জীবনে বসন্ত আসে শোভনের হাত ধরে।
এক পুরনো সাক্ষাৎকারে সোহিনী অকপটে বলেন যে তিনি এক পঞ্জাবি গায়কের সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্কে ছিলেন। সোহিনী জানিয়েছিলেন, 'ওই গায়কের সঙ্গে লিভ টুগেদার করেছি। সেটাও কিছুটা বিয়ের মতোই ছিল। বড়লোকের পঞ্জাবি এক ছেলের সঙ্গে, গানটান গাইত।'
সব বিতর্ককে তুড়ি মেরে উড়ানো:
অতীত লম্পর্ক ভুলে এখন চুটিয়ে সংসার করছেন সোহিনী এবং শোভন। ছবিতে দম্পতির চোখের ভাষা স্পষ্ট বলে দিচ্ছে, তাঁদের এই ‘ঘর’ স্রেফ ইঁট-পাথরের নয়, বরং বিশ্বাসের ওপর দাঁড়িয়ে।
অতীত যাই হোক না কেন, বর্তমানের ক্যানভাসে শোভন-সোহিনী এখন কেবল একে অপরের। তাঁদের এই নিটোল প্রেমের গল্পে আপাতত ‘ঘর বাঁধার’ সুরটাই সবচেয়ে জোরালো।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


