Guess Who: প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্য়ায়ের ‘ছেলে’ এখন জি বাংলার নায়ক, এই খুদেকে চিনতে পারছেন?
দেবের ছেলেবেলা থেকে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের অনস্ক্রিন পুত্র- সিনেমার পর্দায় দাপটের সঙ্গে কাজ করা শিশুশিল্পী এখন জি বাংলার মেগায় সেকেন্ড লিড। চিনতে পারছেন তাঁকে?
হাসিমুখের খুদে ছেলেটিকে জড়িয়ে ধরে রয়েছেন টলিউডের মহাতারকা। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের কোল ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা এই মিষ্টি শিশুটিকে চিনতে পারছেন? আজ কিন্তু সে আর খুদেটি নেই! সে দিনের এই শিশুশিল্পীই বর্তমানে টেলিভিশনের এক জনপ্রিয় তারকা।

সম্প্রতি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিনে শুটিংয়ের ফাঁকে তোলা এই স্মৃতিমেদুর ছবিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে ইন্ডাস্ট্রির 'বুম্বা দা'-কে শুভেচ্ছাবার্তা পাঠিয়েছেন তিনি।
চিনতে পারলেন না?
ইনি আর কেউ নন, জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘কুসুম’-এর নায়ক 'ঈশান', অর্থাৎ অভিনেতা আর্য দাশগুপ্ত।
২০১৪ সালে মুক্তি পেয়েছিল রাজা চন্দের পরিচালনায় আলোচিত ছবি ‘ফোর্স’। অটিজমের শিকার একটি নিষ্পাপ শিশু এবং তাকে কেন্দ্র করে তার বাবার একা হাতে করা এক কঠিন লড়াইয়ের মানবিক গল্প ফুটে উঠেছিল পর্দায়। সেই ছবিতে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের ছেলের চরিত্রে অভিনয় করে নজর কেড়েছিলেন খুদে আর্য। সেদিনের সেই রূপোলি পর্দার লড়াই আজ আর্যকে পৌঁছে দিয়েছে ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতার আসনে। মাঝে পার হয়েছে ১৩ বছর, সেদিনের খুদে আজ তারুণ্যে ভরপুর যুবক।
‘বুম্বা আঙ্কেল’কে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে আর্য সাফ জানান, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় তাঁর অনুপ্রেরণা। রাজা চন্দ পরিচালিত ছবিতে প্রসেনজিৎ-এর পাশাপাশি দেখা মিলেছিল তাঁর স্ত্রী অর্পিতা চট্টোপাধ্যায়েরও। বাবা-ছেলের সম্পর্কে আবর্তে এগোনো এই ছবি দর্শক মহলে ভালো সাড়া ফেলেছিল।
আর্যর প্রথম ছবি ‘রংবাজ’। সেই ছবিতে দেবের ছোটবেলা করেছিলেন অভিনেতা। পর্দার বাবা কুশল চক্রবর্তী। কুসুম ধারাবাহিকে কুশলেরই দেখা মেলে আর্যর বাবার ভূমিকায়। মায়ের ভূমিকায় রয়েছেন অঞ্জনা বসু। দাদা তথা গল্পের নায়ক সপ্তর্ষি মৌলিক। নায়িকার চরিত্রে রয়েছেন তনিষ্কা তিওয়ারি।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


