‘আমার রাজনৈতিক মতাদর্শ…’! ভোটের টিকিট পেয়েও না করেন ইমন, ‘সাধুবাদ জানান মমতা’
সম্প্রতি এক পডকাস্টে ইমন জল্পনায় সিলমহোর দিয়ে জানালেন যে, ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের আগে তাঁর কাছে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে ভোটে দাঁড়ানোর প্রস্তাব এসেছিল। তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সরাসরি দেখাও করতে গিয়েছিলেন।
বাংলায় এখন ভোল বদলের জামানা। টিএমসি থেকে দলে দলে নেতা-মন্ত্রীরা নাম লেখাচ্ছেন বিজেপিতে। এমনকী, ভোটের আগে যারা মমতা-অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে ভোট প্রচার করেছিলেন, তারাও প্রাক্তন শাসক দলের বিরুদ্ধে সোচ্চার। তারই মাঝে এক পডকাস্টে ইমন জল্পনায় সিলমহোর দিয়ে জানালেন যে, ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের আগে তাঁর কাছে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে ভোটে দাঁড়ানোর প্রস্তাব এসেছিল। তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সরাসরি দেখাও করতে গিয়েছিলেন।

কী বললেন ইমন?
বাহ বাংলা পডকাস্টে এসে ইমন জানালেন, ‘প্রায়ই বিভিন্ন দলের হয়ে আমার কাছে প্রতিনিধিত্ব করার অফার আসে। এটা কিন্তু প্রথম নয় ২০২৬-এ আমার কাছে এই প্রস্তাব এসছে। ২০২১ সালে এসেছে, ২০২৪-এর লোকসভাতেও এসেছে। সেটা আমি আমার মতো করে ভদ্রতার সঙ্গে, বিনম্রতার সঙ্গে মানা করি-- 'দাদা গান গাওয়াটাই আমার কাজ'। এবার যেটা হয়েছে তার ইনটেনসিটিটা প্রবল ছিল। বলার যে ইনটেনসিটি হয় বা চাওয়ার যে ইনটেনসিটি হয়, সেটা গভীর ছিল।’
‘আমি শুরু থেকে না-ই বলেছি, এবং ফাইনালি আমি সময় চাই যে আমি দেখা করে কথা বলতে চাই। আমি আর নীলাঞ্জন দুজনে গেছিলাম। আমরা দেখা করে, হাত জোড় করে বিনীত অনুরোধ জানয়েছিলাম যে আমার পক্ষে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। আমাকে যারা ভালোবাসেন, আমার যারা শুভাকাঙ্ক্ষী , কেউই চাইছিলেন না আমি ভোটে দাঁড়াই। আমি ইন্ডাস্ট্রির সিনিয়রদের সঙ্গে কথা বলেছিলাম, কিছু মিডিয়ার বন্ধুদের সঙ্গেও। থ্যাঙ্কস টু দ্য পার্সন, যাকে ওইদিন গিয়ে না বলেছি, আজ আর বলতে দ্বিধা নেই, শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এত সুন্দরভাবে মেনে নিলেন, বললেন, 'তোমাকে আমি সাধুবাদ জানাচ্ছি। তোমার জায়গায় অন্য কেউ থাকলে আমার একটা কথায় নিয়ে নিত। তুমি আমার ১০টা কথাতেও নাওনি। তুমি গানেই থাকো'। ওটাই আমার সঙ্গে ওঁর শেষ কথা ছিল।’, আরও বলেন ইমন।
তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে প্রচারও করতে দেখা যায় ইমনকে। ভবানীপুরে মমতার সভায়, কৈশাল মিশ্রের র্যালিতে ছিলেন গায়িকা। ইমন সেই প্রসঙ্গে জানান, ‘যেই মুহূর্তে আমি না বলেছি, ওদিক থেকেও কিছু প্রস্তাব এসেছিল। ৬৫টা আসনের লিস্ট এসেছিল। একটু গান গেয়ে দিও। কতটা না বলা যায়! ১০বার বলার পর ১বার গিয়েছিলাম। আমি বলব না ঘাড়ে বন্দুক ঠেকানো হয়েছিল। তবে হ্যাঁ আমাকে ব্যালেন্স করতে হয়েছিল। আমি যখন দিদির সঙ্গে দেখা করেছিলাম ওঁকে বলেছিলাম, আমি যদি ভোটে দাঁড়িয়েও যাই, আমার মতাদর্শ বদলাবে না। আমার তো নিজের একটা রাজনৈতিক মতাদর্শ আছে।’
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


