‘চুল নাড়িয়ে নাড়িয়ে চিৎকার…’, মহীনের ঘোড়াগুলির নাম বলতেও হোঁচট, অভিজিৎ-এর দাবি বাকিরা শুধুই কপি! ফসিলসকেও খোঁচা?

বাংলা গানের সঙ্গে ওতোপ্রোতভাবে জড়িয়ে রক-মিউজিক। কিন্তু মহীনের ঘোড়াগুলি বাদে অন্য় বাংলা রকব্যান্ডের গানকে গান বলেই স্বীকৃতি দিতে না-রাজ অভিজিৎ ভট্টাচার্য। 

Published on: Aug 26, 2026, 11:30:05 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

অভিজিৎ ভট্টাচার্য মানেই বিতর্ক। আলটপকা মন্তব্য করে বহুবার সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছেন এই বাঙালি গায়ক। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে সঞ্চালক অরিজিৎ চক্রবর্তীর মুখোমুখি হয়ে বাংলা সংগীত জগৎ ও ব্যান্ড মিউজিকের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে খোলামেলা মন্তব্য করেছেন প্রখ্যাত বলিউড গায়ক অভিজিৎ ভট্টাচার্য।

চুল নাড়িয়ে..মহীনের ঘোড়াগুলির নাম বলতেও হোঁচট, অভিজিৎ-এর দাবি বাকিরা শুধুই কপি!
চুল নাড়িয়ে..মহীনের ঘোড়াগুলির নাম বলতেও হোঁচট, অভিজিৎ-এর দাবি বাকিরা শুধুই কপি!

পডকাস্টে কথা বলার সময় অভিজিৎ জানান, আজকাল বাঙালি শিল্পীদের নানা ধারার কাজ তিনি খুব একটা শোনেন না, কারণ তা তাঁকে হতাশ করে। তবে প্রকৃত যোগ্য শিল্পীরা সঠিক মূল্যায়ন পাচ্ছেন না বলেও তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেন।

মহীনের ঘোড়াগুলি ও কপির অভিযোগ: বাংলা রক ব্যান্ডের প্রসঙ্গ উঠতেই তিনি জানান, 'মহীনের ঘোড়াগুলি'র মতো দল অতীতে যা সৃষ্টি করে গেছে, তার মধ্যে এক ধরণের বুদ্ধিবৃত্তিক দর্শন (Intellectual philosophy) ছিল। কিন্তু তাঁর মতে, বর্তমানের বহু ব্যান্ড কেবল তাদের কপি বা অনুকরণ করে চলেছে। শুধু তাই নয়, মহীনের ঘোড়াগুলির নাম বলতে গিয়ে আটকে যান অভিজিৎ। ত্রাতা হয়ে এগিয়ে আসেন সঞ্চালক।

‘চুল নাড়িয়ে চিৎকার’ ও পরিবেশনা: আধুনিক পরিবেশনা শৈলী নিয়ে কটাক্ষ করে অভিজিৎ বলেন, সব জিনিসে কেবল ‘চুল নাড়িয়ে নাড়িয়ে’ বা স্টেজ জুড়ে শুধু ‘চিৎকার’ করলেই সংগীত হয় না। কান ও চোখের উপযোগী প্রকৃত গানের অভাব রয়েছে বলে তিনি মনে করেন। নিজেকে রসিকতার ছলে ‘আউটডেটেড’ (Outdated) দাবি করলেও সংগীতে সুর ও মেধার প্রয়োজনীয়তার ওপরই তিনি জোর দেন। সঞ্চালক পাশ থেকে ফসিলসের নাম করলে, রূপম ইসলামের ব্য়ান্ডকেও ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’র কপি বলেই ইঙ্গিত করেন অভিজিৎ।

যোগ্যতার অপমূল্যায়ন: ভালো লেখার ও ভালো গায়কীর বহু শিল্পী বাংলায় থাকা সত্ত্বেও তাঁরা কেন আশানুরূপ জায়গা পাচ্ছেন না— এই প্রশ্নে আক্ষেপ প্রকাশ করে গায়ক বলেন, ‘খারাপ যারা করছে, তারাই এখন বেশি পপুলার হয়ে যাচ্ছে।’

বিরূপ প্রতিক্রিয়া: অভিজিৎ-এর এই মন্তব্য মোটেই ভালোভাবে নেয়নি বাংলা রকগানের ভক্তরা। একজন লেখেন, ‘আপনি যখন বোম্বেতে বসে হিন্দি গান গাইছেন, তখন আমরা যারা অল্টারনেটিভ মিউজিক শুনি তাদের প্রাণের গানগুলো গেয়েছেন তার সাথে লিখেছেন ফসিলস ক্যাকটাস এবং বিভিন্ন ব্যান্ডরা। অনেক সম্মান দিয়েই আপনাকে বলছি আর নেওয়া যাচ্ছে না। তাই বাংলা রক মিউজিক নিয়ে আপনি নাই কথা বলুন সেটাই শ্রেয়’। আরেকজন লেখেন, ‘ভিউ বেশি হয় বলেই বোধহয় এদেরকে আনে’। অনেকে অভিজিৎ-এর সঙ্গীতজ্ঞান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More