বিতর্ক অতীত! পুরীতে বর নীলাঞ্জনকে নিয়ে ইমন, বুকে করে নিয়ে ফিরলেন প্রভু জগন্নাথ
পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে পুজো দিলেন ইমন ও নীলাঞ্জন। আর সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে নিলেন জাতীয় পুরস্কারজয়ী গায়িকা।
দিন দুই আগেই কলকাতা বিমানবন্দর নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছিলেন ইমন চক্রবর্তী। এয়ারপোর্টের নোংরা বাথরুম নিয়ে প্রতিবাদে হয়েছিলেন সরব। আর এবার তাঁর দেখা মিলল পুরীর জগন্নাথ ধামে।

মঙ্গলবার তাঁর আর বর নীলাঞ্জনের তিনটি ছবি শেয়ার করে নিলেন। প্রথমটিতে দেখা গেল জগন্নাথ মন্দিরের সামনে ইমন ও নীলাঞ্জনের হাতে জগন্নাথ মূর্তি তুলে দিচ্ছেন এক পান্ডা। পরের ছবিতে দেখা গেল রিক্সা করে ফিরছেন কর্তা-গিন্নি। আরেকটি ছবিতে জগন্নাথ মন্দিরের সামনে পোজ দিয়েছেন ইমন ও নীলাঞ্জন। দুজনের গলাতে পুরী মন্দিরের ধ্বজাও দেখতে পাওয়া গেল। ছবিগুলি শেয়ার করে ইমন লিখলেন, ‘বারবার দর্শন দিও বাবা’! সঙ্গে হ্যাশট্যাগে জুড়েছেন ‘জয় জগন্নাথ’।
বরাবরই জগন্নাথ ভক্ত ইমন। বাড়ির সিংহাসনে জগন্নাথ-বলরাম-সুভদ্রাকে প্রতিষ্ঠা করেছেন। নিত্য পুজোও করেন। এমনকী, বছরে বেশ কয়েকবার ছুটে যান পুরীতে। স্নানযাত্রা বা রথযাত্রার মতো বিশেষ তিথিগুলোতে তিনি বাড়িতেই পুজো করেন।
দেখুন ইমন ও নীলাঞ্জনের জগন্নাথধাম পুরী ভ্রমণের ফোটো-
২০১৭ সালে 'প্রাক্তন' সিনেমার ‘তুমি যাকে ভালোবাসো’ গানটির জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ নারী নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। আর এটাই ছিল ইমনের প্রথম প্লে ব্যাক। এখানেই শেষ নয়, গতবছর অর্থাৎ ২০১৫ সালে 'পুতুল' সিনেমার 'ইতি মা' গানের জন্য তিনি অস্কারের অফিসিয়াল রেসেও শামিল হয়েছিলেন। অস্কার মঞ্চে মূল বিভাগে কোনো বাংলা গানের জায়গা পাওয়ার ঘটনা এটিই প্রথম।
দুবার বাংলা ফিল্মফেয়ারও পেয়েছেন ইমন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর জনপ্রিয়তাও দেখার মতো। যদিও খ্যাতির পাশাপাশি তাড়া করে এসেছে বিতর্কও। ইমন চক্রবর্তীর তৃণমূল ঘনিষ্ঠতার কারণে তাঁকে ঘিরে হয়েছে ‘চটিচাটা’ কটাক্ষ। এমনকী, মাঝে তো শোনা গিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে তিনি নাকি ভোটেও লড়বেন। তবে সরাসরি তৃণমূলে পা রাখেননি কখনোই। যদিও, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় তাঁকে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে প্রচারে সামিল হতেও দেখা গিয়েছিল।
কলকাতা এয়ারপোর্টের ‘নিন্দা’য় কী বলেছিলেন ইমন?
বিমানবন্দরের মহিলাদেক শৌচালয়ের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দেখে এবং সেখানকার কর্মীদের অপেশাদার আচরণ দেখে ফেসবুকে সরব হয়েছিলেন। লিখেছিলেন, ‘কলকাতা বিমানবন্দরে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করাটাই ভীষণ কষ্টকর, তার ওপর মহিলাদের টয়লেটগুলোর অবস্থা অনেক সময় সত্যিই খুব খারাপ থাকে। প্রায় বেশিরভাগ লেডিজ টয়লেটই অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর। সেখানে দায়িত্বে থাকা মহিলাদের একটু পরিষ্কার করে দেওয়ার অনুরোধ করলেও অনেক সময় তাঁরা বিরক্ত হন, এমনকি পরিষ্কারও করেন না। জানি না, ট্রেন বা বিমানবন্দরের ওয়াশরুমগুলো কবে একটু নিশ্চিন্তে, স্বস্তিতে ব্যবহার করা যাবে।’
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


