‘স্কুল থেকে বাড়ি ফিরলেই…’! প্রয়াত মায়ের হাতের কোন খাবার এখনো মিস করেন ইমন?

সোনি আটে রাঁধুনি না কাঁদুনিতে দেখা যাচ্ছে ইমন চক্রবর্তী, রূপাঞ্জনা মিত্র, কাঞ্চন মল্লিক, শ্রীময়ী চট্টরাজ, সুজয়প্রসাদ চট্টোপাধ্যায়, সুস্মিত মুখোপাধ্যায়, অন্বেষা হাজরা, সৌরভ দাস, দর্শনা বণিক, প্রেরণা দাস, শ্যামৌপ্তি মুদলিকে। রান্নার ফাঁকে মায়ের হাতের কোন স্বাদ তাঁদের বেশি পছন্দ, তা জানালেন তারকারা। 

Published on: Oct 9, 2026, 16:30:40 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

সোনি আটে শুরু হয়েছে ‘রাঁধুনি না কাঁদুনি’, যা ইতিমধ্যেই দর্শকদের মন কেড়ে নিয়েছে। সম্প্রতি খেলা চলাকালীন মায়ের হাতের রান্না নিয়ে কথা বলতে শোনা যায় প্রতিযোগীদের। নন ফিকশন এই শো-র পরিচালনা করছেন রাজ চক্রবর্তী।

মায়ের হাতের কোন রান্না এখনো মিস করেন ইমন।
মায়ের হাতের কোন রান্না এখনো মিস করেন ইমন।

মায়ের স্মৃতিচারণ করে কাঞ্চন বলেন, ‘বয়স ৯৯ হোক, ৬০ হোক বা ৭০, মায়ের হাতের রান্না, মায়ের হাতেরই রান্না। আমার বাড়িতে একটা সময় ননভেজ অপশন কম আসত। আসলে ইলিশ ফিলিশ এসব এফর্ট করতে পারতাম না। মা বলত কোনো ব্যাপার নয়, যখন একটা কচু গাছ পুকুরের ধার থেকে তুলে আনা হয়, সেটা দিয়েও পাঁচ পদ রান্না করা যায়।’ কাঞ্চন মল্লিক-এর মা শুভা মল্লিক ২০২০ সালের ৪ জুলাই বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে পরলোকগমন করেন। এক সাক্ষাৎকারে কাঞ্চন জানিয়েছিলেন যে, মাকে হারানোর মাত্র চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে, অর্থাৎ পরের দিনই তিনি শুটিং ফ্লোরে ফিরে গিয়েছিলেন এবং কাজের প্রতি নিজের দায়বদ্ধতা দেখিয়েছিলেন।

প্রয়াত মায়ের কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন গায়িকা ইমন চক্রবর্তীও। ইমন জানান যে, স্কুল থেকে আসার পর মা তাঁকে আলুসেদ্ধ, ডিম সেদ্ধ, ডাল সেদ্ধ দিয়ে ভাত মেখে খাইে দিতেন। সেই স্বাদ মিস করেন এখনো। ইমনের কথায়, ‘ডাল সেদ্ধ, আলু সেদ্ধ, ডিম সেদ্ধ দিয়ে ভাত মেখে, সঙ্গে ঘি আর লঙ্কা। স্কুল থেকে আমি যখন আসতাম আমাকে খাইয়ে দিত।’

বাড়িতে মায়ের হাতে আলুভাজা-য় নুন কম থাকা নিয়ে নিন্দে করেছিলেন। নিজের সেই ভুল শুধরে নেওয়ার কথা বলতে শোনা গেল ‘আনন্দী’ অন্বেষা হাজরাকে। বললেন, ‘আমার মা-বাবা দুজনেই খুব ভালো রান্না করে। তবে হ্যাঁ রেগুলার রান্না তো মা-ই করে। পরশুদিনই বলেছিলাম আলুভাজায় রান্না হয়নি। কিন্তু আজকে রান্না করতে গিয়ে কিছুক্ষণের জন্য দাঁড়িয়ে থেকে বুঝলাম যে কী অসহ্য কোমরে ব্যথা হয়। বুঝলাম, অভিযোগ করাই উচিত নয়। নুন নেই তো কী হয়েছে, সেটাই খেতে হবে।’

রাঁধুনি না কাঁদুনি-র প্রোমো আসার পর দর্শকদের দাবি ছিল এটি কালার্সের লাফটার শেফ শো-র অনুকরণ রাঁধুনি না কাঁদুনি। যদিও প্রেস কনফারেন্সে রাজ জানান, 'এই শো দেখে অনেক অনেক ভাষার শো-এর সঙ্গে মিল খুঁজবেন। তাঁদের আমি বলেই দিই, এটা মূলত 'ওয়াসপ কুক অফ আমেরিকা' বলে একটা শো আছে তার কপিরাইট নিয়ে করা। এটা একটা নন ফিকশন শো হলেও প্রত্যেকটা এপিসোডকে নন ফিকশনের মতো করে সাজানো হয়েছে। রান্না, মজা, প্রেম সবই আছে এখানে। ঝগড়া, কান্না, রান্না সবই আছে।'

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More