Hardik-Mahika: ‘আমার বেবির…’! গদগদ ভালোবাসা, মাহিকাকে নিয়ে পোস্ট পান্ডিয়ার, হাতে গুচ্ছ গোলাপ
ভ্যালেন্টাইনস ডে-র আগে হার্দিক পান্ডিয়াকে চমকে দিতে দিল্লি এসে পৌঁছন মাহিকা। শুধু তাই নয়, সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিশেষ পোস্টও শেয়ার করে নেন।
ভ্যালেন্টাইনস ডে-র হ্যাংওভার আজকাল সবার উপর, সে সাধারণ মানুষ হোক বা সেলিব্রিটি। এখন হার্দিক পান্ডিয়াও ভ্যালেন্টাইনস উইকে বান্ধবী মাহিকা শর্মার কাছ থেকে একটি বিশেষ উপহার পেয়েছেন। আর সেই বিশেষ মুহূর্ত মাহিকা নিজেই শেয়ার করে নিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়াতে।

মাহিকা ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে পোস্ট করেছেন, যেখানে তিনি হার্দিককে গোলাপ ফুলের একটি বড় তোড়া দিচ্ছেন। সঙ্গে মাহিকা আরও জানান যে, তিনি দিল্লিতে এসেছেন হার্দিকের জন্য। গোলাপের ইয়াব্বড় একটি বুকে সমেত হার্দিকের ছবি শেয়ার করে মাহিকা লেখেন, ‘সময়মতো দিল্লিতে এসে পৌঁছেছি। আমার জীবনের ম্যান অফ দ্য ম্যাচ।’
মাহিকার এই পোস্ট শেয়ার করে নেন হার্দিক। জানান যে, তাঁরা একসঙ্গে ভ্যালেন্ডাইন্স ডে উদযাপন করতে চলেছেন। লেখেন, ‘ভালেন্টাইন্স ডে আর আমার বেবির জন্মদিনের সপ্তাহ, একইসঙ্গে শুরু হল’। অর্থাৎ নতুন প্রেমিকা মাহিকার জন্মদিন নিয়ে ঠিক কতটা এক্সাইটেড, তাই বুঝিয়ে দিলেন হার্দিক।

প্রসঙ্গত, ডিভোর্সের পর হার্দিক এবং মাহিকা বেশ খুল্লামখুল্লা প্রেম করছেন। আর তা তুলেও ধরছেন সোশ্যাল মিডিয়াতে। দুজনেই একসঙ্গে ছুটিতে যান এবং প্রতিটি উৎসব একসঙ্গে উদযাপন করেন। এমনকী হার্দিক নিজের ভালো পারফরমেন্সের জন্য মাহিকাকে সম্পূর্ণ কৃতিত্ব দিয়েছিলেন। হার্দিক লিখেছিলেন, ‘এর কৃতিত্ব আমার ভক্তদের। আমার সঙ্গীর কথাও বিশেষভাবে উল্লেখ করতে হবে। তিনিই আমার জন্য সের, যেহেতু তিনি আমার জীবনে এসেছেন, আার সঙ্গে ভালো জিনিস হচ্ছে।’
মাহিকার সঙ্গে ডেটিং করার আগে, হার্দিক নাতাশার সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন। তারা দুজনেই বিয়ে করেছিলেন এবং ৪ বছর একসাথে থাকার পরে, দুজনের বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছিল। প্রথমে আইনি বিয়ে, যা হয়েছিল ২০২০ সালের ৩১ মে করোনাকালে। এরপরই ছেলে অগস্ত্যর জন্ম দেন তাঁরা। আর এরপর সামাজিক বিয়ে করেন। ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই গোয়ায় হয়েছিল সেই অনুষ্ঠান। যেখানে মেহেন্দি থেকে হলদি, এমনকী, বিয়ের সমস্ত জাঁকজমক, সবটাই হয়েছিল। কিন্তু এর কয়েকমাসের মধ্যেই ঘটে ছন্দপতন।
ডিভোর্স ঘোষণার সময় দু'জনে যৌথ বিবৃতি দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন, ‘আমরা পরস্পরের সঙ্গে কথা বলে আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা আমাদের সেরাটা দিয়েছি এবং সবকিছু দিয়েছি। এটি আমাদের জন্য খুব কঠিন সিদ্ধান্ত ছিল…’! সঙ্গে এই বিবৃতিতে ছেলেকে একসঙ্গে বড় করার ঘোষণা করে ফেলেছিলেন। অগস্ত্য থাকেন মা নাতাশার সঙ্গেই। তবে বাবার ছুটিছাটা থাকলে, সে এসে থাকে হার্দিকের সঙ্গেও। এমনকী, অগস্ত্যর সঙ্গে মাহিকাকেও সময় কাটাতে দেখা গিয়েছে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


