Yami-Aditya: পিতৃতন্ত্রের গালে সপাট চড়! কাজে ফিরেছেন ইয়ামি, ছেলের দেখাশোনার দায়িত্বে আদিত্য
তাঁর ঝুলিতে ১০০০ কোটির ছবি। কিন্তু বাড়িতে তিনি একজন সাপোর্টিভ পার্টনার। কাজে ফিরেছেন ইয়ামি। একরত্তি ছেলের দেখভালের দায়িত্ব পালন করছেন ধুরন্ধর পরিচালক আদিত্য় ধর।
গ্ল্যামার আর লাইট-সাউন্ড-ক্যামেরার মাঝখানেও ইয়ামি গৌতম এখন একজন পুরোদস্তুর মা। ২০২৪ সালে পুত্র সন্তান বেদাবিদ-এর আগমনের পর ইয়ামির জীবন আমূল বদলে গিয়েছে। তবে কাজে ফেরার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি মাতৃত্ব। ইয়ামির কথায়, ‘একজন ওয়ার্কিং মাদার হওয়া সহজ কথা নয়, যদি না পেছনে মজবুত কোনো সাপোর্ট সিস্টেম থাকে। আমি আমার মায়ের কাছে কৃতজ্ঞ, কারণ তিনি না থাকলে আমি আজ যা করছি তা সম্ভব হতো না।’

সন্তানই যখন অগ্রাধিকার:
ইয়ামি জানিয়েছেন, শুটিংয়ের সেটে ছোট বাচ্চাকে নিয়ে যাওয়া সব সময় সম্ভব হয় না। তিনি বলেন, ‘সন্তান হলো শরীরের বাইরের একটি হৃদপিণ্ড। যখন বাবা-মা দুজনেই কাজ করেন, তখন সেই হৃদপিণ্ডকে কার কাছে ভরসা করে রেখে যাব? বর্তমানে আমি কাজে ফিরছি, তাই আদিত্য এখন ছেলের দেখাশোনা করছে।’ স্বামী আদিত্য ধর যে তাঁর অনুপস্থিতিতে ছেলের পূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন, তা ইয়ামির কথাতেই পরিষ্কার।
পরিচালক থেকে জীবনসঙ্গী:
২০১৯ সালে ‘উরি: দ্য সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’-এর সেটে আদিত্য ও ইয়ামির বন্ধুত্বের শুরু। ২০২১ সালে চুপিচুপি বিয়ে সেরে সবাইকে চমকে দিয়েছিলেন এই জুটি। এখন তাঁরা এক আনন্দময় পরিবারের অভিভাবক। ইয়ামি মনে করেন, পরিকল্পনা করে সব হয় না, সময়ের সঙ্গে গা ভাসাতে হয়। তবে জীবনভর তাঁর কাছে প্রথম অগ্রাধিকার হলো সন্তান ও পরিবার।
আসছে নতুন ছবি:
মা হওয়ার পর ইয়ামিকে খুব শীঘ্রই দেখা যাবে হরর-কমেডি ‘নয়ী নাভেলি’-তে। মিরাটের একান্নবর্তী পরিবারের গল্প নিয়ে এই ছবি। যেখানে দেখা যাবে, এক আদর্শ গৃহবধূ কীভাবে পরিবারের কাছে রহস্যময় হয়ে ওঠেন। আনন্দ এল রাই প্রযোজিত এই ছবিতে ইয়ামির নতুন অবতার দেখার জন্য মুখিয়ে আছেন দর্শকরা।
কেরিয়ার এবং মাতৃত্ব—দুটি নৌকায় পা দিয়েও ইয়ামি যেভাবে ভারসাম্য বজায় রাখছেন, তা আধুনিক যুগের সব কর্মজীবী নারীর কাছেই এক বড় অনুপ্রেরণা।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


