Sandy Saha Vs Tithi Saha: ‘মেয়েদের ক্লায়েন্ট ধরে দেয়,স্যান্ডি দালাল,আমাকেও অফার দিয়েছে’, বিস্ফোরক মা-এর ‘ঝিলিক’ তিথি বসু

ঝিলিককে ‘বেশ্যা’ কটাক্ষ স্যান্ডির। তাঁর পর্দা ফাঁস করে পালটা জবাব দিলেন তিথি বসু। বললেন-‘স্যান্ডি ইন্ডাস্ট্রির অনেক বড় দালাল। ও মেয়েদের ক্লায়েন্ট জোগাড় করে দেয় এবং নিজেও তাঁদের সঙ্গে বিদেশে ঘুরতে যায়'। 

Published on: Aug 18, 2026, 16:31:13 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ছোটপর্দার অত্যন্ত জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘মা’-এর ‘ঝিলিক’ খ্যাত অভিনেত্রী তিথি বসু (Tithi Basu) সোশ্যাল মিডিয়ায় এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ও ইউটিউবার স্যান্ডি সাহা (Sandy Saha)-র বিরুদ্ধে চরম বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন। স্যান্ডি সাহার সাম্প্রতিক একটি ক্লিপিং ভাইরাল হওয়ার পর ক্ষোভে ফেটে পড়েন তিথি এবং একের পর এক গুরুতর অভিযোগ সামনে আনেন।

‘মেয়েদের ক্লায়েন্ট ধরে দেয়,স্যান্ডি দালাল, আমাকেও অফার দিয়েছে’, বিস্ফোরক ‘ঝিলিক’
‘মেয়েদের ক্লায়েন্ট ধরে দেয়,স্যান্ডি দালাল, আমাকেও অফার দিয়েছে’, বিস্ফোরক ‘ঝিলিক’

কেন ক্ষুব্ধ তিথি বসু?

সম্প্রতি এক অ্যাডাল্ট কমেডি শো-এর অংশ নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে স্যান্ডি স্পষ্টতই বলেন, ক্লাস ৯-এ পড়তে নাকি তাঁর ছোটবেলাটা ‘ঝিলিক’ খা** (লেখার অযোগ্য শব্দ) ভিডিয়ো দেখেই কেটেছে। এককথায় ঝিলিককে বেশ্যা বলে কটাক্ষ করেন স্যান্ডি। এরপর হাসাহাসি করতে দেখা যায় এই ইউটিউবারকে। তিথির দাবি, ওই মন্তব্য ও ভিডিওটি দেখার পরেই তিনি স্যান্ডির আসল রূপ প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নেন। নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিথি জানান, আজ থেকে তিনি স্যান্ডিকে কেবল ‘ঘৃণা’ই করবেন। তিথি জানান, তিনি নিশ্চিত নন ঝিলিক অর্থে তাকেই স্যান্ডি বুঝিয়েছেন নাকি শ্রীতমাকে। তবে যার উদ্দেশ্যেই এই অশ্রাব্য় বাক্যবাণ, তিথির অবস্থান বদলাবে না।

স্যান্ডির বিরুদ্ধে তিথি বসুর বিস্ফোরক অভিযোগসমূহ

ইন্ডাস্ট্রির দালাল বলে আখ্যা: তিথি প্রকাশ করেন যে, স্যান্ডি সাহার সঙ্গে তাঁর প্রায় ৫ বছরের পরিচয়। তিথির অভিযোগ, ‘স্যান্ডি ইন্ডাস্ট্রির অনেক বড় দালাল। ও মেয়েদের ক্লায়েন্ট জোগাড় করে দেয় এবং নিজেও তাঁদের সঙ্গে বিদেশে ঘুরতে যায়।’

কু-প্রস্তাবের দাবি: তিথি অভিযোগ করেন যে, স্যান্ডি তাঁকে বহুবার নানা ক্লায়েন্টের খরচে বিদেশে ঘুরতে যাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল। এমনকি শ্রীলঙ্কায় এক ভ্লগারের সঙ্গে প্রচারমূলক শুটের বাহানায় তাঁকে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়েছিল।

অস্বস্তিকর প্রশ্ন ও ভয়েস মেসেজ: তিথির কথায়, তিনি যখন জানতে চান সঙ্গে কাউকে নিয়ে যেতে পারবেন কি না, স্যান্ডি তা এড়িয়ে যান। উপরন্তু, তিনি একাই কেন বিদেশে যান বা প্রেমিকের সঙ্গে যান কি না—এই ধরণের নানা অস্বস্তিকর প্রশ্ন তোলা হতো। নিজের বক্তব্যের স্বপক্ষে স্যান্ডির পাঠানো কিছু ভয়েস মেসেজ বা অডিও প্রমাণ হিসেবেও ফেসবুক ভিডিয়োয় তুলে ধরেন।

সবশেষে তিথি জানান, ‘পডকাস্টে যাকে বলছিস ক্লাইন্ট আছে, শ্রীলঙ্কায় চল, তার সামনেই ঝিলিককে পতিতা বানিয়ে দিলি! নিজের স্ট্যান্ডার্ডটা একটু উঁচু কর। আমি কোনওদিনই তোকে পছন্দ ভ অপছন্দ কোনওটাই করতাম না। তবে আজ থেকে শুধুই ঘৃণা করব। আমাকে নিয়ে ট্রোল করলেও কোনও সমস্যা নেই। কারণ আমি তোর মতো লোকদের পাত্তাই দিই না।’

অন্য এক ভিডিয়োয় তিথি স্পষ্ট করেন, বিদেশ গেলে তিনি নিজের টাকায় যাবেন। কিংবা কোনও অনুষ্ঠান সূত্রে প্রোমোশনের খাতিরেও যেতে পারেন। তবে ক্লায়েন্ট ধরে বা দালাল ধরে তিনি যাবেন না। তিথির বার্তা, ‘আমি সৎ পথে থাকতে চাই, সৎ ভাবে কাজ করতে চাই। তাতে আমার যতটুকু আসে তাতেই খুশি’।

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More