Mia Khalifa: মেসিদের হারে মালামাল প্রাক্তন পর্নস্টার মিয়া খালিফা! ঝুলিতে এল প্রায় ১৪ কোটি
Mia Khalifa: প্রাক্তন পর্ন তারকা মিয়া খলিফা রবিবার ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে হাজির ছিলেন। নিজেই জানালেন স্পেনের জয়ের উপর বাজি ধরে ১৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা পেয়েছেন তিনি।
রবিবাসরীয় রাতে নিউ ইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফুটবলের মহাযুদ্ধে শেষ হাসি হাসল ইউরোপ সেরা স্পেনই। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও লিয়োনেল মেসিকে কাঁদিয়ে ফুটবল বিশ্বের মসনদ ছিনিয়ে নিল লুইস দে লা ফুয়েন্তের ছেলেরা। আর স্পেনের এই ঐতিহাসিক জয়ের পরেই মাঠের বাইরে কোটিপতি বনে গেলেন এক অ-ফুটবলীয় ব্যক্তিত্ব— প্রাক্তন অ্যাডাল্ট স্টার তথা জনপ্রিয় মডেল মিয়া খালিফা।

স্পেনের জয়ের ওপর বাজি ধরে এক ধাক্কায় প্রায় ১৩ কোটি ৮১ লক্ষ টাকা ($১.৬৫ মিলিয়ন) পকেটে পুরেছেন মিয়া। সামাজিক মাধ্যমে সেই সুখবর নিজেই ভাগ করে নিয়েছেন এই তারকা। অন্যদিকে, এই মেগা জয়ে ট্রফির পাশাপাশি চ্যাম্পিয়ন স্পেনের ফুটবলাররা পুরস্কার মূল্য বাবদ ঘরে তুললেন প্রায় ৪২৭ কোটি টাকা।
স্পেনের জয়ে মিয়ার পকেটে কোটি কোটি টাকা!
সোশ্যাল মিডিয়ায় খেলা দেখার বেশ কয়েকটি ছবি পোস্ট করেন ৩৩ বছর বয়সী মিয়া খালিফা। গায়ে জড়িয়েছিলেন স্পেনের নতুন সেনসেশন লামিনে ইয়ামালের জার্সি। ছবি শেয়ার করে রসিকতার সুরে তিনি লেখেন, ‘বিশ্বাস রেখেছিলাম আর বড় জয় পেলাম। আমার নিজের দেশ স্পেনের জন্য গর্বিত (যদিও আমার শরীরে এক ফোঁটাও স্প্যানিশ রক্ত নেই)!’
আসলে মিয়ার এই আনন্দের আসল চাবিকাঠি লুকিয়ে ছিল ওঁর করা একটি বাজির ওপর। ম্যাচের আগে স্পেনের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সপক্ষে প্রায় ৮ কোটি ৩৭ লক্ষ টাকা ($১ মিলিয়ন) বাজি ধরেছিলেন তিনি। স্পেনের জয়ে ১.৬৫ গুণের হিসেবে তাঁর অ্যাকাউন্টে ঢুকল প্রায় ১৩ কোটি ৮১ লক্ষ টাকা ($১.৬৫ মিলিয়ন)! স্টেডিয়ামে ঢোকা থেকে শুরু করে গ্যালারিতে বসে স্পেনের জন্য গলা ফাটানোর একাধিক মুহূর্ত ভক্তদের সাথে ভাগ করে নিয়েছেন তিনি।
মেসি ম্যাজিক ব্যর্থ, অতিরিক্ত সময়ের গোলে বাজিমাত স্পেনের
ফাইনাল ম্যাচটি কাগজে-কলমে যতটা হাড্ডাহাড্ডি হওয়ার কথা ছিল, মাঠের লড়াইয়ে অবশ্য স্পেনের দাপটই ছিল বেশি। লিয়োনেল মেসির ম্যাজিক এদিন মেটলাইফে কাজ করেনি; পুরো ম্যাচে আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগ স্পেনের গোল লক্ষ্য করে একটি শটও মারতে পারেনি।
আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়ে একে একে ১১টি নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে ম্যাচ টানছিলেন। কিন্তু অতিরিক্ত সময়ের একেবারে শেষ মুহূর্তে স্পেনের আক্রমণের সুনামি আর সামলানো যায়নি। ফেরান তোরেসের করা এক অনবদ্য গোলে ১-০ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে ১৬ বছর পর নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ট্রফি ঘরে তুলল স্পেন।
গ্যালারিতে চাঁদের হাট এবং প্রথম ‘হাফ-টাইম শো’
ম্যাচ দেখতে মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বসেছিল চাঁদের হাট। নিজের নতুন ছবি ‘দ্য ওডিসি’-র সাফল্যের রেশ নিয়েই স্ত্রী লুসিয়ানা বারোসোর (যিনি আর্জেন্টিনার নাগরিক) হাত ধরে গ্যালারিতে হাজির ছিলেন হলিউড সুপারস্টার ম্যাট ডেমন। অন্যদিকে, স্পেনের জার্সি গায়ে দেশের জন্য গলা ফাটাতে দেখা গেল অস্কারজয়ী অভিনেতা হাভিয়ের বারদেমকে।
‘হাফ-টাইম শো’-তে মঞ্চ কাঁপালেন বিশ্বখ্যাত সংগীতশিল্পীরা
পপ সম্রাজ্ঞী ম্যাডোনা-র নাটকীয় ওপেনিং পারফরম্যান্স দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান।এরপর কে-পপ ব্যান্ড বিটিএস (BTS) তাঁদের বিশ্বখ্যাত গান ‘ডায়নামাইট’ দিয়ে গ্যালারির পারদ চড়ান। আবেগঘন কণ্ঠে পারফর্ম করেন জাস্টিন বিবার। সবশেষে, বিশ্বকাপের চেনা মুখ ল্যাটিন পপ কুইন শাকিরা ২০২৬ বিশ্বকাপের অফিশিয়াল থিম সং ‘দাই দাই’ গেয়ে পুরো স্টেডিয়ামকে নাচিয়ে ছাড়েন।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


