Dev-Jeet: ‘এখনই সব ডিলিট করো, জিৎ আমার দাদা’, কেউ বলে বিপ্লবী কেউ ডাকাত-কে কটাক্ষ করায় নিজের ভক্তদেরই ক্লাস নিলেন দেব

Dev-Jeet: দুই পৃথিবীর পর বড় পর্দার আর কখনও একসঙ্গে দেখা যায়নি দুজনকে। তবে পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা আর সম্মান সবসময় দেখান দেব এবং জিৎ। ফের একবার ‘বড় দাদা’ জিৎ-এর ‘অপমান’ দেখে নিজের ফ্যানেদেরই বকা দিলেন দেব। 

Published on: Aug 22, 2026, 09:00:22 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

টলিউডে স্টারডম ও ‘ফ্যান ওয়ার’ কোনও নতুন কথা নয়। বিশেষ করে দেব এবং জিতের অনুরাগীদের মধ্যে সোশাল মিডিয়ায় প্রায়শই কাদা ছোড়াছুড়ি হতে দেখা যায়। জিতের নতুন ছবি ‘কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত’ (#KBBKBD)-কে নিয়ে দেবের এক ফ্যান পেজের তরফে কটাক্ষ করা হলে রুখে দাঁড়িয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন খোদ দেব। তিনি সাফ জানান, 'জিৎ আমার বড় দাদা'।

‘এখনই সব ডিলিট করো, উনি আমার দাদা’, জিৎ-কে কটাক্ষ করায় নিজের ভক্তদেরই বকা দেবের!
‘এখনই সব ডিলিট করো, উনি আমার দাদা’, জিৎ-কে কটাক্ষ করায় নিজের ভক্তদেরই বকা দেবের!

জিতের প্রতি দেবে শ্রদ্ধা মুগ্ধ নেটপাড়া

জিতের ছবি নিয়ে ফ্যান পেজের ট্রোল

সম্প্রতি দেবের একটি ফ্যান পেজের পোস্টে জিতের নতুন ছবির ১ম সপ্তাহের টিকিট বিক্রি ও বক্স অফিস নম্বর নিয়ে কড়া নেগেটিভ রিভিউ ও কটাক্ষ করা হয়। পোস্টে লেখা হয়েছিল— ‘১ম সপ্তাহে নাকি অন্যতম সর্বোচ্চ ফুটফল! ভণ্ডামি শেষ পর্যায়ে যাকে বলে…অপেক্ষা করছি শনি-রবিবার আরও কী বড় ঢপ সামনে আসে!ছবি ভালো হতে পারে কিন্তু বক্স অফিস কালেকশন অতটা নেই, বানিয়ে বলছে…'।

কড়া হাতে ট্রোল বন্ধের নির্দেশ দেবের

এই কটূক্তি চোখে পড়তেই মুখ বুজে থাকেননি দেব। ওই ফ্যান পেজের কমেন্ট বক্সে গিয়ে সরাসরি প্রতিক্রিয়া জানান তিনি। পরবর্তীতে নিজের প্রোফাইল থেকেও ইতিবাচক বার্তা শেয়ার করেন।

কমেন্টে দেব লেখেন, ‘তোমাদের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, এসব বন্ধ করো। ও আমার বড় ভাইয়ের মতো। আমরা একই ইন্ডাস্ট্রির অংশ।’ দেব আরও জোর দিয়ে বলেন, জিতের বিরুদ্ধে থাকা সমস্ত নেতিবাচক পোস্ট ডিলিট করার জন্য।

পরে দেব নিজের ব্য়ক্তিগত প্রোফাইলে ওই পোস্ট শেয়ার করে লেখেন, ‘ওর বিরুদ্ধে সব কিছু এক্ষুণি মুছে ফেল। উনি আমার বড় দাদা।’ এরপর দেব ট্রোল না করে সিনেমা হলে গিয়ে টিকিট কেটে জিত-এর ‘KBBKBD’ দেখার আহ্বান জানান দেব। তিনি জানান, ‘নিজেরাও সিনেমা হলে গিয়ে ছবিটা দেখো এবং অন্যদেরও দেখতে বলো। আমি নিজেও আগামী সপ্তাহে সিনেমাটা দেখতে যাচ্ছি।’

টলিউডে সুস্থ বিনোদন পরিবেশ গড়ে তুলতে এবং কাদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ করতে দেবের এই স্বতঃস্ফূর্ত ভূমিকা প্রশংসিত হচ্ছে সর্বত্র। 'নেগেটিভিটি নয়, ভালোবাসাই পথ'— তা আবারও প্রমাণ করলেন সুপারস্টার দেব।

দেবের কাছে ‘বকা’ খেয়ে তড়িঘড়ি জিৎ-এর নতুন ছবির বিরুদ্ধে সমস্ত পোস্ট মুছে দেয় ওই ফ্যান পেজ। যার ফলোয়ার সংখ্যা ৩ লক্ষের কাছাকাছি। সঙ্গে জানায়, ‘দাদা তুমি বারবার সৌজন্যের কথা বলো... আমরা তাই তোমাকে নিয়েই মেতে থাকি দাদা... তোমার মতো বাকি হিরোরা যদি করতো তাহলে তো আর কিছুই হতো না… তুমি আদেশ দিতে... কিন্তু অনুরোধ কথাটা কেন লিখলে…’। পরে দেবের কাছে ক্ষমা চেয়ে ভবিষ্যতে অন্য কোনও হিরোকে নিয়ে নেতিবাচক কিছু না লেখার কথাও জানায় ওই পেজের অ্যাডমিন। শুধু দেব যে পোস্টে কমেন্ট করেছে, সেটি মুছে ফেলেনি তাঁরা। জানায়, দেবের মন্তব্য সেই পোস্টে থাকাতেই ওই সিদ্ধান্ত।

প্রসঙ্গত, জিৎ-এর কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত মুক্তির পর প্রথম এক সপ্তাহে প্রায় ১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা আয় করে নিয়েছে।

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More