Iman-Mamata: ট্রোলের মুখে ঝামা! মমতার কেন্দ্রে ভোট প্রচারে ইমন, ‘দিদি যেখানে আমি সেখানে…’

ভবানীপুর কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের প্রচার সভায় উপস্থিত ইমন চক্রবর্তী। জোর গলায় ঘোষণা, ‘দিদি যেখানে আমি সেখানে…’। গাইলেন, ‘একলা চলো কে’। 

Published on: Apr 25, 2026, 16:23:32 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

কদিন আগেই ‘চটিচাটা’ কটাক্ষে তেড়েফুড়ে উঠেছিলেন ইমন চক্রবর্তী। ২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে বঙ্গবিভূষণ দেওয়া হয় তাঁকে। শুধু তাই নয়, ইমন গান ‘উন্নয়নের পাঁচালি’। এরপর থেকেই কটাক্ষের শুরু। মাঝে তো সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সরে দাঁড়ানোর মতো বড়সড় সিদ্ধান্তও নিয়ে ফেলেছিলেন। যদিও এরপর আসরে নামেন মমতা। তিনিই ইমনকে অনুরোধ করেন, কটাক্ষকারীদের পাত্তা না দিতে। আর ‘প্রিয়’ দিদির কথা ফেলতে পারেননি গায়িকা!

‘দিদি যেখানে আমি সেখানে…’, মমতার হয়ে ভোটপ্রচার ইমনের।
‘দিদি যেখানে আমি সেখানে…’, মমতার হয়ে ভোটপ্রচার ইমনের।

একসয় ছাত্র রাজনীতি করতেন ইমন বাং সংগঠনের হয়ে। তবে বর্তমানে শাসকদল বিশেষ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি অনুপাগ ব্যক্ত করেছেন একাধিক সাক্ষাৎকারে। এবার যেমন ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় দেখা মিলল তাঁর। তৃণমূল সুপ্রিমোর পাশে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘‘একজন সংগীত শিল্পী হিসেবে এই বাংলায় দিদির সরকারের কাছ থেকে, আপনাদের কাছ থেকে যে সম্মান পেয়েছি সেটা শিরোধার্য। আর দিদি যেখানে আমি সেখানে…’

এরপর মমতার জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘একলা চলো রে’ গানটিও করেন। বলেন, ‘এই গান দিদির জন্য, আর এই যা চলছে আমাদের গোটা বাংলা জুড়ে, যে মানুষ একা নেতৃত্ব দেন, তাঁকে আমরা অনুসরণ করি সকলে, তাঁর জন্য একটা গান তো গাইতেই হবে। আমার খুব আনন্দ হয়, খুব শান্তির ঘুম হয় এটা ভেবে যে, আমাদের রাজ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আছেন।’

তবে এই ভিডিয়ো সামনে আসতেও ট্রোল কমেন্টের বন্যা। একজন লিখলেন, ‘চটি চেটে আর রবি ঠাকুরের গান গাইবেন না, পাঁচালি গান।’ আরেকজন লেখেন, ‘সত্যিই ইমনকে দেখে অবাক লাগে… বহুরূপী!’ আরেকটি কমেন্টে লেখা, ‘এই তো এসে গেছে চটি চাটতে’।

চর্চা ছিল যে, উত্তরপাড়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হতে পারেন ইমন। ১৭ মার্চ ২০২৬-এ তৃণমূল কংগ্রেসের অফিসিয়াল প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হওয়ার পর যদিও দেখা যায় যে, ইমনের নাম নেই তাতে। এরপর সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে লেখেন, ‘বিগত কয়েকমাস ধরে আপনারা আমাকে বিভিন্ন জায়গায় দাঁড় করিয়েছিলেন। এই যেমন উত্তরপাড়া, দক্ষিণপাড়া, বালি, সিমেন্ট, আমতলা, জামতলা ইত্যাদি। কেউ কেউ আবার কেওড়াতলাতে নিয়ে গিয়েও দাঁড় করিয়ে দিয়েছিলেন। আপনাদের কাছে কড়জোরে একটা বিনীত অনুরোধ রাখছি, প্লিজ আপনারা আমাকে এবার একটু নিজের পায়ে দাঁড়াতে দিন।’

২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্রে মূল লড়াই তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে। কংগ্রেসের প্রদীপ প্রসাদ, সিপিএমের শ্রীজীব বিশ্বাস এবং এসইউসি-র অনুমিতা সাউ এই কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ২৯ মে বুধবার ভবানীপুর কেন্দ্রে ভোট।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More