Gaurav Chakrabarty Mother's Day Post: মা মিঠুর সঙ্গে তিনি, ধীরের সঙ্গে ঋদ্ধিমা! মাদার্স ডে-তে ভালোবাসায় ভরালেন গৌরব
তারকা থেকে সাধারণ মানুষ, সকলেই তাঁদের মা থেকে শুরু করে মাতৃস্থানীয়দের ভরিয়েছেন ভালোবাসায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় লম্বা পোস্ট করলেন অভিনেতা গৌরব চট্টোপাধ্যায়ও। মা মিঠু চক্রবর্তী আর বউ ঋদ্ধিমা ঘোষ, দুজনকে নিয়ে ভাসলেন আবেগে।
মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার পৃথিবী জুড়ে পালিত হয় 'মাদার্স ডে'। এই বছর এই বিশেষ দিনটি পড়েছে ১0 মে। তারকা থেকে সাধারণ মানুষ, সকলেই তাঁদের মা থেকে শুরু করে মাতৃস্থানীয়দের ভরিয়েছেন ভালোবাসায়। কেউ এনেছেন উপহার, কেউ বা ফুলের তোড়া, হাতে আঁকা গ্রিটিংস কার্ড, কেউ আবার আবেগমাখা পোস্ট করেছেন সোশ্যাল মিডিয়াতে।

শুভেচ্ছাবার্তা ভাগ করে নিয়েছেন তারকারাও। তবে বাঙালি অভিনেতা গৌরব চট্টোপাধ্যায় যেমন মাতৃ দিবস উপলক্ষে শুধু মা নন, শুভেচ্ছা জানালেন বউ ঋদ্ধিমা ঘোষকেও। দুটি ছবি শেয়ার করলেন গৌরব। একটিতে একটা ছোট্ট বাচ্চার কোলে মাথা দিয়ে শুয়ে আছেন এক মহিলা। সাদা কালো এই ছবিটি আসলে গৌরব ও মিঠু চক্রবর্তীর। অপর ছবিটি রঙিন, সদ্য তোলা। যেখানে ঋদ্ধিমার সঙ্গে তাঁদের ছেলে ধীর।
আর এই দুটি ফোটো শেয়ার করে গৌরব লিখলেন, ‘যে নারী আমাকে অফুরন্ত ভালোবাসা দিয়ে বড় করে তুলেছেন, আর যে নারী এখন একই উষ্ণতা আর ভালোবাসা দিয়ে আমাদের ছেলেকে বড় করে তুলছে… আজকের দিনটা তোমাদের দু’জনের জন্য।’
‘আমার মাকে একজন দিদা হয়ে উঠতে দেখা, আর ঋদ্ধিমাকে ধীরের নিরাপদ আশ্রয়, সবচেয়ে বড় সমর্থক আর পৃথিবীর সবচেয়ে প্রিয় মানুষ হয়ে উঠতে দেখা… এগুলো আমার জীবনের সবচেয়ে বড় আনন্দগুলোর একটি।’, আরও লেখেন গৌরব তাঁর এই পোস্টে।
মিঠু আর ঋদ্ধিমা, দুজনকেই ভূয়সী প্রশংসায় ভরালেন গৌরব। তাঁর পোস্টের শেষে লিখলেন, ‘দুই প্রজন্ম। দুই অসাধারণ মা। আর আমি পৃথিবীর সবচেয়ে ভাগ্যবান মানুষ, কারণ দু’জনেরই ভালোবাসা পেয়েছি। শুভ মাতৃ দিবস।’

বিখ্যাত অভিনেতা সব্যসাচী চক্রবর্তী এবং মিঠু চক্রবর্তীর বড় ছেলে গৌরব। তাঁর ভাই অর্জুন চক্রবর্তীও একজন অভিনেতা। ২০১৭ সালে অভিনেত্রী ঋদ্ধিমা ঘোষের সঙ্গে বিহাবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। ২০২৪-এর মাঝামাঝি সময়ে গৌরব ও ঋদ্ধিমার ছেলে ধীরের জন্ম হয়।
প্রসঙ্গত, বিগত কয়েক বছরে বড় লড়াইয়ের মুখোুখি হয়েছিলেন মিঠু। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জানা যায় ক্যানসার আক্রান্ত বর্ষীয়ান অভিনেত্রী। মার্চ মাস থেকে শুরু হয় কেমোথেরাপি। লম্বা চিকিৎসায় ভেঙে গিয়েছিল শরীর, ঝরে গিয়েছিল বেশিরভাগ চুল। তবে নিজের কঠিন মনোবল দিয়ে ফিরে আসেন। আর এই লড়াইতে সঙ্গ দেয় তাঁর গোটা পরিবার। ২০২৫ সালের জুন মাসের খবর অনুযায়ী, তিনি এখন ক্যানসারমুক্ত। শুধু তাই নয়, কাজে ফিরেছেন। আজকাল তো নিজে থেকে গাড়ি চালিয়ে দেখাও করতে যান নাতিনাতিদের সঙ্গে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


