‘সানি-ববি-সহ পরিবারের সবাই…’! ধর্মেন্দ্রকে দেওয়া হবে মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ, দিল্লিতে হেমা-অহনা
ভারতীয় চলচ্চিত্রে কয়েক দশক ধরে অবদানের জন্য প্রয়াত অভিনেতা ধর্মেন্দ্রকে মরণোত্তর দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান পদ্মবিভূষণে ভূষিত করা হচ্ছে। যা নিতে এই মুহূর্তে দিল্লিতে হেমা।
সোমবার ২৫ মে হেমা মালিনী দিল্লিতে রয়েছেন। প্রবীণ অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর প্রায় দুই মাস পরে, ভারত সরকার ঘোষণা করেছিল যে, তাঁকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান পদ্মবিভূষণ দিয়ে সম্মানিত করা হবে। এমতাবস্থায় হেমা মালিনী প্রয়াত স্বামীর পক্ষ থেকে এই মরণোত্তর সম্মান গ্রহণ করতে এসেছেন।

হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হেমা মালিনী বলেন, 'এটা আমার এবং পুরো পরিবারের জন্য খুবই আবেগঘন একটি মুহূর্ত। আজ এই বিশেষ অনুষ্ঠানে আমার মেয়ে আহানাও আমার সঙ্গে দিল্লি এসেছে। ইশাও এখানে আসতে চেয়েছিলেন, কিন্তু কিছু কারণে তিনি আসতে পারেননি।’
কোথায় সানি দেওল ও ববি দেওল? হেমা মালিনী আরও বলেন, ‘এই সম্মানে সানি, ববি-সহ পরিবারের সবাই অত্যন্ত খুশি। আমরা সবাই জানি যে, এটি আমাদের পরিবারের জন্য কতটা বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত।’
ধর্মেন্দ্র, যিনি তাঁর শক্তিশালী কণ্ঠস্বর, শক্তিশালী অভিনয় এবং সিনেমা জগতে আশ্চর্যজনক কমিক টাইমিংয়ের জন্য পরিচিত ছিলেন, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে মারা যান। তিনি তার ৯০তম জন্মদিনের দুই সপ্তাহ আগে এই বিশ্বকে বিদায় জানিয়েছিলেন। তার মৃত্যুর খবর শুধু তার পরিবারের জন্যই নয়, দেশ-বিদেশে তার লক্ষ লক্ষ ভক্তদের জন্যও গভীর ধাক্কা দিয়েছে।
ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শোকবার্তায় মোদি লেখেন, 'ধর্মেন্দ্রজির প্রয়াণে ভারতীয় সিনেমায় একটি যুগের অবসান ঘটল। তিনি ছিলেন এক অনন্য এবং ব্যতিক্রমী অভিনেতা, যিনি তাঁর প্রতিটি চরিত্রে আকর্ষণ এবং গভীরতা সঞ্চারিত করেছিলেন। তিনি যেভাবে বিভিন্ন ভূমিকা পালন করেছিলেন তা অগণিত মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে গিয়েছে। ধর্মেন্দ্রজি তাঁর অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁর সারল্য, নম্রতা এবং আন্তরিকতার জন্যও প্রশংসিত হয়েছিলেন। দুঃখের এই মুহূর্তে তাঁর পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং অগণিত গুণমুগ্ধদের প্রতি আমার সমবেদনা জানাই। ওম শান্তি।’
ধর্মেন্দ্র তাঁর কেরিয়ারে 'শোলে', 'সত্যকাম', 'চুপকে চুপকে' এবং 'প্রতিজ্ঞা'র মতো অগণিত ব্লকবাস্টার এবং স্মরণীয় চলচ্চিত্র উপহার দিয়েছিলেন। তার মৃত্যুর পর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় তার শেষ ছবি 'টোয়েন্টি-ওয়ান'।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


