Indrani Haldar: ‘বিধবা তো আর সাজতে পারব না, আমার স্বামী আছে…’, বিতর্ক উস্কে কড়া জবাব ইন্দ্রাণীর, ফাঁস করলেন বয়স
'আমার স্বামী রয়েছে, সংসার রয়েছে... কাজেই বিধবা তো আর সাজতে পারব না’, ট্রোলারদের বার্তা অভিনেত্রীর।
বাংলা বিনোদন জগতের অন্যতম অভিজ্ঞ ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী ইন্দ্রাণী হালদার। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে নিজের দুর্দান্ত অভিনয় ক্ষমতা দিয়ে দর্শকদের মন জয় করে আসছেন তিনি। বাংলার পাশাপাশি হিন্দি টেলিভিশনের জগতেও অতি পরিচিত নাম ইন্দ্রাণী। কিছু শারীরিক সমস্যার জেরে ওজন বেড়েছিল অভিনেত্রীর। দীর্ঘদিন ক্যামেরার সামনে আসেননি টলিপাড়ার প্রিয় মামণিদি। তবে ফের ওজন ঝরিয়েছেন ইন্দ্রাণী। ছোটপর্দা নয়, আপতত তাঁর ফোকাস ওটিটি এবং ছবি। হালে বয়স এবং পোশাক-আশাক বা সাজগোজ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বারংবার ট্রোলিং ও কটাক্ষের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। সম্প্রতি লাখ টাকার লক্ষ্মীলাভের সেটে এক সাক্ষাৎকারে নিজের পছন্দ, বয়স ও সাজগোজ নিয়ে সমালোচকদের সপাটে ও স্পষ্ট জবাব দিলেন শ্রীময়ী-খ্যাত এই অভিনেত্রী। সান বাংলার এই রিয়ালিটি শো-এ বিশেষ অতিথি হিসাবে দেখা মিলবে তাঁর।

‘বয়স লুকোনোর কিছু নেই, এখন আমার ৫৫!’
মাত্র ১৪ বছর বয়সে পা রেখেছিলেন বিনোদন জগতে। বর্তমানে ৫৫ বছর বয়সে দাঁড়িয়েও নিজের বয়স গোপন রাখার পক্ষপাতী নন তিনি। ইন্দ্রাণী জানান, নিজের প্রকৃত বয়স প্রকাশ করতে তাঁর কোনো রকম দ্বিধা বা লজ্জা নেই। বয়স বাড়ার সাথে সাথে জীবনকে নিজের শর্তে উপভোগ করাতেই তাঁর আনন্দ। বয়স বাড়ছে বলে নিজের পছন্দের সাজগোজ বা পোশাক পরা ছেড়ে দিতে হবে— এই ধারণাকে সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণ করেছেন তিনি।
স্বামী আছে, বিধবা তো সাজতে পারি না!’
নেটপাড়ায় অনেকেই কটাক্ষ করে লেখেন যে ইন্দ্রাণী নাকি একটু ‘বেশি সাজগোজ’ করেন। সেই সব সমালোচকদের উদ্দেশ্যেই কড়া জবাব দিয়েছেন অভিনেত্রী। ইন্দ্রাণী হালদার জানান, নিজের পছন্দের শাড়ি, গয়না এবং সাজের মাধ্যমে সুন্দর হয়ে উঠতে তিনি ভালোবাসেন। ট্রোলারদের উদ্দেশ্যে কড়া সুরে তিনি বলেন, ‘আমার স্বামী রয়েছে, সংসার রয়েছে... কাজেই বিধবা তো আর সাজতে পারব না। আমার সাজতে গুছতে ভালোলাগে। চিরকাল আমি সাজুনি। ছোটবেলা থেকে বাবা-মা বলত সাজুনি পিসি। যতদিন না ঘাটে উঠছি ততদিন সেজে যাব’।
কে কী বলল তাতে তিনি বিন্দুমাত্র বিচলিত নন। নিজের পছন্দ এবং ব্যক্তিত্বকে সম্মান জানিয়ে বাঁচাই যে আসল, সেই বার্তাই তুলে ধরেছেন তিনি।
নেটপাড়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও অনুরাগীদের প্রশংসা:
বয়স বাড়লেই নারীদের সাজগোজের ওপর বিধিনিষেধ চাপানোর যে সামাজিক মানসিকতা রয়েছে, তার বিরুদ্ধে ইন্দ্রাণীর এই আত্মবিশ্বাসী বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছেন তাঁর অনুরাগী ও অনুগামীরা। বয়সকে শুধুই একটি সংখ্যা প্রমাণ করে নিজের মতো করে বাঁচার এই উদাহরণ টলিপাড়ায় নতুন করে চর্চার জন্ম দিয়েছে।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


