মামি শাশুড়ির হয়ে আসরে কাশ্মীরা! কোমল রানি সুনীতাকে 'খুনি' বলতেই ফাটালেন বোমা
গোবিন্দার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিতর্কের মাঝেই তাঁর স্ত্রী সুনীতা আহুজার পাশে দাঁড়ালেন কাশ্মীরা শাহ। অভিনেত্রী কোয়েল রানি স্বর্ণকারের ‘কাতিল’ মন্তব্যের জবাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে সুনীতাকে সমর্থন জানালেন তিনি।
গোবিন্দা আজকাল তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ চর্চায় রয়েছেন। গত কিছুদিন ধরেই মারাঠি অভিনেত্রী কোমল রানি স্বর্ণকারের সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়ে খবরের শিরোনামে দেখা যাচ্ছে। আসলে, সম্প্রতি গোবিন্দ লালবাগচা রাজায় তাঁর 'রূপা' সিনেমার সহ-অভিনেত্রী কোমল রানি স্বর্ণকারের সঙ্গে বাপ্পার দর্শনে পৌঁছেছিলেন। সেই সময়কার বেশ কিছু ভিডিয়ো ও ছবি ইন্টারনেটে ব্যাপক ভাইরাল হয়। এরপর গোবিন্দর স্ত্রী সুনীতা আহুজা বিষয়টি নিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া জানান। এর জেরে গত দিনগুলিতে কোমল রানি স্বর্ণকার গোবিন্দর স্ত্রীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলে তাঁকে ‘খুনি’বলে আখ্যা দেন। এই পরিস্থিতিতে এবার কোমলের ওপর রেগে বোমা ফাটিয়েছেন কৃষ্ণা অভিষেকের স্ত্রী কাশ্মীরা শাহ। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় কোমলকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন।

সুনীতার পাশে দাঁড়িয়ে কোমলকে কটাক্ষ কাশ্মীরার
কোমল রানি স্বর্ণকারের মন্তব্যে এবার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী কাশ্মীরা শাহ। অভিনেতা কৃষ্ণা অভিষেকের স্ত্রী কাশ্মীরা ২৭ সেপ্টেম্বর নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একটি দীর্ঘ পোস্ট শেয়ার করেন। সেখানে নিজের ব্যক্তিগত জীবন এবং কর্মজীবনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন তিনি।
কাশ্মীরা লেখেন, ‘আমার কেরিয়ারের শুরু থেকে এখনও পর্যন্ত ৩০ বছরে আমি ৫০টি ছবিতে কাজ করেছি। এত বছরে আমার কোনও সহ-অভিনেতাই আমার ব্যক্তিগত জীবন কিংবা আবেগ সম্পর্কে কিছু জানতেন না। আমি কেবল একজনকেই সব কথা বলেছি, তিনি হলেন আমার স্বামী কৃষ্ণা অভিষেক।’
প্রথমবার আমাদের 'খুনি' বলা হচ্ছে
কাশ্মীরা তাঁর পোস্টে আরও লিখেছেন, 'আমি কর্মক্ষেত্রে কখনোই এমন কোনো সম্পর্ক দেখিনি যেখানে কোনো সহকর্মী এত ব্যক্তিগত কথা জানেন। আমি জানি যে আমি একজন শক্তিশালী নারী এবং আমি একটি শক্তিশালী নারীদের পরিবারে বিয়ে করেছি। আমাদের প্রায়শই অসভ্য, অহংকারী, কর্তৃত্বপরায়ণ, লক্ষ্যকেন্দ্রিক ও স্বার্থপর বলা হয়ে থাকে, কারণ আমরা আমাদের পরিবারের খেয়াল রাখি। কিন্তু এই প্রথমবার আমাদের 'খুনি' বলা হচ্ছে। তাই যদি প্রতিটি মা, স্ত্রী, বোন, পিসি এবং তাঁদের পোষা কুকুরকে সেই 'একজন মানুষ'-কে রক্ষা করার জন্য খুনি বলা হয় যাঁকে তারা ভালোবাসেন—তিনি বাবা হন, স্বামী হন, ভাই হন বা কুকুর হন—তবে তাই সই। আমার গর্ব হয় যে আপনি এমন একজন নারী।' কাশ্মীরা তাঁর এই পোস্টে নিজের মামি শাশুড়ি অর্থাৎ সুনীতা আহুজাকে ট্যাগ করে লিখেছেন, 'আমি সবসময় আপনার পাশে দাঁড়িয়ে থাকব।'

‘যে মহিলা স্বামীকে খুন করার চেষ্টা করছেন…’
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি সুনীতা আহুজার মন্তব্যের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট শেয়ার করেছিলেন কোমল রানি স্বর্ণকার। সেখানে তিনি সুনীতাকে নিশানা করে দাবি করেন, যে মহিলা বছরের পর বছর নিজের স্বামীকে খুন করার চেষ্টা করছেন, তাঁর অভিশাপ কারও গায়ে লাগে না। তাঁর আরও বক্তব্য, আগে থেকেই ভেঙে যাওয়া সংসারে কেউ কখনও ‘ঘরভাঙানি’ হতে পারেন না।
কোমল আরও লেখেন, কোনও নিবেদিতপ্রাণ স্ত্রী নিজের স্বামীর সঙ্গে এতটা খারাপ ব্যবহার করতে পারেন বলে তাঁর মনে হয় না। একইসঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে নিয়ে চলা সমালোচনারও প্রতিবাদ করেন তিনি। পুরো পরিস্থিতি না জেনে কোনও বক্তব্য বা দাবিকে বিশ্বাস না করার আবেদন জানান অভিনেত্রী।
কোমলের এই মন্তব্যের পরই সুনীতার সমর্থনে মুখ খুললেন কাশ্মীরা। গোবিন্দার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চলা বিতর্কে তাঁর এই পোস্ট নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


